ঢাকা ০১:৩১ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ এপ্রিল ২০২৬

মধ্যপ্রাচ্যে শান্তি প্রতিষ্ঠায় পাকিস্তান সফরে যেতে পারেন জেডি ভ্যান্স

  • রিপোর্টারের নাম
  • আপডেট সময় : ০৩:৫৪:১৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৬ মার্চ ২০২৬
  • ৪ বার পড়া হয়েছে

মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধবিরতি প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রস্তাব নিয়ে আলোচনার জন্য যুক্তরাষ্ট্রের ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স এই সপ্তাহের শেষের দিকে পাকিস্তান সফর করতে পারেন। মার্কিন সংবাদমাধ্যম সিএনএন-এর এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ইরানের প্রতিনিধিরা ট্রাম্প প্রশাসনকে জানিয়েছে যে তারা ট্রাম্পের দূত স্টিভ উইটকফ এবং জামাতা জারেড কুশনারের সঙ্গে পুনরায় আলোচনায় বসতে আগ্রহী নয়। এর পরেই পাকিস্তান জেডি ভ্যান্সের নাম প্রস্তাব করে, যা তার সম্ভাব্য পাকিস্তান সফরের গুঞ্জনকে জোরদার করেছে। হোয়াইট হাউসের প্রেস সেক্রেটারি ক্যারোলিন লেভিট জানিয়েছেন, ভাইস প্রেসিডেন্ট সবসময় প্রেসিডেন্টের গুরুত্বপূর্ণ সহযোগী এবং জাতীয় নিরাপত্তা দলের একজন অবিচ্ছেদ্য অংশ। তিনি আরও বলেন, প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প দেশি-বিদেশি সকল বিষয়েই জেডি ভ্যান্সের পরামর্শ গ্রহণ করেন।

ক্যারোলিন লেভিট ইরানের কোন কর্মকর্তার সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্র আলোচনা করছে সে বিষয়ে বিস্তারিত জানাতে অস্বীকার করলেও, সিএনএন তাদের সূত্রের বরাত দিয়ে জানিয়েছে যে ট্রাম্প প্রশাসন এই সপ্তাহান্তে পাকিস্তানে ভ্যান্সসহ অন্যান্য কর্মকর্তাদের সঙ্গে যুদ্ধ এবং শান্তি নিয়ে আলোচনার আয়োজন করতে কাজ করছে। তবে, সফরের সময়, স্থান এবং অংশগ্রহণকারীদের তালিকা পরিবর্তনের সম্ভাবনা রয়েছে।

জেডি ভ্যান্সের পাকিস্তান সফর সংক্রান্ত খবর এমন এক সময়ে এসেছে যখন গণমাধ্যমে প্রকাশিত প্রতিবেদনে বলা হয়েছে যে, যদি ইসলামাবাদে আলোচনা সফল হয়, তবে জেডি ভ্যান্সকে সম্ভবত মার্কিন পক্ষের প্রধান আলোচক হিসেবে প্রস্তাব করা হতে পারে। ইরানি আলোচকরা স্টিভ উইটকফ বা জারেড কুশনারের সঙ্গে বসতে রাজি না হওয়ায় এই নতুন প্রস্তাব সামনে এসেছে। উল্লেখ্য, কুশনার যুদ্ধের আগে ইরানের সঙ্গে পারমাণবিক আলোচনায় নেতৃত্ব দিয়েছিলেন।

পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শেহবাজ শরীফ জানিয়েছেন, তার দেশ মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধ বন্ধে সহায়ক ‘গুরুত্বপূর্ণ এবং কার্যকর আলোচনা’ আয়োজনের জন্য প্রস্তুত। ইসলামাবাদকে মার্কিন ও ইরান আলোচনার সম্ভাব্য স্থান হিসেবে প্রস্তাব করার জন্য দেশটি চেষ্টা করছে। দ্য গার্ডিয়ানের রিপোর্ট অনুযায়ী, পাকিস্তানি কর্মকর্তারা জানিয়েছেন যে, যুদ্ধ প্রায় এক মাস ধরে চললেও, মার্কিন ও ইরান প্রতিনিধিরা এই সপ্তাহেই ইসলামাবাদে যুদ্ধ অবসানের জন্য আলোচনায় বসতে পারেন।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

