ঢাকা ০৬:৩২ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৩ এপ্রিল ২০২৬

চৈত্রের খরতাপে অতিষ্ঠ জনজীবন, উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলে বইছে তাপপ্রবাহ

চৈত্রের প্রখর তাপদাহে দেশজুড়ে জনজীবন বিপর্যস্ত। বিশেষ করে দেশের উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলে তাপমাত্রার পারদ ক্রমাগত ঊর্ধ্বমুখী হওয়ায় মৃদু থেকে মাঝারি ধরনের তাপপ্রবাহ বইছে। আগামী রোববার পর্যন্ত এই পরিস্থিতি অব্যাহত থাকার আশঙ্কা করছে আবহাওয়া অধিদপ্তর।

আবহাওয়ার পূর্বাভাস অনুযায়ী, চলতি মাসে দুই থেকে চারটি মৃদু থেকে মাঝারি এবং এক থেকে দুটি তীব্র তাপপ্রবাহ অনুভূত হতে পারে। এ সময় সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ৪০ থেকে ৪২ ডিগ্রি সেলসিয়াস পর্যন্ত পৌঁছাতে পারে। শুক্রবার (৩ এপ্রিল) বেলা ৩টার দিকে আবহাওয়াবিদ এ কে এম নাজমুল হক জানান, আগের দিনের তুলনায় তাপপ্রবাহের পরিধি বেড়েছে এবং দেশের উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলের জেলাগুলোতে এটি অনুভূত হচ্ছে।

আজ খুলনা ও রাজশাহী বিভাগের জেলাগুলো ছাড়াও টাঙ্গাইল, মানিকগঞ্জ, ফরিদপুর এবং নীলফামারী জেলায় তাপপ্রবাহ বিরাজ করছে। আবহাওয়াবিদদের মতে, ২০২৩ ও ২০২৪ সালের তুলনায় এবার তাপপ্রবাহের তীব্রতা কিছুটা কম থাকতে পারে। কারণ, সে সময় টানা ২৬ দিন (২০২৪) এবং ২২ দিন (২০২৩) ধরে তাপপ্রবাহ চলেছিল। এবার তাপপ্রবাহের পাশাপাশি মাঝে মাঝে বৃষ্টি হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে, যা দাবদাহ কিছুটা প্রশমিত করবে।

আগামী দুই দিনে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলের তাপমাত্রা আরও বাড়তে পারে এবং তাপপ্রবাহের বিস্তার লাভ করতে পারে। আগামী ২৪ ঘণ্টায় দেশের পশ্চিমাঞ্চলে মৃদু থেকে মাঝারি তাপপ্রবাহ বয়ে যাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। একই সঙ্গে, সারা দেশে দিন ও রাতের তাপমাত্রা ১ থেকে ২ ডিগ্রি সেলসিয়াস পর্যন্ত বাড়তে পারে।

আবহাওয়াবিদ তরিফুল নেওয়াজ কবির জানিয়েছেন, আগামী রোববার পর্যন্ত দেশের আবহাওয়া শুষ্ক থাকতে পারে এবং তাপমাত্রা আরও বাড়তে পারে। তবে, এ সময়ে সিলেট ও চট্টগ্রাম বিভাগের কিছু এলাকায় বিচ্ছিন্নভাবে দমকা হাওয়াসহ বৃষ্টি এবং কোথাও কোথাও শিলাবৃষ্টি হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

গতকাল (বৃহস্পতিবার) দেশের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে চুয়াডাঙ্গায়, ৩৮ দশমিক ৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস। এছাড়া, খুলনার মোংলায় ৩৮, রাজশাহীতে ৩৭ দশমিক ৫, সিরাজগঞ্জের তাড়াশে ৩৬ দশমিক ৮ এবং পাবনার ঈশ্বরদীতে ৩৬ দশমিক ৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে। দেশের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল তেঁতুলিয়ায়, ১৯ ডিগ্রি সেলসিয়াস।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

‘ইরানকে দমানোর সক্ষমতা নিয়ে ভুল ধারণা পোষণ করছে যুক্তরাষ্ট্র’

