ঢাকা ০১:৫৪ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৩ এপ্রিল ২০২৬

সিলেটে জ্বালানি ধর্মঘট প্রত্যাহার: জনজীবনে স্বস্তি, প্রশাসনের আশ্বাসে স্বাভাবিক হচ্ছে সরবরাহ

  • রিপোর্টারের নাম
  • আপডেট সময় : ০৭:১৫:১৮ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২ এপ্রিল ২০২৬
  • ৬ বার পড়া হয়েছে

সিলেট বিভাগের পেট্রোল পাম্প ও সিএনজি রিফুয়েলিং স্টেশনে মালিকদের ডাকা অনির্দিষ্টকালের ধর্মঘট অবশেষে প্রত্যাহার করা হয়েছে। প্রশাসনের সঙ্গে ফলপ্রসূ বৈঠকের পর বৃহস্পতিবার দুপুর ২টা থেকে জ্বালানি তেল ও গ্যাস বিপণন এবং সরবরাহ স্বাভাবিক হতে শুরু করেছে। এই সিদ্ধান্তে জনজীবনে নেমে আসা ভোগান্তির অবসান হচ্ছে।

বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম ডিলারস, ডিস্ট্রিবিউশন এজেন্টস এবং পেট্রোলিয়াম ওনার্স অ্যাসোসিয়েশন, সিলেট বিভাগীয় কমিটির সাধারণ সম্পাদক হুমায়ূন আহমেদ জানান, প্রশাসনের পক্ষ থেকে ব্যবসায়ীদের হয়রানি না করার আশ্বাস দেওয়া হয়েছে। এই প্রতিশ্রুতির পরিপ্রেক্ষিতেই গভীর রাতে ধর্মঘট প্রত্যাহারের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। এর ফলে তাৎক্ষণিকভাবে সিলেটের সকল পেট্রোল পাম্প ও সিএনজি রিফুয়েলিং স্টেশনে তেল ও গ্যাস সরবরাহ পুনরায় শুরু হয়েছে।

এর আগে সিলেটের জেলা প্রশাসক মো. সারওয়ার আলমের সভাপতিত্বে জ্বালানি তেল ব্যবস্থাপনা সংক্রান্ত একটি মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় সিলেট সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক আব্দুল কাইয়ুম চৌধুরী, পুলিশ সুপার ড. চৌধুরী মো. জাবের সাদেক এবং মালিক সংগঠনের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

উল্লেখ্য, গত বুধবার (১ এপ্রিল) রাত সাড়ে ১১টার দিকে হঠাৎ করেই পাম্প মালিকদের হয়রানি ও চাঁদাবাজির অভিযোগে এই ধর্মঘটের ডাক দেওয়া হয়েছিল। সংগঠনের মুখপাত্র ব্যারিস্টার রিয়াশাদ আজিম হক আদনান জানান, গভীর রাতে ধর্মঘট প্রত্যাহারের সিদ্ধান্ত হওয়ায় প্রাথমিকভাবে সব পাম্পে বার্তা পৌঁছাতে কিছুটা সময় লেগেছিল, তবে এখন কার্যক্রম পুরোপুরি স্বাভাবিক।

এদিকে, এই ধর্মঘটের সুযোগে ট্রাক-লরি চালকরা মোবাইল কোর্টের জরিমানা, চাঁদাবাজি এবং জ্বালানি তেল পর্যাপ্ত না পাওয়ার প্রতিবাদে রাত সাড়ে ১০টার দিকে দক্ষিণ সুরমার বিভিন্ন পয়েন্টে সড়ক অবরোধ শুরু করে। সড়কের মাঝে ট্রাক ও লরি ফেলে এই অবরোধ কর্মসূচির কারণে ঢাকা-সিলেট মহাসড়কে দীর্ঘ যানজটের সৃষ্টি হয়। খবর পেয়ে সিলেট মেট্রোপলিটন পুলিশের কমিশনার আব্দুল কুদ্দুস চৌধুরী ঘটনাস্থলে ছুটে যান এবং আলোচনার মাধ্যমে দেড় থেকে দুই ঘণ্টার মধ্যে সড়ক অবরোধ প্রত্যাহার করে যান চলাচল স্বাভাবিক করেন।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