জ্বালানির ‘জ্বালা’: সংকট ও লুণ্ঠনমূলক কাঠামোর প্রভাব

মধ্যপ্রাচ্যে শান্তি প্রতিষ্ঠায় পাকিস্তান সফরে যেতে পারেন জেডি ভ্যান্স

আপডেট সময় : ০৩:৫৪:১৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৬ মার্চ ২০২৬

মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধবিরতি প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রস্তাব নিয়ে আলোচনার জন্য যুক্তরাষ্ট্রের ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স এই সপ্তাহের শেষের দিকে পাকিস্তান সফর করতে পারেন। মার্কিন সংবাদমাধ্যম সিএনএন-এর এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ইরানের প্রতিনিধিরা ট্রাম্প প্রশাসনকে জানিয়েছে যে তারা ট্রাম্পের দূত স্টিভ উইটকফ এবং জামাতা জারেড কুশনারের সঙ্গে পুনরায় আলোচনায় বসতে আগ্রহী নয়। এর পরেই পাকিস্তান জেডি ভ্যান্সের নাম প্রস্তাব করে, যা তার সম্ভাব্য পাকিস্তান সফরের গুঞ্জনকে জোরদার করেছে। হোয়াইট হাউসের প্রেস সেক্রেটারি ক্যারোলিন লেভিট জানিয়েছেন, ভাইস প্রেসিডেন্ট সবসময় প্রেসিডেন্টের গুরুত্বপূর্ণ সহযোগী এবং জাতীয় নিরাপত্তা দলের একজন অবিচ্ছেদ্য অংশ। তিনি আরও বলেন, প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প দেশি-বিদেশি সকল বিষয়েই জেডি ভ্যান্সের পরামর্শ গ্রহণ করেন।

ক্যারোলিন লেভিট ইরানের কোন কর্মকর্তার সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্র আলোচনা করছে সে বিষয়ে বিস্তারিত জানাতে অস্বীকার করলেও, সিএনএন তাদের সূত্রের বরাত দিয়ে জানিয়েছে যে ট্রাম্প প্রশাসন এই সপ্তাহান্তে পাকিস্তানে ভ্যান্সসহ অন্যান্য কর্মকর্তাদের সঙ্গে যুদ্ধ এবং শান্তি নিয়ে আলোচনার আয়োজন করতে কাজ করছে। তবে, সফরের সময়, স্থান এবং অংশগ্রহণকারীদের তালিকা পরিবর্তনের সম্ভাবনা রয়েছে।

জেডি ভ্যান্সের পাকিস্তান সফর সংক্রান্ত খবর এমন এক সময়ে এসেছে যখন গণমাধ্যমে প্রকাশিত প্রতিবেদনে বলা হয়েছে যে, যদি ইসলামাবাদে আলোচনা সফল হয়, তবে জেডি ভ্যান্সকে সম্ভবত মার্কিন পক্ষের প্রধান আলোচক হিসেবে প্রস্তাব করা হতে পারে। ইরানি আলোচকরা স্টিভ উইটকফ বা জারেড কুশনারের সঙ্গে বসতে রাজি না হওয়ায় এই নতুন প্রস্তাব সামনে এসেছে। উল্লেখ্য, কুশনার যুদ্ধের আগে ইরানের সঙ্গে পারমাণবিক আলোচনায় নেতৃত্ব দিয়েছিলেন।

পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শেহবাজ শরীফ জানিয়েছেন, তার দেশ মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধ বন্ধে সহায়ক ‘গুরুত্বপূর্ণ এবং কার্যকর আলোচনা’ আয়োজনের জন্য প্রস্তুত। ইসলামাবাদকে মার্কিন ও ইরান আলোচনার সম্ভাব্য স্থান হিসেবে প্রস্তাব করার জন্য দেশটি চেষ্টা করছে। দ্য গার্ডিয়ানের রিপোর্ট অনুযায়ী, পাকিস্তানি কর্মকর্তারা জানিয়েছেন যে, যুদ্ধ প্রায় এক মাস ধরে চললেও, মার্কিন ও ইরান প্রতিনিধিরা এই সপ্তাহেই ইসলামাবাদে যুদ্ধ অবসানের জন্য আলোচনায় বসতে পারেন।