ঢাকা ০৮:০৬ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১৩ এপ্রিল ২০২৬

মাদক ব্যবসায় স্থানীয় নেতা ও পুলিশের যোগসাজশ: সংসদ সদস্যের গুরুতর অভিযোগ

  • রিপোর্টারের নাম
  • আপডেট সময় : ১১:১৯:৫৪ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ৩ এপ্রিল ২০২৬
  • ৭ বার পড়া হয়েছে

কিশোরগঞ্জের কটিয়াদীতে মাদকবিরোধী অভিযানে পুলিশের ভূমিকা নিয়ে গুরুতর অভিযোগ তুলেছেন কিশোরগঞ্জ-২ (কটিয়াদী-পাকুন্দিয়া) আসনের সংসদ সদস্য অ্যাডভোকেট জালাল উদ্দিন। বুধবার সন্ধ্যায় ঢাকার সংসদ ভবন এলাকায় উপজেলার লোহাজুরী ইউনিয়নের ছাত্র ও যুবকদের সঙ্গে মতবিনিময়কালে তিনি এই অভিযোগ করেন।

সংসদ সদস্য জালাল উদ্দিন বলেন, মাদকবিরোধী অভিযান পরিচালনা করা ছাত্রদের সঙ্গে কথা বলার সময় তিনি জানতে পেরেছেন যে, কটিয়াদী মডেল থানার ওসি (তদন্ত) সহ বেশ কয়েকজন পুলিশ সদস্য অভিযান শুরুর আগেই মাদকসেবী ও ব্যবসায়ীদের সতর্ক করে দেন। তিনি ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, ‘আওয়ামী ফ্যাসিস্ট সরকারের আমলে’ তারা এই থানায় যোগদান করে এখনও বহাল তবিয়তে আছেন। তিনি স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকে বিষয়টি জানিয়ে তাদের অন্যত্র বদলির ব্যবস্থা করার আশ্বাস দেন।

তিনি আরও অভিযোগ করেন যে, এলাকায় মাদক ব্যবসার সঙ্গে কিছু স্থানীয় নেতা ও পুলিশের সদস্য জড়িত রয়েছে। উপজেলা আইনশৃঙ্খলা কমিটির সর্বশেষ সভায় তিনি কয়েকজন মাদক ব্যবসায়ীর নাম উল্লেখ করলেও এখন পর্যন্ত তাদের বিরুদ্ধে কার্যকর কোনো অভিযান পরিচালিত হয়নি। এই পরিস্থিতিতে তিনি নিজেও বিব্রতকর অবস্থায় পড়েছেন বলে জানান এবং দ্রুত এসবের পরিবর্তন আসবে বলে আশা প্রকাশ করেন।

স্থানীয়দের অভিযোগ, দীর্ঘদিন ধরে এলাকায় মাদকের বিস্তার ঘটলেও দৃশ্যমান কোনো কঠোর ব্যবস্থা না নেওয়ায় সাধারণ মানুষের মধ্যে ক্ষোভ বাড়ছে। সংসদ সদস্যের এই অভিযোগ এলাকায় মাদকবিরোধী কার্যক্রম এবং আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন তুলেছে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

আজকের ক্রীড়াঙ্গনে উত্তেজনার পারদ: পিএসএল ও ম্যানইউ-লিডসের মহারণ

মাদক ব্যবসায় স্থানীয় নেতা ও পুলিশের যোগসাজশ: সংসদ সদস্যের গুরুতর অভিযোগ

আপডেট সময় : ১১:১৯:৫৪ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ৩ এপ্রিল ২০২৬

কিশোরগঞ্জের কটিয়াদীতে মাদকবিরোধী অভিযানে পুলিশের ভূমিকা নিয়ে গুরুতর অভিযোগ তুলেছেন কিশোরগঞ্জ-২ (কটিয়াদী-পাকুন্দিয়া) আসনের সংসদ সদস্য অ্যাডভোকেট জালাল উদ্দিন। বুধবার সন্ধ্যায় ঢাকার সংসদ ভবন এলাকায় উপজেলার লোহাজুরী ইউনিয়নের ছাত্র ও যুবকদের সঙ্গে মতবিনিময়কালে তিনি এই অভিযোগ করেন।

সংসদ সদস্য জালাল উদ্দিন বলেন, মাদকবিরোধী অভিযান পরিচালনা করা ছাত্রদের সঙ্গে কথা বলার সময় তিনি জানতে পেরেছেন যে, কটিয়াদী মডেল থানার ওসি (তদন্ত) সহ বেশ কয়েকজন পুলিশ সদস্য অভিযান শুরুর আগেই মাদকসেবী ও ব্যবসায়ীদের সতর্ক করে দেন। তিনি ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, ‘আওয়ামী ফ্যাসিস্ট সরকারের আমলে’ তারা এই থানায় যোগদান করে এখনও বহাল তবিয়তে আছেন। তিনি স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকে বিষয়টি জানিয়ে তাদের অন্যত্র বদলির ব্যবস্থা করার আশ্বাস দেন।

তিনি আরও অভিযোগ করেন যে, এলাকায় মাদক ব্যবসার সঙ্গে কিছু স্থানীয় নেতা ও পুলিশের সদস্য জড়িত রয়েছে। উপজেলা আইনশৃঙ্খলা কমিটির সর্বশেষ সভায় তিনি কয়েকজন মাদক ব্যবসায়ীর নাম উল্লেখ করলেও এখন পর্যন্ত তাদের বিরুদ্ধে কার্যকর কোনো অভিযান পরিচালিত হয়নি। এই পরিস্থিতিতে তিনি নিজেও বিব্রতকর অবস্থায় পড়েছেন বলে জানান এবং দ্রুত এসবের পরিবর্তন আসবে বলে আশা প্রকাশ করেন।

স্থানীয়দের অভিযোগ, দীর্ঘদিন ধরে এলাকায় মাদকের বিস্তার ঘটলেও দৃশ্যমান কোনো কঠোর ব্যবস্থা না নেওয়ায় সাধারণ মানুষের মধ্যে ক্ষোভ বাড়ছে। সংসদ সদস্যের এই অভিযোগ এলাকায় মাদকবিরোধী কার্যক্রম এবং আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন তুলেছে।