ঢাকা ০৩:১১ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৩ এপ্রিল ২০২৬

নেতানিয়াহুর পদত্যাগ ও জবাবদিহির দাবিতে উত্তাল ইসরায়েল: তেল আবিবে বিশাল বিক্ষোভ

ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু ও তার প্রশাসনের বিরুদ্ধে রাজধানী তেল আবিবে বিশাল বিক্ষোভ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে। রোববার রাতে হাজার হাজার মানুষ রাস্তায় নেমে বর্তমান সরকারের কর্মকাণ্ডের কঠোর সমালোচনা করেন এবং অবিলম্বে তাদের পদত্যাগ দাবি করেন।

বিক্ষোভে অংশ নেওয়া রাফায়েল প্নিনা নামে এক ব্যক্তি অভিযোগ করেন, নেতানিয়াহু ইসরায়েলি সমাজকে অভ্যন্তরীণভাবে ধ্বংসের মুখে ঠেলে দিচ্ছেন। একই সঙ্গে তিনি যুক্তরাষ্ট্র ও ইউরোপীয় দেশগুলোর সঙ্গে ইসরায়েলের দীর্ঘদিনের কূটনৈতিক সম্পর্ক ক্ষতিগ্রস্ত করছেন বলেও মন্তব্য করেন। তিনি আরও বলেন, গত ৭ অক্টোবরের ঘটনার প্রকৃত সত্য এবং এর পরবর্তী পরিস্থিতি সম্পর্কে সাধারণ মানুষের জানার অধিকার রয়েছে।

সামাজিক কর্মী লি হফম্যান-আগিভ বলেন, চলমান সংঘাতে প্রাণ হারানো পরিবারগুলোর প্রতি সংহতি জানাতেই তিনি রাজপথে নেমেছেন। তার মতে, বর্তমান সরকারের পরিচালিত অন্তহীন যুদ্ধের কারণে বহু মানুষ জীবন দিচ্ছে, যা মেনে নেওয়া যায় না।

অন্য এক বিক্ষোভকারী চাইম ত্রিভাক্স অভিযোগ তোলেন যে, লেবানন ও ইরানের বিরুদ্ধে যুদ্ধে যাওয়ার সিদ্ধান্তগুলো ছিল ভুল। তিনি দাবি করেন, নেতানিয়াহু দেশ পরিচালনার স্বার্থে নয়, বরং ব্যক্তিগত কারাদণ্ড এড়াতেই এই যুদ্ধ পরিস্থিতি টিকিয়ে রেখেছেন। এই বিক্ষোভ ইসরায়েলের অভ্যন্তরীণ রাজনৈতিক অস্থিরতা ও সরকারের প্রতি জনগণের চরম অনাস্থাকেই স্পষ্টভাবে ফুটিয়ে তুলেছে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

রাজধানীতে যানবাহন চুরির হিড়িক: প্রতিদিন গড়ে চুরি হচ্ছে একটি গাড়ি বা মোটরসাইকেল

নেতানিয়াহুর পদত্যাগ ও জবাবদিহির দাবিতে উত্তাল ইসরায়েল: তেল আবিবে বিশাল বিক্ষোভ

আপডেট সময় : ০১:২০:৫৭ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৯ এপ্রিল ২০২৬

ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু ও তার প্রশাসনের বিরুদ্ধে রাজধানী তেল আবিবে বিশাল বিক্ষোভ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে। রোববার রাতে হাজার হাজার মানুষ রাস্তায় নেমে বর্তমান সরকারের কর্মকাণ্ডের কঠোর সমালোচনা করেন এবং অবিলম্বে তাদের পদত্যাগ দাবি করেন।

বিক্ষোভে অংশ নেওয়া রাফায়েল প্নিনা নামে এক ব্যক্তি অভিযোগ করেন, নেতানিয়াহু ইসরায়েলি সমাজকে অভ্যন্তরীণভাবে ধ্বংসের মুখে ঠেলে দিচ্ছেন। একই সঙ্গে তিনি যুক্তরাষ্ট্র ও ইউরোপীয় দেশগুলোর সঙ্গে ইসরায়েলের দীর্ঘদিনের কূটনৈতিক সম্পর্ক ক্ষতিগ্রস্ত করছেন বলেও মন্তব্য করেন। তিনি আরও বলেন, গত ৭ অক্টোবরের ঘটনার প্রকৃত সত্য এবং এর পরবর্তী পরিস্থিতি সম্পর্কে সাধারণ মানুষের জানার অধিকার রয়েছে।

সামাজিক কর্মী লি হফম্যান-আগিভ বলেন, চলমান সংঘাতে প্রাণ হারানো পরিবারগুলোর প্রতি সংহতি জানাতেই তিনি রাজপথে নেমেছেন। তার মতে, বর্তমান সরকারের পরিচালিত অন্তহীন যুদ্ধের কারণে বহু মানুষ জীবন দিচ্ছে, যা মেনে নেওয়া যায় না।

অন্য এক বিক্ষোভকারী চাইম ত্রিভাক্স অভিযোগ তোলেন যে, লেবানন ও ইরানের বিরুদ্ধে যুদ্ধে যাওয়ার সিদ্ধান্তগুলো ছিল ভুল। তিনি দাবি করেন, নেতানিয়াহু দেশ পরিচালনার স্বার্থে নয়, বরং ব্যক্তিগত কারাদণ্ড এড়াতেই এই যুদ্ধ পরিস্থিতি টিকিয়ে রেখেছেন। এই বিক্ষোভ ইসরায়েলের অভ্যন্তরীণ রাজনৈতিক অস্থিরতা ও সরকারের প্রতি জনগণের চরম অনাস্থাকেই স্পষ্টভাবে ফুটিয়ে তুলেছে।