ঢাকা ১১:১০ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৩১ জুলাই ২০২৬

চুয়াডাঙ্গা থেকে ফেরার পথে ভয়াবহ দুর্ঘটনা, প্রাণ গেল একই পরিবারের তিনজনের

চুয়াডাঙ্গায় আত্মীয়ের বাড়ি থেকে বেড়ানো শেষে বাড়ি ফেরার পথে মর্মান্তিক সড়ক দুর্ঘটনায় প্রাণ হারিয়েছেন যশোরের মনিরামপুরের একই পরিবারের তিনজন। গতকাল সোমবার দিবাগত রাত আড়াইটার দিকে যশোর-মাগুরা সড়কের গাইদঘাট এলাকায় এই দুর্ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় পরিবারের আরও তিন সদস্য গুরুতর আহত হয়ে বর্তমানে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।

নিহতরা হলেন মনিরামপুর বাজারের আইটি ব্যবসায়ী মাহমুদ হাসান জাকারিয়া জনি (৪৩), তার বৃদ্ধ বাবা আব্দুল মজিদ সরদার (৭৫) এবং তার চার বছর বয়সী শিশু কন্যা শেহেরিশ। দুর্ঘটনায় আহত জনির মা মনোয়ারা বেগম, স্ত্রী সাবরিনা জাহান এবং ছেলে সামিন আল মাসকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।

বারোবাজার হাইওয়ে পুলিশ জানিয়েছে, নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে তাদের বহনকারী প্রাইভেট কারটি রাস্তার পাশে একটি বড় গাছের সঙ্গে সজোরে ধাক্কা খায়। এতে ঘটনাস্থলেই জনি ও তার বাবা মারা যান এবং হাসপাতালে নেওয়ার পথে শিশুটির মৃত্যু হয়। নিহতের স্বজন ও সহকর্মীরা জানিয়েছেন, পরিবারটি বেড়ানো শেষে ফেরার পথেই এই শোকাবহ ঘটনার শিকার হয়েছে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

জুলাই বিপ্লবের আকাঙ্ক্ষা অপূর্ণ, বর্তমান সরকারও ফ্যাসিবাদী পথে: জামায়াত

চুয়াডাঙ্গা থেকে ফেরার পথে ভয়াবহ দুর্ঘটনা, প্রাণ গেল একই পরিবারের তিনজনের

আপডেট সময় : ০১:৩০:৪৫ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৪ মার্চ ২০২৬

চুয়াডাঙ্গায় আত্মীয়ের বাড়ি থেকে বেড়ানো শেষে বাড়ি ফেরার পথে মর্মান্তিক সড়ক দুর্ঘটনায় প্রাণ হারিয়েছেন যশোরের মনিরামপুরের একই পরিবারের তিনজন। গতকাল সোমবার দিবাগত রাত আড়াইটার দিকে যশোর-মাগুরা সড়কের গাইদঘাট এলাকায় এই দুর্ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় পরিবারের আরও তিন সদস্য গুরুতর আহত হয়ে বর্তমানে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।

নিহতরা হলেন মনিরামপুর বাজারের আইটি ব্যবসায়ী মাহমুদ হাসান জাকারিয়া জনি (৪৩), তার বৃদ্ধ বাবা আব্দুল মজিদ সরদার (৭৫) এবং তার চার বছর বয়সী শিশু কন্যা শেহেরিশ। দুর্ঘটনায় আহত জনির মা মনোয়ারা বেগম, স্ত্রী সাবরিনা জাহান এবং ছেলে সামিন আল মাসকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।

বারোবাজার হাইওয়ে পুলিশ জানিয়েছে, নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে তাদের বহনকারী প্রাইভেট কারটি রাস্তার পাশে একটি বড় গাছের সঙ্গে সজোরে ধাক্কা খায়। এতে ঘটনাস্থলেই জনি ও তার বাবা মারা যান এবং হাসপাতালে নেওয়ার পথে শিশুটির মৃত্যু হয়। নিহতের স্বজন ও সহকর্মীরা জানিয়েছেন, পরিবারটি বেড়ানো শেষে ফেরার পথেই এই শোকাবহ ঘটনার শিকার হয়েছে।