মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবসসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ দিবসে জাতীয় পতাকার মর্যাদা রক্ষায় এবং সঠিক ব্যবহার নিশ্চিত করতে ‘জাতীয় পতাকা বিধিমালা’ যথাযথভাবে অনুসরণের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। ১৯৭২ সালে প্রণীত এবং ২০১০ সালে সংশোধিত এই বিধিমালা মেনে চলা দেশের প্রতিটি নাগরিকের সাংবিধানিক দায়িত্ব।
সংবিধান অনুযায়ী, বাংলাদেশের জাতীয় পতাকা হবে সবুজ আয়তাকার ক্ষেত্রের ওপর স্থাপিত রক্তবর্ণের একটি ভরাট বৃত্ত। পতাকার দৈর্ঘ্য ও প্রস্থের অনুপাত হবে ১০:৬। ভবনের আকারভেদে পতাকা ব্যবহারের তিনটি সুনির্দিষ্ট মাপ রয়েছে—১০:৬, ৫:৩ এবং ২.৫:১.৫। পতাকার মাঝখানের লাল বৃত্তটির ব্যাসার্ধ হবে দৈর্ঘ্যের পাঁচ ভাগের এক ভাগ।
সরকারি নির্দেশনায় বলা হয়েছে, কোনো অবস্থাতেই জাতীয় পতাকা দিয়ে যানবাহন বা নৌযানের কোনো অংশ ঢাকা যাবে না। এছাড়া বাংলাদেশের পতাকার ওপরে অন্য কোনো দেশের বা অন্য কোনো রঙের পতাকা উত্তোলন করা সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ। দেয়ালে প্রদর্শনের ক্ষেত্রে পতাকাটি অবশ্যই সমতলে রাখতে হবে এবং জনসভায় বক্তার পেছনে ওপরের দিকে স্থাপন করতে হবে।
পতাকা ব্যবহারের ক্ষেত্রে আরও কিছু শিষ্টাচার মেনে চলা বাধ্যতামূলক। যেমন—কবরস্থানে পতাকা নিচু করা বা ভূমি স্পর্শ করানো যাবে না। পতাকা সব সময় সসম্মানে দ্রুততার সাথে উত্তোলন করতে হবে এবং নামানোর সময় ধীরস্থিরভাবে সস্মানে নামাতে হবে। জাতীয় সংগীত বাজার সময় উপস্থিত সবাইকে পতাকার দিকে মুখ করে দাঁড়িয়ে সম্মান প্রদর্শন করতে হবে। এছাড়া পতাকার ওপর কোনো কিছু লেখা বা মুদ্রণ করা আইনত দণ্ডনীয় অপরাধ।
রিপোর্টারের নাম 
