পঞ্চগড়ে কৃষিজমি ধ্বংস করে অপরিকল্পিত পাথর উত্তোলন, উদ্বেগ পরিবেশবাদীদের

সিলেটে জ্বালানি ধর্মঘট প্রত্যাহার: জনজীবনে স্বস্তি, প্রশাসনের আশ্বাসে স্বাভাবিক হচ্ছে সরবরাহ

আপডেট সময় : ০৭:১৫:১৮ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২ এপ্রিল ২০২৬

সিলেট বিভাগের পেট্রোল পাম্প ও সিএনজি রিফুয়েলিং স্টেশনে মালিকদের ডাকা অনির্দিষ্টকালের ধর্মঘট অবশেষে প্রত্যাহার করা হয়েছে। প্রশাসনের সঙ্গে ফলপ্রসূ বৈঠকের পর বৃহস্পতিবার দুপুর ২টা থেকে জ্বালানি তেল ও গ্যাস বিপণন এবং সরবরাহ স্বাভাবিক হতে শুরু করেছে। এই সিদ্ধান্তে জনজীবনে নেমে আসা ভোগান্তির অবসান হচ্ছে।

বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম ডিলারস, ডিস্ট্রিবিউশন এজেন্টস এবং পেট্রোলিয়াম ওনার্স অ্যাসোসিয়েশন, সিলেট বিভাগীয় কমিটির সাধারণ সম্পাদক হুমায়ূন আহমেদ জানান, প্রশাসনের পক্ষ থেকে ব্যবসায়ীদের হয়রানি না করার আশ্বাস দেওয়া হয়েছে। এই প্রতিশ্রুতির পরিপ্রেক্ষিতেই গভীর রাতে ধর্মঘট প্রত্যাহারের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। এর ফলে তাৎক্ষণিকভাবে সিলেটের সকল পেট্রোল পাম্প ও সিএনজি রিফুয়েলিং স্টেশনে তেল ও গ্যাস সরবরাহ পুনরায় শুরু হয়েছে।

এর আগে সিলেটের জেলা প্রশাসক মো. সারওয়ার আলমের সভাপতিত্বে জ্বালানি তেল ব্যবস্থাপনা সংক্রান্ত একটি মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় সিলেট সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক আব্দুল কাইয়ুম চৌধুরী, পুলিশ সুপার ড. চৌধুরী মো. জাবের সাদেক এবং মালিক সংগঠনের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

উল্লেখ্য, গত বুধবার (১ এপ্রিল) রাত সাড়ে ১১টার দিকে হঠাৎ করেই পাম্প মালিকদের হয়রানি ও চাঁদাবাজির অভিযোগে এই ধর্মঘটের ডাক দেওয়া হয়েছিল। সংগঠনের মুখপাত্র ব্যারিস্টার রিয়াশাদ আজিম হক আদনান জানান, গভীর রাতে ধর্মঘট প্রত্যাহারের সিদ্ধান্ত হওয়ায় প্রাথমিকভাবে সব পাম্পে বার্তা পৌঁছাতে কিছুটা সময় লেগেছিল, তবে এখন কার্যক্রম পুরোপুরি স্বাভাবিক।

এদিকে, এই ধর্মঘটের সুযোগে ট্রাক-লরি চালকরা মোবাইল কোর্টের জরিমানা, চাঁদাবাজি এবং জ্বালানি তেল পর্যাপ্ত না পাওয়ার প্রতিবাদে রাত সাড়ে ১০টার দিকে দক্ষিণ সুরমার বিভিন্ন পয়েন্টে সড়ক অবরোধ শুরু করে। সড়কের মাঝে ট্রাক ও লরি ফেলে এই অবরোধ কর্মসূচির কারণে ঢাকা-সিলেট মহাসড়কে দীর্ঘ যানজটের সৃষ্টি হয়। খবর পেয়ে সিলেট মেট্রোপলিটন পুলিশের কমিশনার আব্দুল কুদ্দুস চৌধুরী ঘটনাস্থলে ছুটে যান এবং আলোচনার মাধ্যমে দেড় থেকে দুই ঘণ্টার মধ্যে সড়ক অবরোধ প্রত্যাহার করে যান চলাচল স্বাভাবিক করেন।