ঢাকা ০৩:৪৪ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১৩ এপ্রিল ২০২৬

অবৈধ জ্বালানি মজুতবিরোধী অভিযানে প্রায় ৪ লাখ লিটার তেল উদ্ধার

  • রিপোর্টারের নাম
  • আপডেট সময় : ০৬:০৫:১৩ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২ এপ্রিল ২০২৬
  • ৫ বার পড়া হয়েছে

সারা দেশে জ্বালানি তেলের সুষ্ঠু ব্যবস্থাপনা নিশ্চিত করতে পরিচালিত অভিযানে অবৈধভাবে মজুত করা বিপুল পরিমাণ জ্বালানি তেল উদ্ধার করেছে জ্বালানি ও খনিজসম্পদ বিভাগ। গত ৩ মার্চ থেকে ১ এপ্রিল পর্যন্ত পরিচালিত ভ্রাম্যমাণ আদালতের কার্যক্রমে মোট ৩ লাখ ৭২ হাজার ৩৮৮ লিটার জ্বালানি তেল জব্দ করা হয়েছে।

জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, উদ্ধারকৃত জ্বালানির মধ্যে ডিজেলের পরিমাণই সবচেয়ে বেশি, যা ২ লাখ ৭১ হাজার ৩৭৪ লিটার। এছাড়া ৩০ হাজার ৯৬০ লিটার অকটেন এবং ৭০ হাজার ৫৪ লিটার পেট্রল উদ্ধার করা হয়েছে।

জ্বালানি বিভাগ জানিয়েছে, অবৈধ মজুত, পাচার ও সরবরাহের মাধ্যমে কৃত্রিম সংকট সৃষ্টির অপচেষ্টা রোধে এ ধরনের অভিযান জোরদার করা হয়েছে। নিয়মিত তদারকি ও ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে আইন লঙ্ঘনকারীদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।

বিভাগটি আরও জানায়, বাজারে জ্বালানির স্বাভাবিক সরবরাহ বজায় রাখা এবং ভোক্তাদের স্বার্থ সুরক্ষায় এই কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

ইরান যুদ্ধে মার্কিনদের সমর্থন হ্রাস: ট্রাম্পের জনপ্রিয়তাও তলানিতে

অবৈধ জ্বালানি মজুতবিরোধী অভিযানে প্রায় ৪ লাখ লিটার তেল উদ্ধার

আপডেট সময় : ০৬:০৫:১৩ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২ এপ্রিল ২০২৬

সারা দেশে জ্বালানি তেলের সুষ্ঠু ব্যবস্থাপনা নিশ্চিত করতে পরিচালিত অভিযানে অবৈধভাবে মজুত করা বিপুল পরিমাণ জ্বালানি তেল উদ্ধার করেছে জ্বালানি ও খনিজসম্পদ বিভাগ। গত ৩ মার্চ থেকে ১ এপ্রিল পর্যন্ত পরিচালিত ভ্রাম্যমাণ আদালতের কার্যক্রমে মোট ৩ লাখ ৭২ হাজার ৩৮৮ লিটার জ্বালানি তেল জব্দ করা হয়েছে।

জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, উদ্ধারকৃত জ্বালানির মধ্যে ডিজেলের পরিমাণই সবচেয়ে বেশি, যা ২ লাখ ৭১ হাজার ৩৭৪ লিটার। এছাড়া ৩০ হাজার ৯৬০ লিটার অকটেন এবং ৭০ হাজার ৫৪ লিটার পেট্রল উদ্ধার করা হয়েছে।

জ্বালানি বিভাগ জানিয়েছে, অবৈধ মজুত, পাচার ও সরবরাহের মাধ্যমে কৃত্রিম সংকট সৃষ্টির অপচেষ্টা রোধে এ ধরনের অভিযান জোরদার করা হয়েছে। নিয়মিত তদারকি ও ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে আইন লঙ্ঘনকারীদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।

বিভাগটি আরও জানায়, বাজারে জ্বালানির স্বাভাবিক সরবরাহ বজায় রাখা এবং ভোক্তাদের স্বার্থ সুরক্ষায় এই কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে।