সারা দেশে একযোগে শুরু হওয়া ২০২৬ সালের এসএসসি ও সমমান পরীক্ষার কেন্দ্র পরিদর্শনে শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন এক অভিনব রহস্যের সৃষ্টি করেছেন। সাধারণত পাবলিক পরীক্ষার সময় শিক্ষামন্ত্রী কোন কেন্দ্র পরিদর্শনে যাবেন, তা আগেভাগেই গণমাধ্যমকে জানানো হয়। কিন্তু এবার ঢাকার ভেতরে নাকি বাইরে, কোথায় মন্ত্রী উপস্থিত হবেন—সে বিষয়ে কঠোর গোপনীয়তা বজায় রেখেছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়। সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের মতে, মন্ত্রী কোথায় যাবেন তা তিনি নিজেই জানেন এবং তা আগে থেকে প্রকাশ করতে নারাজ।
ড. এহছানুল হক মিলন ২০০১-২০০৬ মেয়াদে শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী থাকাকালে সারা দেশে নকলমুক্ত পরীক্ষা নিশ্চিত করতে হেলিকপ্টার নিয়ে অতর্কিত বিভিন্ন কেন্দ্রে হাজির হতেন। সেই সময় নকল প্রতিরোধে তাঁর এই কঠোর ভূমিকার কারণে তিনি ব্যাপক আলোচিত হন। এবার পূর্ণ মন্ত্রী হিসেবে দ্বিতীয় মেয়াদে দায়িত্ব পাওয়ার পর নেটিজেনরা তাঁকে ‘হেলিকপ্টার মিলন’ উপাধিতে ভূষিত করেছেন। সম্প্রতি সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি আবারও হেলিকপ্টারে চড়ে দেশের বিভিন্ন প্রান্তে আকস্মিক পরিদর্শনে যাওয়ার ইঙ্গিত দিয়েছিলেন। মন্ত্রীর পরিদর্শনের স্থানের নাম গোপন রাখায় শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের মধ্যে এক ধরনের ‘আকস্মিক চমকের’ অপেক্ষা তৈরি হয়েছে।
আজ মঙ্গলবার (২১ এপ্রিল) সকাল ১০টা থেকে ৩ হাজার ৮৮৫টি কেন্দ্রে একযোগে এই পরীক্ষা শুরু হয়েছে। এতে দেশের ৩০ হাজার ৬৬৬টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের সাড়ে ১৮ লাখেরও বেশি পরীক্ষার্থী অংশ নিয়েছে। প্রথম দিনে ৯টি সাধারণ বোর্ডের অধীনে বাংলা প্রথম পত্র, মাদ্রাসা বোর্ডের অধীনে কোরআন মাজিদ ও তাজভিদ এবং কারিগরি বোর্ডের অধীনে বাংলা-২ পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হচ্ছে। বেলা ১টা পর্যন্ত এই পরীক্ষা চলবে। কেন্দ্র পরিদর্শনে শিক্ষামন্ত্রীর এই ‘গোপনীয়তা’ পরীক্ষার হলে শৃঙ্খলা বজায় রাখা এবং কোনো প্রকার অনিয়ম রোধে কার্যকরী ভূমিকা রাখবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।
রিপোর্টারের নাম 





















