বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাসে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান বাংলাদেশি জাতীয়তাবাদ প্রতিষ্ঠা এবং গণতন্ত্রকে প্রাতিষ্ঠানিক রূপ দেওয়ার ক্ষেত্রে এক নতুন দিগন্ত উন্মোচন করেছিলেন। স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায়মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর রাজধানীর জাতীয় প্রেসক্লাবে আয়োজিত এক আলোচনা সভায় এ মন্তব্য করেন। শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের শাহাদতবার্ষিকী উপলক্ষে ‘গণমাধ্যম ও শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান’ শীর্ষক এই সভায় তিনি প্রধান অতিথির বক্তব্যে বলেন, জিয়াউর রহমানের জীবন, কর্ম ও রাষ্ট্রচিন্তা নিয়ে আরও ব্যাপক গবেষণার প্রয়োজন।
আলোচনা সভায় বক্তারা জিয়াউর রহমানের রাষ্ট্র পরিচালনায় বহুমাত্রিক অবদানের কথা স্মরণ করেন। তিনি কেবল রাষ্ট্র পরিচালনা করেননি, বরং জাতির জন্য একটি স্বতন্ত্র রাজনৈতিক দর্শনও উপস্থাপন করেছেন। মন্ত্রী আরও বলেন, জিয়াউর রহমানের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ দুটি অবদান হলো বাংলাদেশি জাতীয়তাবাদ প্রতিষ্ঠা এবং গণতন্ত্রকে প্রাতিষ্ঠানিক রূপ দেওয়া। তাঁর নেতৃত্বে বহুদলীয় গণতন্ত্রের বিকাশ ঘটেছিল এবং জনগণের রাজনৈতিক অংশগ্রহণের সুযোগ বিস্তৃত হয়েছিল। মন্ত্রী বিশ্বাস করেন, জিয়াউর রহমান আরও দশ বছর বেঁচে থাকলে বাংলাদেশ উন্নয়ন ও অগ্রগতির পথে আরও অনেক দূর এগিয়ে যেত। তাঁর দূরদর্শী নেতৃত্ব দেশের জন্য একটি শক্তিশালী ভিত্তি তৈরি করেছিল।
আলোচনা সভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন। তিনি বলেন, একজন রাষ্ট্রনায়ক তখনই জনগণের আস্থা অর্জন করতে পারেন, যখন তিনি সঠিক দৃষ্টিভঙ্গি ও নীতির চর্চা করেন। জিয়াউর রহমান স্বাধীন ও দায়িত্বশীল গণমাধ্যমের বিকাশে সহায়ক ভূমিকা পালন করেছিলেন এবং সংবাদপত্রের স্বাধীনতা নিশ্চিত করার বিষয়ে ইতিবাচক অবস্থান নিয়েছিলেন। আলোচনা সভায় বক্তারা শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের রাজনৈতিক দর্শন, রাষ্ট্র গঠনে তাঁর অবদান, গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠায় ভূমিকা এবং গণমাধ্যমবান্ধব কর্মকাণ্ডের বিভিন্ন দিক তুলে ধরেন।
রিপোর্টারের নাম 



















