ঢাকা ১০:১৫ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৪ এপ্রিল ২০২৬

১১৯ কোটি টাকা আত্মসাৎ: মাসুদ চৌধুরীকে গ্রেপ্তার দেখানোর আবেদন দুদকের

মালয়েশিয়ায় জনশক্তি রপ্তানির নামে ১১৯ কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগে দায়ের করা মামলায় অবসরপ্রাপ্ত লেফটেন্যান্ট জেনারেল মাসুদ উদ্দিন চৌধুরীকে গ্রেপ্তার দেখানোর আবেদন করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। বুধবার ঢাকা মহানগর সিনিয়র স্পেশাল জজ আদালতের ভারপ্রাপ্ত বিচারক মঈনউদ্দীন চৌধুরীর আদালতে এই আবেদন জমা দেওয়া হয়। আদালত আগামী ৯ এপ্রিল আসামির উপস্থিতিতে এ বিষয়ে শুনানির দিন ধার্য করেছেন।

দুদকের সহকারী পরিচালক আমিনুল ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, এর আগে মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ও দুদকের সহকারী পরিচালক আবুল কালাম আজাদ এই আবেদনটি করেছিলেন। আবেদনে উল্লেখ করা হয়, ওয়ান-ইলেভেনের অন্যতম আলোচিত ব্যক্তি মাসুদ উদ্দিন চৌধুরী ও তার সহযোগীরা ক্ষমতার অপব্যবহার করে অপরাধমূলক ষড়যন্ত্রে লিপ্ত হয়েছিলেন। সরকার নির্ধারিত ফি ৭৮ হাজার ৯৯০ টাকার পরিবর্তে অতিরিক্ত অর্থ আদায়ের মাধ্যমে তারা সাধারণ শ্রমিকদের আর্থিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত করেছেন।

আবেদনে আরও বলা হয়, তৎকালীন সরকারদলীয় সংসদ সদস্যদের প্রভাব খাটিয়ে মালয়েশিয়ায় শ্রমিক পাঠানোর এজেন্ট হিসেবে নিয়োগ পান মাসুদ চৌধুরী। পরবর্তীতে বিশ্বাসভঙ্গ ও জালিয়াতির আশ্রয় নিয়ে বিপুল পরিমাণ অর্থ হাতিয়ে নেওয়া হয়, যা দণ্ডবিধির সংশ্লিষ্ট ধারায় শাস্তিযোগ্য অপরাধ।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

লেবাননে হিজবুল্লাহর ড্রোন হামলায় ১১ ইসরাইলি সেনা আহত, আশঙ্কাজনক ৩

১১৯ কোটি টাকা আত্মসাৎ: মাসুদ চৌধুরীকে গ্রেপ্তার দেখানোর আবেদন দুদকের

আপডেট সময় : ০৮:৩৭:৪৬ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৫ মার্চ ২০২৬

মালয়েশিয়ায় জনশক্তি রপ্তানির নামে ১১৯ কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগে দায়ের করা মামলায় অবসরপ্রাপ্ত লেফটেন্যান্ট জেনারেল মাসুদ উদ্দিন চৌধুরীকে গ্রেপ্তার দেখানোর আবেদন করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। বুধবার ঢাকা মহানগর সিনিয়র স্পেশাল জজ আদালতের ভারপ্রাপ্ত বিচারক মঈনউদ্দীন চৌধুরীর আদালতে এই আবেদন জমা দেওয়া হয়। আদালত আগামী ৯ এপ্রিল আসামির উপস্থিতিতে এ বিষয়ে শুনানির দিন ধার্য করেছেন।

দুদকের সহকারী পরিচালক আমিনুল ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, এর আগে মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ও দুদকের সহকারী পরিচালক আবুল কালাম আজাদ এই আবেদনটি করেছিলেন। আবেদনে উল্লেখ করা হয়, ওয়ান-ইলেভেনের অন্যতম আলোচিত ব্যক্তি মাসুদ উদ্দিন চৌধুরী ও তার সহযোগীরা ক্ষমতার অপব্যবহার করে অপরাধমূলক ষড়যন্ত্রে লিপ্ত হয়েছিলেন। সরকার নির্ধারিত ফি ৭৮ হাজার ৯৯০ টাকার পরিবর্তে অতিরিক্ত অর্থ আদায়ের মাধ্যমে তারা সাধারণ শ্রমিকদের আর্থিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত করেছেন।

আবেদনে আরও বলা হয়, তৎকালীন সরকারদলীয় সংসদ সদস্যদের প্রভাব খাটিয়ে মালয়েশিয়ায় শ্রমিক পাঠানোর এজেন্ট হিসেবে নিয়োগ পান মাসুদ চৌধুরী। পরবর্তীতে বিশ্বাসভঙ্গ ও জালিয়াতির আশ্রয় নিয়ে বিপুল পরিমাণ অর্থ হাতিয়ে নেওয়া হয়, যা দণ্ডবিধির সংশ্লিষ্ট ধারায় শাস্তিযোগ্য অপরাধ।