ঢাকা ০২:১৫ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৯ জুন ২০২৬

বক্ষব্যাধি চিকিৎসায় নতুন দিগন্ত: শমরিতা হাসপাতালে থোরাসিক সার্জারি সেন্টারের উদ্বোধন

সম্প্রতি রাজধানীর শমরিতা হাসপাতালে অধ্যাপক ডা. মো. কামরুল আলমের উদ্যোগে একটি অত্যাধুনিক থোরাসিক সার্জারি সেন্টার চালু হয়েছে। এই সেন্টারটি মূলত বক্ষ ও খাদ্যনালীর বিভিন্ন জটিল রোগের সার্জিক্যাল চিকিৎসার জন্য নিবেদিত। বুকের আঘাতজনিত চিকিৎসা থেকে শুরু করে হার্ট ছাড়া বুকের ভেতরের অন্যান্য অঙ্গপ্রত্যঙ্গের সার্জারি, এমনকি ফুসফুস প্রতিস্থাপনের মতো উন্নত চিকিৎসারও সুযোগ এখানে তৈরি হয়েছে।

অধ্যাপক ডা. মো. কামরুল আলম জানিয়েছেন, দেশে থোরাসিক সার্জনের সংখ্যা অত্যন্ত সীমিত, যা প্রায় ১৮ কোটি জনসংখ্যার জন্য যথেষ্ট নয়। সরকারি পর্যায়ে এই চিকিৎসার সুযোগও কয়েকটি প্রতিষ্ঠানে সীমাবদ্ধ। তাই সাধারণ মানুষ এবং অনেক চিকিৎসকও এ বিষয়ে অবগত নন। শমরিতা হাসপাতালে এই সেন্টার স্থাপনের মূল উদ্দেশ্য হলো থোরাসিক সার্জারির সেবা সবার জন্য সহজলভ্য করা এবং চিকিৎসকদের এ বিষয়ে অবহিত করা।

দেশে বক্ষব্যাধি হাসপাতাল এবং ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে সীমিত আকারে থোরাসিক সার্জারির ব্যবস্থা থাকলেও বেড স্বল্পতা এবং অপারেশনের দীর্ঘ সিরিয়ালের কারণে চিকিৎসার ব্যয় বৃদ্ধি পায়। সিঙ্গাপুরে এই চিকিৎসার জন্য যেখানে ২৫-৩০ লাখ টাকা এবং ভারতে ৮-১০ লাখ টাকা পর্যন্ত খরচ হতে পারে, সেখানে বাংলাদেশে প্রাইভেট সেন্টারগুলোতে ২ থেকে ৫ লাখ টাকার মধ্যে এই চিকিৎসা পাওয়া সম্ভব। অধ্যাপক ডা. মো. কামরুল আলমের নেতৃত্বে ৯ জন বিশেষজ্ঞ সার্জন নিয়ে গঠিত এই টিম রোগীদের উন্নত সেবা প্রদানের জন্য প্রস্তুত।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

লক্ষ্মীপুরে স্কুলছাত্রের মৃত্যু: অধ্যক্ষসহ ১৮ জনের নামে হত্যা মামলা

বক্ষব্যাধি চিকিৎসায় নতুন দিগন্ত: শমরিতা হাসপাতালে থোরাসিক সার্জারি সেন্টারের উদ্বোধন

আপডেট সময় : ০১:৩৮:৩০ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৭ জুন ২০২৬

সম্প্রতি রাজধানীর শমরিতা হাসপাতালে অধ্যাপক ডা. মো. কামরুল আলমের উদ্যোগে একটি অত্যাধুনিক থোরাসিক সার্জারি সেন্টার চালু হয়েছে। এই সেন্টারটি মূলত বক্ষ ও খাদ্যনালীর বিভিন্ন জটিল রোগের সার্জিক্যাল চিকিৎসার জন্য নিবেদিত। বুকের আঘাতজনিত চিকিৎসা থেকে শুরু করে হার্ট ছাড়া বুকের ভেতরের অন্যান্য অঙ্গপ্রত্যঙ্গের সার্জারি, এমনকি ফুসফুস প্রতিস্থাপনের মতো উন্নত চিকিৎসারও সুযোগ এখানে তৈরি হয়েছে।

অধ্যাপক ডা. মো. কামরুল আলম জানিয়েছেন, দেশে থোরাসিক সার্জনের সংখ্যা অত্যন্ত সীমিত, যা প্রায় ১৮ কোটি জনসংখ্যার জন্য যথেষ্ট নয়। সরকারি পর্যায়ে এই চিকিৎসার সুযোগও কয়েকটি প্রতিষ্ঠানে সীমাবদ্ধ। তাই সাধারণ মানুষ এবং অনেক চিকিৎসকও এ বিষয়ে অবগত নন। শমরিতা হাসপাতালে এই সেন্টার স্থাপনের মূল উদ্দেশ্য হলো থোরাসিক সার্জারির সেবা সবার জন্য সহজলভ্য করা এবং চিকিৎসকদের এ বিষয়ে অবহিত করা।

দেশে বক্ষব্যাধি হাসপাতাল এবং ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে সীমিত আকারে থোরাসিক সার্জারির ব্যবস্থা থাকলেও বেড স্বল্পতা এবং অপারেশনের দীর্ঘ সিরিয়ালের কারণে চিকিৎসার ব্যয় বৃদ্ধি পায়। সিঙ্গাপুরে এই চিকিৎসার জন্য যেখানে ২৫-৩০ লাখ টাকা এবং ভারতে ৮-১০ লাখ টাকা পর্যন্ত খরচ হতে পারে, সেখানে বাংলাদেশে প্রাইভেট সেন্টারগুলোতে ২ থেকে ৫ লাখ টাকার মধ্যে এই চিকিৎসা পাওয়া সম্ভব। অধ্যাপক ডা. মো. কামরুল আলমের নেতৃত্বে ৯ জন বিশেষজ্ঞ সার্জন নিয়ে গঠিত এই টিম রোগীদের উন্নত সেবা প্রদানের জন্য প্রস্তুত।