ঢাকা ০৭:২৩ অপরাহ্ন, রবিবার, ১২ এপ্রিল ২০২৬

৫০তম বিসিএস লিখিত পরীক্ষার সময় বাড়ানোর দাবিতে পরীক্ষার্থীদের মানববন্ধন ও সমাবেশ

  • রিপোর্টারের নাম
  • আপডেট সময় : ০৮:৩৩:৪৯ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২ এপ্রিল ২০২৬
  • ৭ বার পড়া হয়েছে

৫০তম বিসিএস প্রিলিমিনারি পরীক্ষার ফলাফল প্রকাশের পর লিখিত পরীক্ষার জন্য মাত্র দুই মাস সময় পাওয়ায় অসন্তোষ প্রকাশ করেছেন পরীক্ষার্থীরা। তাদের দাবি, এই স্বল্প সময়ে বিসিএসের মতো একটি বিশাল সিলেবাসের জন্য পূর্ণ প্রস্তুতি নেওয়া অত্যন্ত কঠিন। তাই তারা লিখিত পরীক্ষার সময় দুই মাসের পরিবর্তে তিন মাস করার জন্য প্রধানমন্ত্রীর হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।

বৃহস্পতিবার সকালে রাজধানীর জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে আয়োজিত এক প্রতিবাদ সমাবেশে পরীক্ষার্থীরা বিভিন্ন প্ল্যাকার্ড হাতে নিয়ে তাদের এই দাবি তুলে ধরেন। প্ল্যাকার্ডগুলোতে লেখা ছিল – ‘লিখিততে ন্যূনতম চার মাস ন্যায্য দাবি; বৈষম্যের ঠাঁই নাই, বৈষম্যহীন বাংলায়; দুই মাসে বিসিএস রিটেন মানি না, মানব না; দাবি মোদের একটাই, জুলাই রিটেন চাই’ ইত্যাদি।

সমাবেশে অংশ নেওয়া পরীক্ষার্থী আমানুল্লাহ আমান বলেন, ৩৫তম থেকে ৪৬তম বিসিএস পর্যন্ত লিখিত পরীক্ষার জন্য গড়ে আট মাসের বেশি সময় দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু ৫০তম বিসিএসে মাত্র দু’মাস সময় বরাদ্দ করা হয়েছে, যা প্রস্তুতির জন্য একেবারেই অপর্যাপ্ত। তিনি আরও বলেন, সরকার এক বছরে বিসিএস শেষ করার যে উদ্যোগ নিয়েছে তা প্রশংসার যোগ্য, কিন্তু লিখিত পরীক্ষার জন্য দুই মাস সময় দেওয়াটা যৌক্তিক নয়। লিখিত পরীক্ষার সময় বাড়িয়ে মৌখিক পরীক্ষার সময় কমানো হলে পরীক্ষার্থীদের প্রস্তুতি নিতে সুবিধা হবে।

পরীক্ষার্থী সোহাগ মিয়া জানান, ১০ ফেব্রুয়ারি প্রিলিমিনারি পরীক্ষার ফলাফল প্রকাশিত হওয়ার পর ৯ এপ্রিল লিখিত পরীক্ষার তারিখ নির্ধারণ করা হয়েছে। এতে প্রস্তুতির জন্য মাত্র ৫৮ দিন সময় পাওয়া যাচ্ছে, যা দেশের সর্বোচ্চ প্রতিযোগিতামূলক এই পরীক্ষার জন্য যথেষ্ট নয়।

মেহেরুস রাফসান নামে আরেক পরীক্ষার্থী বলেন, নতুন প্রার্থীরা সময়ের অভাবে অভিজ্ঞ প্রার্থীদের চেয়ে পিছিয়ে পড়ছে। প্রস্তুতির এই সময়ে রমজান মাসও থাকায় তাদের প্রস্তুতি ও সক্ষমতা কমে যাচ্ছে। পিকু বড়ুয়া নামে আরেক পরীক্ষার্থী চাকরির পাশাপাশি এত অল্প সময়ে যথাযথ প্রস্তুতি নেওয়াকে অত্যন্ত কঠিন বলে উল্লেখ করেন। তিনি প্রিলিমিনারি ও লিখিত পরীক্ষার মধ্যে ন্যূনতম চার-পাঁচ মাসের ব্যবধান রেখে একটি সুশৃঙ্খল ও পরীক্ষার্থী-বান্ধব রোডম্যাপ তৈরির অনুরোধ জানান, যা এক বছরে বিসিএস সম্পন্ন করার লক্ষ্য পূরণে সহায়ক হবে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

‘দম’ জয় করছে আমেরিকা, ‘প্রেশার কুকার’ যাচ্ছে লন্ডনে

৫০তম বিসিএস লিখিত পরীক্ষার সময় বাড়ানোর দাবিতে পরীক্ষার্থীদের মানববন্ধন ও সমাবেশ

আপডেট সময় : ০৮:৩৩:৪৯ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২ এপ্রিল ২০২৬

৫০তম বিসিএস প্রিলিমিনারি পরীক্ষার ফলাফল প্রকাশের পর লিখিত পরীক্ষার জন্য মাত্র দুই মাস সময় পাওয়ায় অসন্তোষ প্রকাশ করেছেন পরীক্ষার্থীরা। তাদের দাবি, এই স্বল্প সময়ে বিসিএসের মতো একটি বিশাল সিলেবাসের জন্য পূর্ণ প্রস্তুতি নেওয়া অত্যন্ত কঠিন। তাই তারা লিখিত পরীক্ষার সময় দুই মাসের পরিবর্তে তিন মাস করার জন্য প্রধানমন্ত্রীর হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।

বৃহস্পতিবার সকালে রাজধানীর জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে আয়োজিত এক প্রতিবাদ সমাবেশে পরীক্ষার্থীরা বিভিন্ন প্ল্যাকার্ড হাতে নিয়ে তাদের এই দাবি তুলে ধরেন। প্ল্যাকার্ডগুলোতে লেখা ছিল – ‘লিখিততে ন্যূনতম চার মাস ন্যায্য দাবি; বৈষম্যের ঠাঁই নাই, বৈষম্যহীন বাংলায়; দুই মাসে বিসিএস রিটেন মানি না, মানব না; দাবি মোদের একটাই, জুলাই রিটেন চাই’ ইত্যাদি।

সমাবেশে অংশ নেওয়া পরীক্ষার্থী আমানুল্লাহ আমান বলেন, ৩৫তম থেকে ৪৬তম বিসিএস পর্যন্ত লিখিত পরীক্ষার জন্য গড়ে আট মাসের বেশি সময় দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু ৫০তম বিসিএসে মাত্র দু’মাস সময় বরাদ্দ করা হয়েছে, যা প্রস্তুতির জন্য একেবারেই অপর্যাপ্ত। তিনি আরও বলেন, সরকার এক বছরে বিসিএস শেষ করার যে উদ্যোগ নিয়েছে তা প্রশংসার যোগ্য, কিন্তু লিখিত পরীক্ষার জন্য দুই মাস সময় দেওয়াটা যৌক্তিক নয়। লিখিত পরীক্ষার সময় বাড়িয়ে মৌখিক পরীক্ষার সময় কমানো হলে পরীক্ষার্থীদের প্রস্তুতি নিতে সুবিধা হবে।

পরীক্ষার্থী সোহাগ মিয়া জানান, ১০ ফেব্রুয়ারি প্রিলিমিনারি পরীক্ষার ফলাফল প্রকাশিত হওয়ার পর ৯ এপ্রিল লিখিত পরীক্ষার তারিখ নির্ধারণ করা হয়েছে। এতে প্রস্তুতির জন্য মাত্র ৫৮ দিন সময় পাওয়া যাচ্ছে, যা দেশের সর্বোচ্চ প্রতিযোগিতামূলক এই পরীক্ষার জন্য যথেষ্ট নয়।

মেহেরুস রাফসান নামে আরেক পরীক্ষার্থী বলেন, নতুন প্রার্থীরা সময়ের অভাবে অভিজ্ঞ প্রার্থীদের চেয়ে পিছিয়ে পড়ছে। প্রস্তুতির এই সময়ে রমজান মাসও থাকায় তাদের প্রস্তুতি ও সক্ষমতা কমে যাচ্ছে। পিকু বড়ুয়া নামে আরেক পরীক্ষার্থী চাকরির পাশাপাশি এত অল্প সময়ে যথাযথ প্রস্তুতি নেওয়াকে অত্যন্ত কঠিন বলে উল্লেখ করেন। তিনি প্রিলিমিনারি ও লিখিত পরীক্ষার মধ্যে ন্যূনতম চার-পাঁচ মাসের ব্যবধান রেখে একটি সুশৃঙ্খল ও পরীক্ষার্থী-বান্ধব রোডম্যাপ তৈরির অনুরোধ জানান, যা এক বছরে বিসিএস সম্পন্ন করার লক্ষ্য পূরণে সহায়ক হবে।