ঈদুল ফিতরের দীর্ঘ ছুটিতে সারা দেশ যখন উৎসবের আমেজে মগ্ন, তখন দেশের অর্থনীতির হৃৎপিণ্ড চট্টগ্রাম বন্দর ছিল পুরোপুরি সচল। আমদানি-রপ্তানি কার্যক্রমের গতিশীলতা বজায় রাখতে বন্দর কর্তৃপক্ষের নেওয়া বিশেষ পরিকল্পনার ফলে ছুটির দিনগুলোতেও জাহাজ হ্যান্ডলিং এবং পণ্য খালাস কার্যক্রম নিরবচ্ছিন্নভাবে চলেছে। বিশেষ করে জ্বালানি তেল ও নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের সরবরাহ স্বাভাবিক রাখতে একটি বিশেষ টাস্কফোর্স সার্বক্ষণিক নজরদারি চালিয়েছে।
পরিসংখ্যান অনুযায়ী, ১৭ থেকে ২৩ মার্চ পর্যন্ত সাত দিনে চট্টগ্রাম বন্দরে ২৫ লাখ ৮ হাজার মেট্রিক টনের বেশি কার্গো হ্যান্ডলিং করা হয়েছে। এর মধ্যে ১৮ মার্চ এক দিনেই সর্বোচ্চ ৪ লাখ ৩৪ হাজার টন পণ্য খালাস করে বন্দর কর্তৃপক্ষ এক অনন্য রেকর্ড গড়েছে। এছাড়া একই সময়ে প্রায় ৫৫ হাজার টিইইউএস কন্টেইনার প্রসেস করা হয়েছে। পণ্যবাহী যানের চলাচল নির্বিঘ্ন করতে হাইওয়ে পুলিশের সঙ্গে সমন্বয় করে বিশেষ স্টিকারের মাধ্যমে জরুরি পণ্য পরিবহনের ব্যবস্থা করা হয়েছিল।
বন্দর কর্তৃপক্ষের দক্ষ ব্যবস্থাপনায় আউটার অ্যাঙ্করেজে জাহাজের অপেক্ষমাণ সময় বা ‘ওয়েটিং টাইম’ শূন্য দিনে নামিয়ে আনা সম্ভব হয়েছে। এর ফলে বাজার স্থিতিশীল রাখা এবং শিল্পকারখানার কাঁচামাল সরবরাহ নিশ্চিত করা সহজ হয়েছে। কর্মকর্তা-কর্মচারীদের রোস্টারভিত্তিক দায়িত্ব পালন এবং ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের সরাসরি তদারকি এই সফলতার পেছনে মূল চাবিকাঠি হিসেবে কাজ করেছে।
রিপোর্টারের নাম 

























