ঢাকা ০৯:২২ অপরাহ্ন, সোমবার, ২০ এপ্রিল ২০২৬

অক্সফোর্ডসহ ব্রিটিশ ১২ বিশ্ববিদ্যালয়ে ফিলিস্তিনপন্থিদের ওপর গোপন নজরদারি

যুক্তরাজ্যের অক্সফোর্ডসহ অন্তত ১২টি শীর্ষস্থানীয় বিশ্ববিদ্যালয়ে ফিলিস্তিনের পক্ষে সংহতি জানানো শিক্ষার্থী ও শিক্ষকদের ওপর গোপন নজরদারির অভিযোগ উঠেছে। একটি আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম ও ‘লিবার্টি ইনভেস্টিগেটস’-এর যৌথ অনুসন্ধানে জানা গেছে, বিশ্ববিদ্যালয়গুলো নজরদারির জন্য সামরিক গোয়েন্দাদের দ্বারা পরিচালিত একটি বেসরকারি সংস্থাকে নিয়োগ করেছে।

‘হোরাস সিকিউরিটি কনসালটেন্সি লিমিটেড’ নামের ওই প্রতিষ্ঠানটি ২০২২ সাল থেকে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ব্যবহার করে শিক্ষার্থীদের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ও গতিবিধির ওপর নজর রাখছে। তদন্তে দেখা গেছে, ফিলিস্তিনি বংশোদ্ভূত শিক্ষক এবং গবেষণারত শিক্ষার্থীদের ওপর ‘সন্ত্রাসবিরোধী হুমকি’ মূল্যায়নের নামে এই গোপন নজরদারি চালানো হয়েছে। এই কাজের জন্য বিশ্ববিদ্যালয়গুলো থেকে প্রায় ৬ কোটি টাকা নিয়েছে ওই সংস্থাটি।

জাতিসংঘের বিশেষ দূত ও মানবাধিকার কর্মীরা এই ঘটনাকে ব্যক্তিগত গোপনীয়তার চরম লঙ্ঘন এবং গভীর উদ্বেগের বিষয় বলে অভিহিত করেছেন। শিক্ষক সংগঠনগুলো এই নজরদারিকে ‘লজ্জাজনক’ বলে বর্ণনা করেছে। এই ঘটনা প্রকাশিত হওয়ার পর ব্রিটিশ বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে শিক্ষার্থীদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ ও আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

হজের মাসে ওমরাহ পালনের বিধান ও বিশেষ গুরুত্ব

অক্সফোর্ডসহ ব্রিটিশ ১২ বিশ্ববিদ্যালয়ে ফিলিস্তিনপন্থিদের ওপর গোপন নজরদারি

আপডেট সময় : ০৭:৪৯:১৯ অপরাহ্ন, সোমবার, ২০ এপ্রিল ২০২৬

যুক্তরাজ্যের অক্সফোর্ডসহ অন্তত ১২টি শীর্ষস্থানীয় বিশ্ববিদ্যালয়ে ফিলিস্তিনের পক্ষে সংহতি জানানো শিক্ষার্থী ও শিক্ষকদের ওপর গোপন নজরদারির অভিযোগ উঠেছে। একটি আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম ও ‘লিবার্টি ইনভেস্টিগেটস’-এর যৌথ অনুসন্ধানে জানা গেছে, বিশ্ববিদ্যালয়গুলো নজরদারির জন্য সামরিক গোয়েন্দাদের দ্বারা পরিচালিত একটি বেসরকারি সংস্থাকে নিয়োগ করেছে।

‘হোরাস সিকিউরিটি কনসালটেন্সি লিমিটেড’ নামের ওই প্রতিষ্ঠানটি ২০২২ সাল থেকে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ব্যবহার করে শিক্ষার্থীদের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ও গতিবিধির ওপর নজর রাখছে। তদন্তে দেখা গেছে, ফিলিস্তিনি বংশোদ্ভূত শিক্ষক এবং গবেষণারত শিক্ষার্থীদের ওপর ‘সন্ত্রাসবিরোধী হুমকি’ মূল্যায়নের নামে এই গোপন নজরদারি চালানো হয়েছে। এই কাজের জন্য বিশ্ববিদ্যালয়গুলো থেকে প্রায় ৬ কোটি টাকা নিয়েছে ওই সংস্থাটি।

জাতিসংঘের বিশেষ দূত ও মানবাধিকার কর্মীরা এই ঘটনাকে ব্যক্তিগত গোপনীয়তার চরম লঙ্ঘন এবং গভীর উদ্বেগের বিষয় বলে অভিহিত করেছেন। শিক্ষক সংগঠনগুলো এই নজরদারিকে ‘লজ্জাজনক’ বলে বর্ণনা করেছে। এই ঘটনা প্রকাশিত হওয়ার পর ব্রিটিশ বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে শিক্ষার্থীদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ ও আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে।