ঢাকা ০৫:১৩ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১৩ এপ্রিল ২০২৬

স্মৃতিসৌধে আটক তিন সন্তানের জননী মুক্তি পেলেন

সাভারের জাতীয় স্মৃতিসৌধে রাজনৈতিক দলের নামে শ্রদ্ধা নিবেদনের সময় আটক হওয়া তিন সন্তানের জননী তাহমিনা আক্তারকে মুক্তি দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন আদালত। বুধবার (১ এপ্রিল) ঢাকার সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আফরোজা সুলতানা সুইটি এই আদেশ দেন।

এর আগে, গত ৩১ মার্চ ঢাকা জেলার (দক্ষিণ) গোয়েন্দা পুলিশের উপপরিদর্শক আব্দুল মুক্তালিব আদালতে একটি প্রতিবেদন দাখিল করেন। প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয় যে, তাহমিনা আক্তার ঢাকাতে একটি ভাড়া বাসায় থাকেন এবং তার স্বামী প্রবাসী। স্বামীর সঙ্গে তার সম্পর্ক ভালো নয় এবং তিনি বাবা-মা ও পরিবারের সঙ্গে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন। ২৬ মার্চ, অজ্ঞাত পরিচয় কিছু ব্যক্তি তাকে ভুল বুঝিয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে প্রচারণার উদ্দেশ্যে ছবি তোলার জন্য স্মৃতিসৌধে নিয়ে যায়। সেখানে তিনি শেখ হাসিনা ও আওয়ামী লীগের পক্ষে পুষ্পস্তবক অর্পণ এবং বিভিন্ন স্লোগান দেন।

প্রাথমিকভাবে প্রতীয়মান হয় যে, তাহমিনা কোনো রাজনৈতিক দলের সঙ্গে সরাসরি জড়িত নন। তার বিরুদ্ধে কোনো সুনির্দিষ্ট অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডের প্রমাণ না পাওয়ায় ফৌজদারি কার্যবিধির ১৫১ ধারার আওতায় তাকে অব্যাহতি দেওয়ার প্রার্থনা করা হয়। শুনানির পর বিচারক তাকে মুক্তির আদেশ দেন।

উল্লেখ্য, গত ২৬ মার্চ সকাল সাড়ে ১১টার দিকে স্মৃতিসৌধের ফোয়ারার সামনে থেকে তাহমিনাকে তার তিন সন্তানসহ পুলিশ আটক করেছিল। পরদিন জামিন আবেদন নামঞ্জুর করে তাকে কারাগারে পাঠানো হয়।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

ইরান যুদ্ধে মার্কিনদের সমর্থন হ্রাস: ট্রাম্পের জনপ্রিয়তাও তলানিতে

স্মৃতিসৌধে আটক তিন সন্তানের জননী মুক্তি পেলেন

আপডেট সময় : ১১:৪০:৫২ অপরাহ্ন, বুধবার, ১ এপ্রিল ২০২৬

সাভারের জাতীয় স্মৃতিসৌধে রাজনৈতিক দলের নামে শ্রদ্ধা নিবেদনের সময় আটক হওয়া তিন সন্তানের জননী তাহমিনা আক্তারকে মুক্তি দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন আদালত। বুধবার (১ এপ্রিল) ঢাকার সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আফরোজা সুলতানা সুইটি এই আদেশ দেন।

এর আগে, গত ৩১ মার্চ ঢাকা জেলার (দক্ষিণ) গোয়েন্দা পুলিশের উপপরিদর্শক আব্দুল মুক্তালিব আদালতে একটি প্রতিবেদন দাখিল করেন। প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয় যে, তাহমিনা আক্তার ঢাকাতে একটি ভাড়া বাসায় থাকেন এবং তার স্বামী প্রবাসী। স্বামীর সঙ্গে তার সম্পর্ক ভালো নয় এবং তিনি বাবা-মা ও পরিবারের সঙ্গে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন। ২৬ মার্চ, অজ্ঞাত পরিচয় কিছু ব্যক্তি তাকে ভুল বুঝিয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে প্রচারণার উদ্দেশ্যে ছবি তোলার জন্য স্মৃতিসৌধে নিয়ে যায়। সেখানে তিনি শেখ হাসিনা ও আওয়ামী লীগের পক্ষে পুষ্পস্তবক অর্পণ এবং বিভিন্ন স্লোগান দেন।

প্রাথমিকভাবে প্রতীয়মান হয় যে, তাহমিনা কোনো রাজনৈতিক দলের সঙ্গে সরাসরি জড়িত নন। তার বিরুদ্ধে কোনো সুনির্দিষ্ট অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডের প্রমাণ না পাওয়ায় ফৌজদারি কার্যবিধির ১৫১ ধারার আওতায় তাকে অব্যাহতি দেওয়ার প্রার্থনা করা হয়। শুনানির পর বিচারক তাকে মুক্তির আদেশ দেন।

উল্লেখ্য, গত ২৬ মার্চ সকাল সাড়ে ১১টার দিকে স্মৃতিসৌধের ফোয়ারার সামনে থেকে তাহমিনাকে তার তিন সন্তানসহ পুলিশ আটক করেছিল। পরদিন জামিন আবেদন নামঞ্জুর করে তাকে কারাগারে পাঠানো হয়।