ঢাকা ০৫:১৩ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১৩ এপ্রিল ২০২৬

কৃষক কার্ড কৃষকের মর্যাদার প্রতীক হবে: কৃষিমন্ত্রী

কৃষিমন্ত্রী মোহাম্মদ আমিন উর রশিদ বলেছেন, সরকার কৃষকদের সমাজের সর্বোচ্চ মর্যাদায় অধিষ্ঠিত করতে বদ্ধপরিকর এবং ‘কৃষক কার্ড’ কৃষকদের সেই মর্যাদারই প্রতীক হবে।

বুধবার (১ এপ্রিল) সচিবালয়ে কৃষি মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে ‘কৃষক কার্ড’ বিতরণ প্রি-পাইলটিং কার্যক্রম উদ্বোধন উপলক্ষে আয়োজিত আন্তঃমন্ত্রণালয় সভায় সভাপতিত্বকালে মন্ত্রী এসব কথা বলেন। তিনি বলেন, কৃষকদের অর্থনীতি শক্তিশালী হলে দেশের সামগ্রিক অর্থনীতিও শক্তিশালী হবে, কারণ দেশের প্রায় ৭০ শতাংশ মানুষ প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে কৃষির ওপর নির্ভরশীল।

মন্ত্রী আরও উল্লেখ করেন যে, কৃষক কার্ডের মাধ্যমে সকল কৃষক একটি সুশৃঙ্খল ব্যবস্থার অধীনে আসবেন, যা কৃষি খাতকে আরও সুসংহত করবে। বর্তমানে বিভিন্ন ফসল, খাদ্যশস্য, শাকসবজি ও ফলমূলের অপচয় এবং চাহিদা ও উৎপাদনের মধ্যে অসামঞ্জস্যতা দেখা যায়। কৃষক কার্ড এই সমস্যাগুলো সমাধানে সহায়ক হবে। এর মাধ্যমে প্রত্যেক কৃষকের জমির পরিমাণ, মাটির স্বাস্থ্য, অম্লতা, ফসলের চাহিদা এবং উৎপাদনের একটি ডাটাবেজ তৈরি হবে, যা কৃষকদের উৎপাদিত পণ্যের ন্যায্যমূল্য পেতে সাহায্য করবে।

মন্ত্রী দেশের ১১টি উপজেলার ১১টি ব্লকে কৃষক কার্ডের কার্যক্রম সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন করার জন্য মাঠ প্রশাসনসহ সংশ্লিষ্ট সকলকে প্রয়োজনীয় নির্দেশনা প্রদান করেন।

সভায় মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী সুলতান সালাউদ্দিন টুকু, কৃষি মন্ত্রণালয়ের সচিব রফিকুল ই মোহামেদ এবং বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন। মাঠ প্রশাসনের বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তারাও অনলাইনে সভায় যুক্ত ছিলেন।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

ইরান যুদ্ধে মার্কিনদের সমর্থন হ্রাস: ট্রাম্পের জনপ্রিয়তাও তলানিতে

কৃষক কার্ড কৃষকের মর্যাদার প্রতীক হবে: কৃষিমন্ত্রী

আপডেট সময় : ১১:৩৯:৩৬ অপরাহ্ন, বুধবার, ১ এপ্রিল ২০২৬

কৃষিমন্ত্রী মোহাম্মদ আমিন উর রশিদ বলেছেন, সরকার কৃষকদের সমাজের সর্বোচ্চ মর্যাদায় অধিষ্ঠিত করতে বদ্ধপরিকর এবং ‘কৃষক কার্ড’ কৃষকদের সেই মর্যাদারই প্রতীক হবে।

বুধবার (১ এপ্রিল) সচিবালয়ে কৃষি মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে ‘কৃষক কার্ড’ বিতরণ প্রি-পাইলটিং কার্যক্রম উদ্বোধন উপলক্ষে আয়োজিত আন্তঃমন্ত্রণালয় সভায় সভাপতিত্বকালে মন্ত্রী এসব কথা বলেন। তিনি বলেন, কৃষকদের অর্থনীতি শক্তিশালী হলে দেশের সামগ্রিক অর্থনীতিও শক্তিশালী হবে, কারণ দেশের প্রায় ৭০ শতাংশ মানুষ প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে কৃষির ওপর নির্ভরশীল।

মন্ত্রী আরও উল্লেখ করেন যে, কৃষক কার্ডের মাধ্যমে সকল কৃষক একটি সুশৃঙ্খল ব্যবস্থার অধীনে আসবেন, যা কৃষি খাতকে আরও সুসংহত করবে। বর্তমানে বিভিন্ন ফসল, খাদ্যশস্য, শাকসবজি ও ফলমূলের অপচয় এবং চাহিদা ও উৎপাদনের মধ্যে অসামঞ্জস্যতা দেখা যায়। কৃষক কার্ড এই সমস্যাগুলো সমাধানে সহায়ক হবে। এর মাধ্যমে প্রত্যেক কৃষকের জমির পরিমাণ, মাটির স্বাস্থ্য, অম্লতা, ফসলের চাহিদা এবং উৎপাদনের একটি ডাটাবেজ তৈরি হবে, যা কৃষকদের উৎপাদিত পণ্যের ন্যায্যমূল্য পেতে সাহায্য করবে।

মন্ত্রী দেশের ১১টি উপজেলার ১১টি ব্লকে কৃষক কার্ডের কার্যক্রম সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন করার জন্য মাঠ প্রশাসনসহ সংশ্লিষ্ট সকলকে প্রয়োজনীয় নির্দেশনা প্রদান করেন।

সভায় মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী সুলতান সালাউদ্দিন টুকু, কৃষি মন্ত্রণালয়ের সচিব রফিকুল ই মোহামেদ এবং বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন। মাঠ প্রশাসনের বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তারাও অনলাইনে সভায় যুক্ত ছিলেন।