ঢাকা ০৬:০৯ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৪ জুন ২০২৬

চিরকুট লিখে পুলিশ সদস্যের আত্মহত্যা, সহকর্মীরা উদ্ধার করে হাসপাতালে নিলে মৃত্যু

বরগুনার তালতলীতে থানার ব্যারাকে মো. ফারুক হোসেন (৫২) নামের এক পুলিশ সদস্য গ্যাসের ট্যাবলেট খেয়ে আত্মহত্যা করেছেন। রোববার সকাল সাড়ে ৯টার দিকে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মারা যান। মৃত্যুর পূর্বে তিনি একটি চিরকুট লিখে যান, যেখানে ব্যক্তিগত কিছু ইচ্ছার কথা উল্লেখ করেন।

মৃত ফারুক হোসেন ঝালকাঠি জেলার রাজাপুর উপজেলার আংগারিয়া গ্রামের বাসিন্দা এবং তালতলী থানায় কর্মরত ছিলেন। পুলিশ ও হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, শনিবার রাতের ডিউটি শেষ করে রোববার সকালে ব্যারাকে ফিরে তিনি গ্যাসের ট্যাবলেট সেবন করেন। অসুস্থ হয়ে পড়লে সহকর্মীরা তাকে উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

উদ্ধারকৃত চিরকুটে ফারুক হোসেন উল্লেখ করেন যে, তার মৃত্যুর জন্য কেউ দায়ী নয় এবং তিনি স্বেচ্ছায় এই পথ বেছে নিয়েছেন। তিনি পরিবারের সদস্যদের অনুরোধ করেছেন যেন তার মৃত্যুর খবরটি তাৎক্ষণিকভাবে তার স্ত্রীকে না জানানো হয়, কারণ এতে তিনি মারা যেতে পারেন। তিনি আরও উল্লেখ করেন, তার লাশ যেন পুরান বাড়িতে দাফন করা হয় এবং পরিবারের মহিলারা যেন শেষকৃত্যে না আসে। যোগাযোগের জন্য তিনি তার ভাই ও জামাতার ফোন নম্বরও চিরকুটে লিখে গেছেন।

আমতলী সার্কেল সহকারী পুলিশ সুপার মো. তারিকুল ইসলাম মাসুদ জানিয়েছেন, ঘটনার কারণ খতিয়ে দেখা হচ্ছে এবং নিহতের পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে আলোচনা সাপেক্ষে পরবর্তী পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

শ্যামনগরে অবৈধ বালু উত্তোলন: বাল্কহেড জব্দ, দুই কারাদণ্ড

চিরকুট লিখে পুলিশ সদস্যের আত্মহত্যা, সহকর্মীরা উদ্ধার করে হাসপাতালে নিলে মৃত্যু

আপডেট সময় : ০৪:২১:৪৫ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৪ জুন ২০২৬

বরগুনার তালতলীতে থানার ব্যারাকে মো. ফারুক হোসেন (৫২) নামের এক পুলিশ সদস্য গ্যাসের ট্যাবলেট খেয়ে আত্মহত্যা করেছেন। রোববার সকাল সাড়ে ৯টার দিকে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মারা যান। মৃত্যুর পূর্বে তিনি একটি চিরকুট লিখে যান, যেখানে ব্যক্তিগত কিছু ইচ্ছার কথা উল্লেখ করেন।

মৃত ফারুক হোসেন ঝালকাঠি জেলার রাজাপুর উপজেলার আংগারিয়া গ্রামের বাসিন্দা এবং তালতলী থানায় কর্মরত ছিলেন। পুলিশ ও হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, শনিবার রাতের ডিউটি শেষ করে রোববার সকালে ব্যারাকে ফিরে তিনি গ্যাসের ট্যাবলেট সেবন করেন। অসুস্থ হয়ে পড়লে সহকর্মীরা তাকে উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

উদ্ধারকৃত চিরকুটে ফারুক হোসেন উল্লেখ করেন যে, তার মৃত্যুর জন্য কেউ দায়ী নয় এবং তিনি স্বেচ্ছায় এই পথ বেছে নিয়েছেন। তিনি পরিবারের সদস্যদের অনুরোধ করেছেন যেন তার মৃত্যুর খবরটি তাৎক্ষণিকভাবে তার স্ত্রীকে না জানানো হয়, কারণ এতে তিনি মারা যেতে পারেন। তিনি আরও উল্লেখ করেন, তার লাশ যেন পুরান বাড়িতে দাফন করা হয় এবং পরিবারের মহিলারা যেন শেষকৃত্যে না আসে। যোগাযোগের জন্য তিনি তার ভাই ও জামাতার ফোন নম্বরও চিরকুটে লিখে গেছেন।

আমতলী সার্কেল সহকারী পুলিশ সুপার মো. তারিকুল ইসলাম মাসুদ জানিয়েছেন, ঘটনার কারণ খতিয়ে দেখা হচ্ছে এবং নিহতের পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে আলোচনা সাপেক্ষে পরবর্তী পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে।