ঢাকা ১০:৫২ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১৩ এপ্রিল ২০২৬

তথ্য বিনিময়ে বাংলাদেশ-তুরস্ক সমঝোতা স্মারক সইয়ের সিদ্ধান্ত

বাংলাদেশ ও তুরস্কের মধ্যে আধুনিক তথ্য ব্যবস্থাপনা এবং কৌশলগত জ্ঞান বিনিময়ের লক্ষ্যে একটি গুরুত্বপূর্ণ সমঝোতা স্মারক (এমওইউ) সই করার নীতিগত সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়েছে। তুরস্কের ইস্তাম্বুলে চলমান আন্তর্জাতিক স্ট্র্যাটেজিক কমিউনিকেশন সামিট (স্ট্র্যাটকম)-এর দ্বিতীয় দিনে শনিবার (২৮ মার্চ) বাংলাদেশের তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন এবং তুরস্কের প্রেসিডেন্সিয়াল কমিউনিকেশন ডিরেক্টরেটের পরিচালক প্রফেসর বুরহানউত্তীন দুরানের মধ্যে অনুষ্ঠিত এক দ্বিপাক্ষিক বৈঠকে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। বৈঠকে তুরস্কে নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত এম আমানুল হকও উপস্থিত ছিলেন। তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয় থেকে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে যে, এই চুক্তির আওতায় ভবিষ্যতে বাংলাদেশ টেলিভিশন (বিটিভি), বাংলাদেশ বেতার এবং বাংলাদেশ সংবাদ সংস্থা (বাসস) তুরস্কের সমমানের প্রতিষ্ঠানগুলোর সঙ্গে কারিগরি ও পেশাদারিত্বের মানোন্নয়নে একযোগে কাজ করবে।

দ্বিপাক্ষিক এই বৈঠকের আগে তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন তুরস্কের পররাষ্ট্রমন্ত্রী হাকান ফিদানের সঙ্গে এক সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন। বৈঠকে দুই ভ্রাতৃত্বপ্রতিম দেশের পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয় এবং বিদ্যমান বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ককে আরও সুদৃঢ় করার ওপর বিশেষ গুরুত্বারোপ করা হয়। এরপর তথ্যমন্ত্রী তুরস্কের রাষ্ট্রীয় সংবাদ সংস্থা ‘আনাদোলু নিউজ এজেন্সি’-র শীর্ষ কর্মকর্তাদের সঙ্গেও একটি ফলপ্রসূ বৈঠক করেন। সেখানে দুই দেশের প্রধান সংবাদ সংস্থাগুলোর মধ্যে সংবাদ আদান-প্রদান এবং প্রাতিষ্ঠানিক সহযোগিতার বিষয়ে একটি সমঝোতা চুক্তির রূপরেখা নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়।

উল্লেখ্য, তুরস্ক সরকারের বিশেষ আমন্ত্রণে দুই দিনব্যাপী এই আন্তর্জাতিক সম্মেলনে অংশগ্রহণ করতে তথ্যমন্ত্রী বর্তমানে ইস্তাম্বুলে অবস্থান করছেন। আধুনিক তথ্য আদান-প্রদান ও প্রযুক্তিগত উৎকর্ষ সাধনে দুই দেশের এই নতুন অংশীদারিত্বের প্রক্রিয়া ত্বরান্বিত করতে তিনি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছেন। সফর শেষে আগামী ৩০ মার্চ তথ্যমন্ত্রীর দেশে ফেরার কথা রয়েছে। এই সমঝোতা স্মারকটি বাস্তবায়িত হলে বাংলাদেশের গণমাধ্যম ও তথ্য ব্যবস্থাপনা খাতে এক নতুন দিগন্তের উন্মোচন হবে বলে আশা করা হচ্ছে।

