ঢাকা ০১:৫০ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৯ এপ্রিল ২০২৬

কিশোরগঞ্জে শিলাবৃষ্টিতে হাওরের বোরো ধানে ব্যাপক ক্ষতির আশঙ্কা

কিশোরগঞ্জের হাওরাঞ্চলে আকস্মিক ও তীব্র শিলাবৃষ্টির কারণে বোরো ধানের ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতির আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। মঙ্গলবার রাতের এই প্রাকৃতিক দুর্যোগে জেলার অষ্টগ্রাম, ইটনা ও মিঠামইন উপজেলার হাজার হাজার কৃষক বর্তমানে গভীর উদ্বেগ ও উৎকণ্ঠার মধ্যে রয়েছেন।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, মঙ্গলবার রাত আনুমানিক ৮টার দিকে দমকা হাওয়ার সঙ্গে প্রবল বৃষ্টি এবং শিলাবৃষ্টি শুরু হয়। প্রায় ১৫ থেকে ২০ মিনিট স্থায়ী হওয়া এই শিলাবৃষ্টি কৃষিনির্ভর এই তিনটি উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়নের ফসলি জমির উপর দিয়ে বয়ে যায়, যা ফসলের মারাত্মক ক্ষতির কারণ হতে পারে।

হাওরাঞ্চলে বোরো ধানের শীষ বের হওয়ার সময় এটি। এই সংবেদনশীল পর্যায়ে শিলাবৃষ্টির আঘাতে ধানের গাছ ভেঙে যাওয়া এবং শীষ ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। এতে উৎপাদনের পরিমাণ উল্লেখযোগ্যভাবে কমে যেতে পারে বলে আশঙ্কা করছেন কৃষকরা।

অষ্টগ্রামের প্রবীণ কৃষক নুরুল ইসলাম লালধন (৭৫) হতাশা প্রকাশ করে বলেন, ‘এ বছর বাম্পার ফলনের আশা করেছিলাম। কিন্তু এই অসময়ের শিলাবৃষ্টি আমাদের সব স্বপ্ন ভেঙে দিতে পারে। সকালে মাঠে গিয়ে ক্ষতির পরিমাণ বোঝা যাবে।’

অষ্টগ্রাম উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা অভিজিৎ সরকার ফোনে জানিয়েছেন, উপজেলার তিনটি ইউনিয়নে শিলাবৃষ্টির খবর পাওয়া গেছে। তবে ক্ষয়ক্ষতির প্রকৃত পরিমাণ তাৎক্ষণিকভাবে নির্ণয় করা সম্ভব নয়। ভোর থেকেই কৃষি অফিসের কর্মকর্তারা ক্ষতিগ্রস্ত এলাকা পরিদর্শন করে ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ নির্ধারণ করবেন।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

নেতানিয়াহুর পদত্যাগ ও জবাবদিহির দাবিতে উত্তাল ইসরায়েল: তেল আবিবে বিশাল বিক্ষোভ

কিশোরগঞ্জে শিলাবৃষ্টিতে হাওরের বোরো ধানে ব্যাপক ক্ষতির আশঙ্কা

আপডেট সময় : ১১:৩৪:২৮ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৫ মার্চ ২০২৬

কিশোরগঞ্জের হাওরাঞ্চলে আকস্মিক ও তীব্র শিলাবৃষ্টির কারণে বোরো ধানের ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতির আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। মঙ্গলবার রাতের এই প্রাকৃতিক দুর্যোগে জেলার অষ্টগ্রাম, ইটনা ও মিঠামইন উপজেলার হাজার হাজার কৃষক বর্তমানে গভীর উদ্বেগ ও উৎকণ্ঠার মধ্যে রয়েছেন।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, মঙ্গলবার রাত আনুমানিক ৮টার দিকে দমকা হাওয়ার সঙ্গে প্রবল বৃষ্টি এবং শিলাবৃষ্টি শুরু হয়। প্রায় ১৫ থেকে ২০ মিনিট স্থায়ী হওয়া এই শিলাবৃষ্টি কৃষিনির্ভর এই তিনটি উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়নের ফসলি জমির উপর দিয়ে বয়ে যায়, যা ফসলের মারাত্মক ক্ষতির কারণ হতে পারে।

হাওরাঞ্চলে বোরো ধানের শীষ বের হওয়ার সময় এটি। এই সংবেদনশীল পর্যায়ে শিলাবৃষ্টির আঘাতে ধানের গাছ ভেঙে যাওয়া এবং শীষ ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। এতে উৎপাদনের পরিমাণ উল্লেখযোগ্যভাবে কমে যেতে পারে বলে আশঙ্কা করছেন কৃষকরা।

অষ্টগ্রামের প্রবীণ কৃষক নুরুল ইসলাম লালধন (৭৫) হতাশা প্রকাশ করে বলেন, ‘এ বছর বাম্পার ফলনের আশা করেছিলাম। কিন্তু এই অসময়ের শিলাবৃষ্টি আমাদের সব স্বপ্ন ভেঙে দিতে পারে। সকালে মাঠে গিয়ে ক্ষতির পরিমাণ বোঝা যাবে।’

অষ্টগ্রাম উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা অভিজিৎ সরকার ফোনে জানিয়েছেন, উপজেলার তিনটি ইউনিয়নে শিলাবৃষ্টির খবর পাওয়া গেছে। তবে ক্ষয়ক্ষতির প্রকৃত পরিমাণ তাৎক্ষণিকভাবে নির্ণয় করা সম্ভব নয়। ভোর থেকেই কৃষি অফিসের কর্মকর্তারা ক্ষতিগ্রস্ত এলাকা পরিদর্শন করে ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ নির্ধারণ করবেন।