ঢাকা ০৯:৪৫ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১৯ এপ্রিল ২০২৬

কুমিল্লার চৌদ্দগ্রামে ৮ অসহায় পরিবারের ঈদের আনন্দ বাড়িয়ে দিল নতুন ঘর

পবিত্র ঈদুল ফিতরের আনন্দ ছড়িয়ে পড়েছে কুমিল্লার চৌদ্দগ্রামের আটটি অতি দরিদ্র ও অসহায় পরিবারের মাঝে। মানবিক সংগঠন ‘স্বপ্নপূরণ ফাউন্ডেশন’-এর উদ্যোগে নির্মিত নতুন টিনসেড ঘর উপহার পেয়ে এই পরিবারগুলোর মুখে ফুটেছে তৃপ্তির হাসি। উপজেলার বিজয়করা, দেবিপুর, মাসকরা এবং কালিকাপুরসহ বিভিন্ন গ্রামের এই পরিবারগুলো ঈদের আগেই তাদের নতুন ঠিকানার চাবি হাতে পায়। দীর্ঘদিনের জরাজীর্ণ জীবন ছেড়ে নতুন ঘরে ঈদ উদযাপন করতে পেরে তারা সংশ্লিষ্ট সকলের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছেন।

২০১৯ সালে ‘মানবতার কল্যাণে স্বপ্ন পূরণের দৃঢ় অঙ্গীকার’ স্লোগান নিয়ে যাত্রা শুরু করা এই সংগঠনটি মূলত প্রবাসী বাংলাদেশি এবং দেশের সচেতন তরুণদের সহযোগিতায় পরিচালিত হয়। প্রতিষ্ঠাতা মো. মোশাররফ হোসেন জানান, প্রবাসীদের পাঠানো রেমিটেন্স এবং দেশের শিক্ষাবিদ ও সাংবাদিকদের আন্তরিক সহায়তায় তারা এই আবাসন প্রকল্প বাস্তবায়ন করেছেন। এ পর্যন্ত সংগঠনটি দেশের বিভিন্ন স্থানে দেড় শতাধিক সামাজিক ও জনকল্যাণমূলক কাজ সম্পন্ন করে স্থানীয় পর্যায়ে ব্যাপক আস্থা অর্জন করেছে।

নতুন ঘর পাওয়া উপকারভোগীরা জানান, মাথা গোঁজার ঠাঁই না থাকায় তারা মানবেতর জীবনযাপন করছিলেন। ঈদের ঠিক আগে এমন উপহার তাদের জন্য অভাবনীয় ছিল। স্বপ্নপূরণ ফাউন্ডেশনের এই মহতী উদ্যোগ কেবল এই আটটি পরিবারকে ঘর দেয়নি, বরং সমাজের বিত্তবান ও মানবিক মানুষদের অসহায়দের পাশে দাঁড়ানোর জন্য এক উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছে। ভবিষ্যতে আরও বড় পরিসরে আর্তমানবতার সেবায় কাজ করার পরিকল্পনা রয়েছে সংগঠনটির।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

২০ মাসে ৬৭ মাজারে হামলা: বিচারহীনতায় বাড়ছে উদ্বেগ ও আইনশৃঙ্খলা নিয়ে প্রশ্ন

কুমিল্লার চৌদ্দগ্রামে ৮ অসহায় পরিবারের ঈদের আনন্দ বাড়িয়ে দিল নতুন ঘর

আপডেট সময় : ০৬:২৩:১১ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৫ মার্চ ২০২৬

পবিত্র ঈদুল ফিতরের আনন্দ ছড়িয়ে পড়েছে কুমিল্লার চৌদ্দগ্রামের আটটি অতি দরিদ্র ও অসহায় পরিবারের মাঝে। মানবিক সংগঠন ‘স্বপ্নপূরণ ফাউন্ডেশন’-এর উদ্যোগে নির্মিত নতুন টিনসেড ঘর উপহার পেয়ে এই পরিবারগুলোর মুখে ফুটেছে তৃপ্তির হাসি। উপজেলার বিজয়করা, দেবিপুর, মাসকরা এবং কালিকাপুরসহ বিভিন্ন গ্রামের এই পরিবারগুলো ঈদের আগেই তাদের নতুন ঠিকানার চাবি হাতে পায়। দীর্ঘদিনের জরাজীর্ণ জীবন ছেড়ে নতুন ঘরে ঈদ উদযাপন করতে পেরে তারা সংশ্লিষ্ট সকলের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছেন।

২০১৯ সালে ‘মানবতার কল্যাণে স্বপ্ন পূরণের দৃঢ় অঙ্গীকার’ স্লোগান নিয়ে যাত্রা শুরু করা এই সংগঠনটি মূলত প্রবাসী বাংলাদেশি এবং দেশের সচেতন তরুণদের সহযোগিতায় পরিচালিত হয়। প্রতিষ্ঠাতা মো. মোশাররফ হোসেন জানান, প্রবাসীদের পাঠানো রেমিটেন্স এবং দেশের শিক্ষাবিদ ও সাংবাদিকদের আন্তরিক সহায়তায় তারা এই আবাসন প্রকল্প বাস্তবায়ন করেছেন। এ পর্যন্ত সংগঠনটি দেশের বিভিন্ন স্থানে দেড় শতাধিক সামাজিক ও জনকল্যাণমূলক কাজ সম্পন্ন করে স্থানীয় পর্যায়ে ব্যাপক আস্থা অর্জন করেছে।

নতুন ঘর পাওয়া উপকারভোগীরা জানান, মাথা গোঁজার ঠাঁই না থাকায় তারা মানবেতর জীবনযাপন করছিলেন। ঈদের ঠিক আগে এমন উপহার তাদের জন্য অভাবনীয় ছিল। স্বপ্নপূরণ ফাউন্ডেশনের এই মহতী উদ্যোগ কেবল এই আটটি পরিবারকে ঘর দেয়নি, বরং সমাজের বিত্তবান ও মানবিক মানুষদের অসহায়দের পাশে দাঁড়ানোর জন্য এক উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছে। ভবিষ্যতে আরও বড় পরিসরে আর্তমানবতার সেবায় কাজ করার পরিকল্পনা রয়েছে সংগঠনটির।