ট্যাগস :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

আপলোডকারীর তথ্য

Mahbub

জনপ্রিয় সংবাদ

স্পিকারের ‘শাহবাগ স্কয়ার’ মন্তব্য: সংসদে বৈষম্যের অভিযোগ হাসনাত আবদুল্লাহর

তথ্য বিনিময়ে বাংলাদেশ-তুরস্ক সমঝোতা স্মারক সইয়ের সিদ্ধান্ত

আপডেট সময় : ০৮:৩৯:৫৮ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২৯ মার্চ ২০২৬

বাংলাদেশ ও তুরস্কের মধ্যে আধুনিক তথ্য ব্যবস্থাপনা এবং কৌশলগত জ্ঞান বিনিময়ের লক্ষ্যে একটি গুরুত্বপূর্ণ সমঝোতা স্মারক (এমওইউ) সই করার নীতিগত সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়েছে। তুরস্কের ইস্তাম্বুলে চলমান আন্তর্জাতিক স্ট্র্যাটেজিক কমিউনিকেশন সামিট (স্ট্র্যাটকম)-এর দ্বিতীয় দিনে শনিবার (২৮ মার্চ) বাংলাদেশের তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন এবং তুরস্কের প্রেসিডেন্সিয়াল কমিউনিকেশন ডিরেক্টরেটের পরিচালক প্রফেসর বুরহানউত্তীন দুরানের মধ্যে অনুষ্ঠিত এক দ্বিপাক্ষিক বৈঠকে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। বৈঠকে তুরস্কে নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত এম আমানুল হকও উপস্থিত ছিলেন। তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয় থেকে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে যে, এই চুক্তির আওতায় ভবিষ্যতে বাংলাদেশ টেলিভিশন (বিটিভি), বাংলাদেশ বেতার এবং বাংলাদেশ সংবাদ সংস্থা (বাসস) তুরস্কের সমমানের প্রতিষ্ঠানগুলোর সঙ্গে কারিগরি ও পেশাদারিত্বের মানোন্নয়নে একযোগে কাজ করবে।

দ্বিপাক্ষিক এই বৈঠকের আগে তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন তুরস্কের পররাষ্ট্রমন্ত্রী হাকান ফিদানের সঙ্গে এক সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন। বৈঠকে দুই ভ্রাতৃত্বপ্রতিম দেশের পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয় এবং বিদ্যমান বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ককে আরও সুদৃঢ় করার ওপর বিশেষ গুরুত্বারোপ করা হয়। এরপর তথ্যমন্ত্রী তুরস্কের রাষ্ট্রীয় সংবাদ সংস্থা ‘আনাদোলু নিউজ এজেন্সি’-র শীর্ষ কর্মকর্তাদের সঙ্গেও একটি ফলপ্রসূ বৈঠক করেন। সেখানে দুই দেশের প্রধান সংবাদ সংস্থাগুলোর মধ্যে সংবাদ আদান-প্রদান এবং প্রাতিষ্ঠানিক সহযোগিতার বিষয়ে একটি সমঝোতা চুক্তির রূপরেখা নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়।

উল্লেখ্য, তুরস্ক সরকারের বিশেষ আমন্ত্রণে দুই দিনব্যাপী এই আন্তর্জাতিক সম্মেলনে অংশগ্রহণ করতে তথ্যমন্ত্রী বর্তমানে ইস্তাম্বুলে অবস্থান করছেন। আধুনিক তথ্য আদান-প্রদান ও প্রযুক্তিগত উৎকর্ষ সাধনে দুই দেশের এই নতুন অংশীদারিত্বের প্রক্রিয়া ত্বরান্বিত করতে তিনি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছেন। সফর শেষে আগামী ৩০ মার্চ তথ্যমন্ত্রীর দেশে ফেরার কথা রয়েছে। এই সমঝোতা স্মারকটি বাস্তবায়িত হলে বাংলাদেশের গণমাধ্যম ও তথ্য ব্যবস্থাপনা খাতে এক নতুন দিগন্তের উন্মোচন হবে বলে আশা করা হচ্ছে।