ঢাকা ০৬:৪১ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৪ এপ্রিল ২০২৬

এফআর টাওয়ার ট্র্যাজেডি: বিচার প্রক্রিয়া থমকে দিতে উচ্চ আদালতে আসামিরা

রাজধানীর বনানীর এফআর টাওয়ারে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের সাত বছর পূর্ণ হলো আজ। ওই মর্মান্তিক ঘটনায় ২৬ জনের প্রাণহানি এবং ৭১ জন আহত হওয়ার ঘটনায় দায়ের করা মামলার বিচার শুরু হলেও এখন তা থমকে যাওয়ার উপক্রম হয়েছে। বিচার প্রক্রিয়া বিলম্বিত করতে আসামিপক্ষ উচ্চ আদালতের দ্বারস্থ হওয়ায় ক্ষোভ বাড়ছে সংশ্লিষ্ট মহলে।

তদন্ত শেষে মামলার প্রায় পৌনে চার বছর পর আটজনের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র দাখিল করেছিল ডিবি পুলিশ। বর্তমানে সাত আসামির বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠনের মাধ্যমে বিচার শুরু হলেও উচ্চ আদালতের স্থগিতাদেশের কারণে কার্যক্রম ধীর হয়ে পড়েছে। অভিযুক্তদের মধ্যে ভবনটির জমির মালিক ও পরিচালনা কমিটির শীর্ষ ব্যক্তিরা রয়েছেন। এরই মধ্যে এক আসামির আবেদনের প্রেক্ষিতে মামলার কার্যক্রম স্থগিত করেছেন আদালত।

২০১৯ সালের সেই ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের পর দীর্ঘ সময় পার হলেও ভুক্তভোগী পরিবারগুলো এখনো ন্যায়বিচারের অপেক্ষায় প্রহর গুনছে। আইনজীবীরা জানিয়েছেন, আসামিরা একের পর এক উচ্চ আদালতে রিট ও স্থগিতাদেশের আবেদন করে বিচার প্রক্রিয়াকে দীর্ঘায়িত করার চেষ্টা করছেন। আগামী ৫ এপ্রিল মামলার পরবর্তী সাক্ষ্য গ্রহণের দিন ধার্য থাকলেও বিচার কতটুকু এগোবে তা নিয়ে সংশয় রয়ে গেছে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

ভূমধ্যসাগরে মৃত্যুঝুঁকি ও লিবিয়ার ‘গেম ঘরে’ বন্দি বাংলাদেশিরা

এফআর টাওয়ার ট্র্যাজেডি: বিচার প্রক্রিয়া থমকে দিতে উচ্চ আদালতে আসামিরা

আপডেট সময় : ০৩:১১:১৮ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৯ মার্চ ২০২৬

রাজধানীর বনানীর এফআর টাওয়ারে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের সাত বছর পূর্ণ হলো আজ। ওই মর্মান্তিক ঘটনায় ২৬ জনের প্রাণহানি এবং ৭১ জন আহত হওয়ার ঘটনায় দায়ের করা মামলার বিচার শুরু হলেও এখন তা থমকে যাওয়ার উপক্রম হয়েছে। বিচার প্রক্রিয়া বিলম্বিত করতে আসামিপক্ষ উচ্চ আদালতের দ্বারস্থ হওয়ায় ক্ষোভ বাড়ছে সংশ্লিষ্ট মহলে।

তদন্ত শেষে মামলার প্রায় পৌনে চার বছর পর আটজনের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র দাখিল করেছিল ডিবি পুলিশ। বর্তমানে সাত আসামির বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠনের মাধ্যমে বিচার শুরু হলেও উচ্চ আদালতের স্থগিতাদেশের কারণে কার্যক্রম ধীর হয়ে পড়েছে। অভিযুক্তদের মধ্যে ভবনটির জমির মালিক ও পরিচালনা কমিটির শীর্ষ ব্যক্তিরা রয়েছেন। এরই মধ্যে এক আসামির আবেদনের প্রেক্ষিতে মামলার কার্যক্রম স্থগিত করেছেন আদালত।

২০১৯ সালের সেই ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের পর দীর্ঘ সময় পার হলেও ভুক্তভোগী পরিবারগুলো এখনো ন্যায়বিচারের অপেক্ষায় প্রহর গুনছে। আইনজীবীরা জানিয়েছেন, আসামিরা একের পর এক উচ্চ আদালতে রিট ও স্থগিতাদেশের আবেদন করে বিচার প্রক্রিয়াকে দীর্ঘায়িত করার চেষ্টা করছেন। আগামী ৫ এপ্রিল মামলার পরবর্তী সাক্ষ্য গ্রহণের দিন ধার্য থাকলেও বিচার কতটুকু এগোবে তা নিয়ে সংশয় রয়ে গেছে।