চৈত্রের খরতাপে অতিষ্ঠ জনজীবন, উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলে বইছে তাপপ্রবাহ

আপডেট সময় : ০৪:৪৪:৪৯ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৩ এপ্রিল ২০২৬

চৈত্রের প্রখর তাপদাহে দেশজুড়ে জনজীবন বিপর্যস্ত। বিশেষ করে দেশের উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলে তাপমাত্রার পারদ ক্রমাগত ঊর্ধ্বমুখী হওয়ায় মৃদু থেকে মাঝারি ধরনের তাপপ্রবাহ বইছে। আগামী রোববার পর্যন্ত এই পরিস্থিতি অব্যাহত থাকার আশঙ্কা করছে আবহাওয়া অধিদপ্তর।

আবহাওয়ার পূর্বাভাস অনুযায়ী, চলতি মাসে দুই থেকে চারটি মৃদু থেকে মাঝারি এবং এক থেকে দুটি তীব্র তাপপ্রবাহ অনুভূত হতে পারে। এ সময় সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ৪০ থেকে ৪২ ডিগ্রি সেলসিয়াস পর্যন্ত পৌঁছাতে পারে। শুক্রবার (৩ এপ্রিল) বেলা ৩টার দিকে আবহাওয়াবিদ এ কে এম নাজমুল হক জানান, আগের দিনের তুলনায় তাপপ্রবাহের পরিধি বেড়েছে এবং দেশের উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলের জেলাগুলোতে এটি অনুভূত হচ্ছে।

আজ খুলনা ও রাজশাহী বিভাগের জেলাগুলো ছাড়াও টাঙ্গাইল, মানিকগঞ্জ, ফরিদপুর এবং নীলফামারী জেলায় তাপপ্রবাহ বিরাজ করছে। আবহাওয়াবিদদের মতে, ২০২৩ ও ২০২৪ সালের তুলনায় এবার তাপপ্রবাহের তীব্রতা কিছুটা কম থাকতে পারে। কারণ, সে সময় টানা ২৬ দিন (২০২৪) এবং ২২ দিন (২০২৩) ধরে তাপপ্রবাহ চলেছিল। এবার তাপপ্রবাহের পাশাপাশি মাঝে মাঝে বৃষ্টি হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে, যা দাবদাহ কিছুটা প্রশমিত করবে।

আগামী দুই দিনে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলের তাপমাত্রা আরও বাড়তে পারে এবং তাপপ্রবাহের বিস্তার লাভ করতে পারে। আগামী ২৪ ঘণ্টায় দেশের পশ্চিমাঞ্চলে মৃদু থেকে মাঝারি তাপপ্রবাহ বয়ে যাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। একই সঙ্গে, সারা দেশে দিন ও রাতের তাপমাত্রা ১ থেকে ২ ডিগ্রি সেলসিয়াস পর্যন্ত বাড়তে পারে।

আবহাওয়াবিদ তরিফুল নেওয়াজ কবির জানিয়েছেন, আগামী রোববার পর্যন্ত দেশের আবহাওয়া শুষ্ক থাকতে পারে এবং তাপমাত্রা আরও বাড়তে পারে। তবে, এ সময়ে সিলেট ও চট্টগ্রাম বিভাগের কিছু এলাকায় বিচ্ছিন্নভাবে দমকা হাওয়াসহ বৃষ্টি এবং কোথাও কোথাও শিলাবৃষ্টি হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

গতকাল (বৃহস্পতিবার) দেশের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে চুয়াডাঙ্গায়, ৩৮ দশমিক ৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস। এছাড়া, খুলনার মোংলায় ৩৮, রাজশাহীতে ৩৭ দশমিক ৫, সিরাজগঞ্জের তাড়াশে ৩৬ দশমিক ৮ এবং পাবনার ঈশ্বরদীতে ৩৬ দশমিক ৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে। দেশের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল তেঁতুলিয়ায়, ১৯ ডিগ্রি সেলসিয়াস।