ঢাকা ০২:২১ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৭ এপ্রিল ২০২৬

হুইপের ভাই পরিচয়ে তদবির, প্রতারক আটক ও কারাদণ্ড

শরীয়তপুরের ডামুড্যায় জাতীয় সংসদের হুইপের নাম ব্যবহার করে তদবির করতে গিয়ে মোশারফ বেপারী (৪৫) নামে এক ব্যক্তিকে হাতেনাতে আটক করেছে ভ্রাম্যমাণ আদালত। পরে তাকে কারাদণ্ড দেওয়া হয়। মঙ্গলবার রাত ৮টার দিকে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কার্যালয়ে এই ঘটনা ঘটে। দণ্ডপ্রাপ্ত মোশারফ বেপারী শিধলকুড়া ইউনিয়নের বড় শিধলকুড়া গ্রামের মৃত হাসেম বেপারীর ছেলে।

উপজেলা প্রশাসন সূত্রে জানা যায়, মোশারফ বেপারী নিজেকে শরীয়তপুর-৩ আসনের সংসদ সদস্য ও জাতীয় সংসদের হুইপ মিয়া নুরুদ্দিন আহমেদ অপুর আপন ভাই আনোয়ার মৃধা হিসেবে পরিচয় দিয়ে উপজেলা প্রশাসনের কাছে বিভিন্ন অনৈতিক তদবির করে আসছিলেন। বিষয়টি সন্দেহজনক মনে হওয়ায় তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। একপর্যায়ে তার পরিচয়ের সত্যতা না থাকায় তাকে আটক করা হয়।

পরে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. সালাহউদ্দিন আইয়ুবী ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করেন। দণ্ডবিধি ১৮৬০ এর ১৮৬ ধারায় তাকে তিন মাসের কারাদণ্ড প্রদান করা হয়। ইউএনও মো. সালাহউদ্দিন আইয়ুবী জানান, অভিযুক্ত ব্যক্তি আগের দিন রাত ও ঘটনার দিন সকালে একাধিকবার ফোন করে হুইপের ভাই পরিচয়ে অবৈধভাবে তদবির করেন। সন্দেহ হওয়ায় তাকে প্রয়োজনীয় কাগজপত্রসহ অফিসে ডাকা হয়। পরে জিজ্ঞাসাবাদের একপর্যায়ে তিনি মিথ্যা পরিচয় ব্যবহারের কথা স্বীকার করেন। এই ঘটনায় স্থানীয় এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে এবং প্রশাসনের পক্ষ থেকে এমন প্রতারণামূলক কর্মকাণ্ডের বিরুদ্ধে সতর্ক থাকার আহ্বান জানানো হয়েছে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

যুদ্ধবিরতি শুরুর ঘণ্টাখানেকের মধ্যেই ইসরাইলি আগ্রাসন, দক্ষিণ লেবাননে তীব্র গোলাবর্ষণ

হুইপের ভাই পরিচয়ে তদবির, প্রতারক আটক ও কারাদণ্ড

আপডেট সময় : ১১:১৫:০০ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩১ মার্চ ২০২৬

শরীয়তপুরের ডামুড্যায় জাতীয় সংসদের হুইপের নাম ব্যবহার করে তদবির করতে গিয়ে মোশারফ বেপারী (৪৫) নামে এক ব্যক্তিকে হাতেনাতে আটক করেছে ভ্রাম্যমাণ আদালত। পরে তাকে কারাদণ্ড দেওয়া হয়। মঙ্গলবার রাত ৮টার দিকে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কার্যালয়ে এই ঘটনা ঘটে। দণ্ডপ্রাপ্ত মোশারফ বেপারী শিধলকুড়া ইউনিয়নের বড় শিধলকুড়া গ্রামের মৃত হাসেম বেপারীর ছেলে।

উপজেলা প্রশাসন সূত্রে জানা যায়, মোশারফ বেপারী নিজেকে শরীয়তপুর-৩ আসনের সংসদ সদস্য ও জাতীয় সংসদের হুইপ মিয়া নুরুদ্দিন আহমেদ অপুর আপন ভাই আনোয়ার মৃধা হিসেবে পরিচয় দিয়ে উপজেলা প্রশাসনের কাছে বিভিন্ন অনৈতিক তদবির করে আসছিলেন। বিষয়টি সন্দেহজনক মনে হওয়ায় তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। একপর্যায়ে তার পরিচয়ের সত্যতা না থাকায় তাকে আটক করা হয়।

পরে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. সালাহউদ্দিন আইয়ুবী ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করেন। দণ্ডবিধি ১৮৬০ এর ১৮৬ ধারায় তাকে তিন মাসের কারাদণ্ড প্রদান করা হয়। ইউএনও মো. সালাহউদ্দিন আইয়ুবী জানান, অভিযুক্ত ব্যক্তি আগের দিন রাত ও ঘটনার দিন সকালে একাধিকবার ফোন করে হুইপের ভাই পরিচয়ে অবৈধভাবে তদবির করেন। সন্দেহ হওয়ায় তাকে প্রয়োজনীয় কাগজপত্রসহ অফিসে ডাকা হয়। পরে জিজ্ঞাসাবাদের একপর্যায়ে তিনি মিথ্যা পরিচয় ব্যবহারের কথা স্বীকার করেন। এই ঘটনায় স্থানীয় এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে এবং প্রশাসনের পক্ষ থেকে এমন প্রতারণামূলক কর্মকাণ্ডের বিরুদ্ধে সতর্ক থাকার আহ্বান জানানো হয়েছে।