রাজবাড়ীর দৌলতদিয়া ফেরি ঘাটে ফেরিতে ওঠার সময় নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে একটি যাত্রীবাহী বাস পদ্মা নদীতে তলিয়ে যাওয়ার মর্মান্তিক ঘটনা ঘটেছে। এই দুর্ঘটনায় কুষ্টিয়ার খোকসা উপজেলার শোমসপুর গ্রামের একই পরিবারের চার সদস্যের মধ্যে তিনজন প্রাণে বাঁচলেও তাদের কন্যাসন্তানটি এখনো নিখোঁজ রয়েছে। উদ্ধার হওয়া ব্যক্তিরা হলেন রিপন, তার স্ত্রী ও পুত্র।
জানা গেছে, সৌহার্দ্য পরিবহনের ওই বাসটি বুধবার দুপুরে কুমারখালী পৌর টার্মিনাল থেকে যাত্রা শুরু করে এবং পথে খোকসা থেকে আরও যাত্রী সংগ্রহ করে। কাউন্টার সূত্রে পাওয়া তথ্য অনুযায়ী, বাসটিতে চালক ও সহকারীসহ অন্তত ৫০ জন আরোহী ছিলেন। তবে নিখোঁজ যাত্রীদের সঠিক সংখ্যা ও পরিচয় নিশ্চিত করতে উদ্ধার অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
স্থানীয় সাংবাদিক ও প্রত্যক্ষদর্শীরা জানিয়েছেন, বাসটি নদীতে তলিয়ে যাওয়ার পর স্থানীয়দের সহায়তায় অনেকে তীরে উঠতে সক্ষম হলেও শিশুটি নিখোঁজ থাকায় এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে। পুলিশ ও ফায়ার সার্ভিস নিখোঁজদের সন্ধানে উদ্ধারকাজ চালিয়ে যাচ্ছে।
রিপোর্টারের নাম 

























