ভোলার তজুমদ্দিন উপজেলার বিস্তীর্ণ মাঠজুড়ে এখন হলুদের সমারোহ। ভোজ্যতেলের চাহিদা মেটাতে এই অঞ্চলে বাণিজ্যিকভাবে সূর্যমুখী চাষের নতুন সম্ভাবনা দেখা দিয়েছে। অনুকূল আবহাওয়া এবং কৃষি অফিসের সহায়তায় এ বছর লক্ষ্যমাত্রার চেয়েও বেশি জমিতে সূর্যমুখীর আবাদ হয়েছে। কৃষকরা জানিয়েছেন, সরিষার তুলনায় কম খরচ এবং অধিক লাভের আশায় তারা এই তেলজাতীয় শস্য চাষে আগ্রহী হয়ে উঠছেন।
উপজেলা কৃষি অফিস সূত্রে জানা গেছে, এ বছর ৮২ হেক্টর জমিতে সূর্যমুখী চাষের লক্ষ্যমাত্রা থাকলেও চাষ হয়েছে প্রায় ৮৫ হেক্টর জমিতে। সরকারি প্রণোদনা ও উন্নত বীজের সহজলভ্যতা এই সাফল্যে ভূমিকা রেখেছে। স্থানীয় কৃষকরা জানান, ৩০ শতাংশ জমিতে চাষাবাদ করতে খরচ হয়েছে মাত্র আট হাজার টাকার মতো, অথচ ফলন পাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে আট থেকে নয় মণ। প্রাকৃতিক দুর্যোগ না হলে এবার সূর্যমুখী চাষে বড় ধরনের লাভের আশা করছেন উপকূলীয় এই জনপদের চাষিরা।
রিপোর্টারের নাম 

























