মুক্তিযোদ্ধা, সাংবাদিক ও লেখক হারুন হাবীব তার এক নিবন্ধে রণাঙ্গনের মেজর জিয়াউর রহমানকে তুলে ধরেছেন এক অনন্য দৃষ্টিকোণ থেকে। তিনি উল্লেখ করেন, ১৯৭১ সালের স্বাধীনতা-সংগ্রামী জিয়াউর রহমান জাতীয় মুক্তি-সংগ্রামের এক স্মরণীয় ঐতিহ্য ধারণকারী ‘বীরউত্তম’, যার অবদান স্বাধীনচেতা বাঙালি জাতির কাছে চিরজাগ্রত থাকবে। হারুন হাবীবের মতে, মুক্তিযুদ্ধের মেজর জিয়া তার অন্য সব পরিচিতির চেয়ে অমর হয়ে থাকবেন।
মুক্তিযুদ্ধকালে প্রবাসী সরকারের মুখপত্র ‘জয় বাংলা’ এবং ‘স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্র’-এর সংবাদদাতা হিসেবে কাজ করা হারুন হাবীব বর্তমানে আওয়ামী লীগ ঘরানার বুদ্ধিজীবী ও লেখক হিসেবে সুপরিচিত। শেখ হাসিনা সরকারের প্রথম মেয়াদে তিনি রাষ্ট্রীয় সংবাদ সংস্থা বাসসের প্রধান সম্পাদক ও ব্যবস্থাপনা পরিচালক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। বাংলা একাডেমি পুরস্কারপ্রাপ্ত এবং জার্নালিজম অ্যান্ড পিস ফাউন্ডেশনের নির্বাহী পরিচালক হারুন হাবীব ১৯৮১ সালে লেখা তার নিবন্ধে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের স্বাধীনতার ডাক এবং চট্টগ্রামে তার মর্মান্তিক হত্যাকাণ্ডকে বর্ণনা করেন এভাবে: ‘যে চট্টলার কঠিন শীলা ছুঁয়ে মহাবিদ্রোহের ডঙ্কা বাজিয়েছিলেন জিয়াউর রহমান ১৯৭১-এ, সেই চট্টলার মাটিতেই জীবনের শেষ রক্ত দিয়ে দেশপ্রেমের পতাকা উড়িয়ে দিলেন তিনি ৮১-তে।’
বাংলাদেশ প্রেস ইনস্টিটিউটের (পিআইবি) নিয়মিত প্রকাশনা ‘নিরীক্ষা’র প্রথম বর্ষ ষষ্ঠ সংখ্যায় (মে-জুলাই ১৯৮১) ‘রণাঙ্গনের স্মৃতি থেকে : ফ্রিডম ফাইটারদের ভয় করলে চলে না’ শিরোনামে হারুন হাবীবের এই স্মৃতিচারণমূলক নিবন্ধটি প্রকাশিত হয়। সে সময় পিআইবির তৎকালীন মহাপরিচালক ও খ্যাতিমান সাংবাদিক এ বি এম মূসা ‘নিরীক্ষা’র সম্পাদক ছিলেন। ১৯৮১ সালের ৩০ মে চট্টগ্রাম সার্কিট হাউসে কিছু বিপথগামী সেনাসদস্যের গুলিতে দেশের সফল রাষ্ট্রনায়ক জিয়াউর রহমানের নৃশংস হত্যাকাণ্ডের পর ‘নিরীক্ষা’র মে-জুলাই ১৯৮১ সংখ্যাটি রাষ্ট্রপতি জিয়াকে কেন্দ্র করে প্রকাশিত হয়েছিল।
‘নিরীক্ষা’র ২১, ২২ ও ২৩ পৃষ্ঠাজুড়ে প্রকাশিত প্রায় ২৩০০ শব্দের এই লেখায় হারুন হাবীব মুক্তিযুদ্ধকালে রণাঙ্গনে জেড ফোর্সের অধিনায়ক জিয়ার সঙ্গে তার সাক্ষাৎ এবং জিয়ার আগ্রহে ঘটে যাওয়া বিভিন্ন ঘটনার বিস্তারিত বিবরণ তুলে ধরেছেন।
রিপোর্টারের নাম 

























