ঢাকা ১১:৩৮ অপরাহ্ন, সোমবার, ২০ এপ্রিল ২০২৬

ইরানে অত্যাধুনিক শাহেদ ড্রোন পাঠাচ্ছে রাশিয়া: মধ্যপ্রাচ্যে নতুন চ্যালেঞ্জের শঙ্কা

মার্কিন ও ইউরোপীয় কর্মকর্তাদের দাবি অনুযায়ী, রাশিয়া ইরানের কাছে শাহেদ ড্রোনের আরও উন্নত সংস্করণ পাঠাচ্ছে, যা মধ্যপ্রাচ্যে সামরিক ভারসাম্যে নতুন মাত্রা যোগ করতে পারে। ইউক্রেন যুদ্ধে রাশিয়া মূলত ইরানের তৈরি অত্যাধুনিক শাহেদ ড্রোন ব্যবহার করে এলেও, এবার সেগুলোতে উল্লেখযোগ্য প্রযুক্তিগত উন্নতি আনা হয়েছে।

প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী, নতুন এই ড্রোনগুলোতে জেট ইঞ্জিন, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) ভিত্তিক নেভিগেশন ব্যবস্থা, উন্নত জ্যামার প্রতিরোধ ক্ষমতা এবং স্টারলিংক ইন্টারনেট ডিভাইস যুক্ত করা হয়েছে। এই অত্যাধুনিক সংস্করণগুলো বর্তমানে তেহরানে পাঠানো হচ্ছে বলে কর্মকর্তারা জানিয়েছেন। ইউরোপীয় কর্মকর্তাদের ধারণা, আজারবাইজান হয়ে মানবিক সহায়তার আড়ালে ট্রাকের মাধ্যমে এই ড্রোনগুলো পরিবহন করা হচ্ছে। তবে চালানের আকার বা এটি এককালীন নাকি ধারাবাহিক সরবরাহের অংশ, সে বিষয়ে এখনো স্পষ্ট তথ্য মেলেনি।

তবে ক্রেমলিনের মুখপাত্র দিমিত্রি পেসকভ এই অভিযোগকে ‘ভিত্তিহীন’ বলে উড়িয়ে দিয়েছেন। অন্যদিকে, হোয়াইট হাউসের মুখপাত্র অলিভিয়া ওয়েলস বলেছেন, ইরান অন্য কোনো দেশ থেকে যা-ই গ্রহণ করুক না কেন, যুক্তরাষ্ট্র পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করছে এবং যেকোনো চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় প্রস্তুত।

যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের হামলার পর গত এক মাসেরও বেশি সময় ধরে মধ্যপ্রাচ্যে ইরান ড্রোন হামলা চালিয়ে আসছে। এমন পরিস্থিতিতে রাশিয়ার কাছ থেকে এই উন্নত ড্রোন ইরানের হাতে পৌঁছালে তা মধ্যপ্রাচ্যে মার্কিন ও তাদের মিত্র দেশগুলোর বিমান প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার জন্য বড় ধরনের চ্যালেঞ্জ হয়ে উঠতে পারে বলে বিশ্লেষকরা মনে করছেন।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

বাস ও লঞ্চে একচেটিয়া ভাড়া বৃদ্ধির পাঁয়তারা বন্ধের দাবি যাত্রী কল্যাণ সমিতির

ইরানে অত্যাধুনিক শাহেদ ড্রোন পাঠাচ্ছে রাশিয়া: মধ্যপ্রাচ্যে নতুন চ্যালেঞ্জের শঙ্কা

আপডেট সময় : ০৬:৩৯:১৭ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৮ মার্চ ২০২৬

মার্কিন ও ইউরোপীয় কর্মকর্তাদের দাবি অনুযায়ী, রাশিয়া ইরানের কাছে শাহেদ ড্রোনের আরও উন্নত সংস্করণ পাঠাচ্ছে, যা মধ্যপ্রাচ্যে সামরিক ভারসাম্যে নতুন মাত্রা যোগ করতে পারে। ইউক্রেন যুদ্ধে রাশিয়া মূলত ইরানের তৈরি অত্যাধুনিক শাহেদ ড্রোন ব্যবহার করে এলেও, এবার সেগুলোতে উল্লেখযোগ্য প্রযুক্তিগত উন্নতি আনা হয়েছে।

প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী, নতুন এই ড্রোনগুলোতে জেট ইঞ্জিন, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) ভিত্তিক নেভিগেশন ব্যবস্থা, উন্নত জ্যামার প্রতিরোধ ক্ষমতা এবং স্টারলিংক ইন্টারনেট ডিভাইস যুক্ত করা হয়েছে। এই অত্যাধুনিক সংস্করণগুলো বর্তমানে তেহরানে পাঠানো হচ্ছে বলে কর্মকর্তারা জানিয়েছেন। ইউরোপীয় কর্মকর্তাদের ধারণা, আজারবাইজান হয়ে মানবিক সহায়তার আড়ালে ট্রাকের মাধ্যমে এই ড্রোনগুলো পরিবহন করা হচ্ছে। তবে চালানের আকার বা এটি এককালীন নাকি ধারাবাহিক সরবরাহের অংশ, সে বিষয়ে এখনো স্পষ্ট তথ্য মেলেনি।

তবে ক্রেমলিনের মুখপাত্র দিমিত্রি পেসকভ এই অভিযোগকে ‘ভিত্তিহীন’ বলে উড়িয়ে দিয়েছেন। অন্যদিকে, হোয়াইট হাউসের মুখপাত্র অলিভিয়া ওয়েলস বলেছেন, ইরান অন্য কোনো দেশ থেকে যা-ই গ্রহণ করুক না কেন, যুক্তরাষ্ট্র পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করছে এবং যেকোনো চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় প্রস্তুত।

যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের হামলার পর গত এক মাসেরও বেশি সময় ধরে মধ্যপ্রাচ্যে ইরান ড্রোন হামলা চালিয়ে আসছে। এমন পরিস্থিতিতে রাশিয়ার কাছ থেকে এই উন্নত ড্রোন ইরানের হাতে পৌঁছালে তা মধ্যপ্রাচ্যে মার্কিন ও তাদের মিত্র দেশগুলোর বিমান প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার জন্য বড় ধরনের চ্যালেঞ্জ হয়ে উঠতে পারে বলে বিশ্লেষকরা মনে করছেন।