রংপুরের গঙ্গাচড়া উপজেলায় তিস্তা সেচ খালের সংস্কার ও সম্প্রসারণ কাজ শুরু হওয়ায় ভিটেমাটি হারানোর শঙ্কায় দিন কাটাচ্ছেন প্রায় শতাধিক পরিবার। ১ হাজার ৪৫২ কোটি টাকা ব্যয়ের এই প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করা হচ্ছে প্রায় ৩৫ বছর আগের একটি পুরনো সমীক্ষার ভিত্তিতে। বর্তমানে নদী ও পরিবেশের বাস্তব অবস্থা আমূল বদলে গেলেও পুরনো নকশায় কাজ শুরু হওয়ায় স্থানীয়দের মধ্যে চরম উদ্বেগ ও অসন্তোষ দেখা দিয়েছে।
প্রকল্পের আওতায় খালের প্রশস্ততা বাড়ানোর জন্য ব্রহ্মোত্তরপাড়া গ্রামের কয়েক প্রজন্মের পুরনো বসতিগুলো এখন উচ্ছেদের মুখে পড়েছে। ইতোমধ্যে কর্তৃপক্ষ সীমানা নির্ধারণ করে বাসিন্দাদের বাড়িঘর সরিয়ে নেওয়ার নোটিশ দিয়েছে। স্থানীয়দের দাবি, তারা বৈধভাবে জমি কিনে এখানে বসবাস করছেন। হঠাৎ করে ঘরবাড়ি হারানোর নোটিশ পেয়ে তারা এখন দিশেহারা। পুনর্বাসনের কোনো ব্যবস্থা ছাড়া এই উচ্ছেদকে তারা অমানবিক বলে দাবি করছেন।
বিশেষজ্ঞদের মতে, তিস্তা নদীতে পর্যাপ্ত পানি প্রবাহ না থাকলে শুধু ক্যানেল সম্প্রসারণ করে কৃষকদের কোনো লাভ হবে না। নদী রক্ষা আন্দোলনের কর্মীরা বলছেন, সাড়ে তিন দশক আগের সমীক্ষা দিয়ে বর্তমান সময়ের সেচ চাহিদা পূরণ করা সম্ভব নয়। এই পরিস্থিতিতে প্রকল্পটি পুনর্বিবেচনা এবং ক্ষতিগ্রস্তদের যথাযথ ক্ষতিপূরণ ও পুনর্বাসনের দাবি জানিয়েছেন ভুক্তভোগীরা।
রিপোর্টারের নাম 























