চৈত্রের মাঝামাঝি সময়ে এসে দেশজুড়ে খরতাপের কারণে ভ্যাপসা গরম অনুভূত হচ্ছে। আগামী তিনদিনে তাপমাত্রা আরও বাড়তে পারে এবং দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে মৃদু থেকে মাঝারি ধরনের তাপপ্রবাহ বয়ে যেতে পারে বলে পূর্বাভাস দিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর।
সংস্থাটি বলছে, আগামী ২৪ ঘণ্টায় দেশের পশ্চিমাঞ্চলে মৃদু থেকে মাঝারি তাপপ্রবাহের সম্ভাবনা রয়েছে। একইসঙ্গে, সারাদেশে দিন ও রাতের তাপমাত্রা ১ থেকে ২ ডিগ্রি সেলসিয়াস পর্যন্ত বাড়তে পারে।
আবহাওয়াবিদ তরিফুল নেওয়াজ কবির জানিয়েছেন, আগামী রোববার পর্যন্ত দেশের আবহাওয়া শুষ্ক থাকতে পারে এবং তাপমাত্রা আরও বাড়তে পারে। তবে, এ সময়ে সিলেট ও চট্টগ্রাম বিভাগের কিছু এলাকায় বিচ্ছিন্নভাবে দমকা হাওয়া ও শিলাবৃষ্টিসহ বৃষ্টি হতে পারে।
বৃহস্পতিবার দেশের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ৩৮.৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস রেকর্ড করা হয়েছে চুয়াডাঙ্গায়। এছাড়াও, মোংলায় ৩৮, রাজশাহীতে ৩৭.৫, তাড়াশে ৩৬.৮ এবং ঈশ্বরদীতে ৩৬.৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়। দেশের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে তেঁতুলিয়ায় ১৯.৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস। রাজধানী ঢাকায় সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল ৩৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস।
আবহাওয়া অধিদপ্তরের সংজ্ঞা অনুযায়ী, ৩৬ থেকে ৩৭.৯ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রা মৃদু তাপপ্রবাহ, ৩৮ থেকে ৩৯.৯ ডিগ্রি সেলসিয়াস মাঝারি তাপপ্রবাহ এবং ৪০-এর বেশি ডিগ্রি সেলসিয়াস তীব্র তাপপ্রবাহ হিসেবে গণ্য হয়।
বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় আবহাওয়া অধিদপ্তরের বুলেটিনে জানানো হয়, লঘুচাপের বর্ধিতাংশ পশ্চিমবঙ্গ ও তৎসংলগ্ন এলাকায় অবস্থান করছে। মৌসুমের স্বাভাবিক লঘুচাপ দক্ষিণ বঙ্গোপসাগরে রয়েছে। এর প্রভাবে ঢাকা, ময়মনসিংহ, চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগের কিছু এলাকায় অস্থায়ীভাবে দমকা হাওয়া ও বিদ্যুৎ চমকানোসহ বৃষ্টি বা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। দেশের অন্যান্য স্থানে আকাশ আংশিক মেঘলা থাকলেও আবহাওয়া প্রধানত শুষ্ক থাকবে।
রিপোর্টারের নাম 




















