তামাক নিয়ন্ত্রণ (সংশোধন) অধ্যাদেশ-২০২৫ থেকে ই-সিগারেট এবং বিক্রয়স্থলে তামাকজাত দ্রব্য প্রদর্শন নিষিদ্ধের ধারা বাদ দেওয়ার সরকারি সিদ্ধান্তে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছে শীর্ষস্থানীয় তামাকবিরোধী সংগঠনগুলো। বুধবার গণমাধ্যমে পাঠানো এক বিবৃতিতে তারা এই উদ্বেগ জানায়।
সংগঠনগুলো তাদের বিবৃতিতে জানায়, ই-সিগারেটের মতো নতুন তামাকপণ্য জনস্বাস্থ্যের জন্য অত্যন্ত ক্ষতিকর এবং এটি তরুণদের নিকোটিন আসক্তির একটি প্রধান কারণ। একইভাবে, বিক্রয়স্থলে তামাকজাত দ্রব্যের প্রদর্শন শিশু ও কিশোর-কিশোরীদের তামাক ব্যবহারে প্রলুব্ধ করে এবং এই ক্ষতিকর পণ্যের ব্যবহারকে উৎসাহিত করে।
তামাকবিরোধী সংগঠনগুলোর মতে, এই গুরুত্বপূর্ণ ধারা দুটি অধ্যাদেশ থেকে বাদ দেওয়া হলে তামাক নিয়ন্ত্রণে দেশের অগ্রগতি ব্যাহত হবে এবং তামাক কোম্পানিগুলোর আগ্রাসী বিপণন কৌশল আরও সহজ হবে। এটি তামাক নিয়ন্ত্রণ শক্তিশালীকরণের বিষয়ে বিএনপির নির্বাচনী প্রতিশ্রুতির সঙ্গেও সাংঘর্ষিক বলে তারা উল্লেখ করেন।
সাবেক অন্তর্বর্তী সরকারের উপদেষ্টা ও বিশিষ্ট অর্থনীতিবিদ ড. হোসেন জিল্লুর রহমান ধারা দুটি অবিলম্বে অধ্যাদেশে পুনরায় যুক্ত করার জন্য সরকার ও সংসদকে আহ্বান জানিয়েছেন। তিনি বলেন, জনস্বাস্থ্য এবং তরুণদের নিকোটিন আসক্তি থেকে সুরক্ষার বিষয়টি অবশ্যই সংকীর্ণ মুনাফার ঊর্ধ্বে রাখতে হবে।
বিবৃতি প্রদানকারী তামাকবিরোধী সংগঠনগুলোর মধ্যে ছিল— অ্যান্টি টোব্যাকো মিডিয়া অ্যালায়েন্স (আত্মা), ঢাকা আহছানিয়া মিশন, ডরপ, নারী মৈত্রী, ন্যাশনাল হার্ট ফাউন্ডেশন, পিপিআরসি, তাবিনাজ এবং প্রজ্ঞা।
রিপোর্টারের নাম 





















