ঢাকা ০৪:৪৬ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২০ এপ্রিল ২০২৬

কুমিল্লায় ট্রেন-বাস সংঘর্ষে ঝিনাইদহের যুবক নিহত, স্বজনদের আহাজারি

কুমিল্লার পদুয়া বাজার এলাকায় একটি ভয়াবহ ট্রেন ও বাসের মুখোমুখি সংঘর্ষে ঝিনাইদহের এক যুবক নিহত হয়েছেন। রবিবার ভোরে সংঘটিত এই মর্মান্তিক দুর্ঘটনায় অন্তত ১২ জন যাত্রী প্রাণ হারিয়েছেন।

নিহত জোহাদ হোসেন (২৪) ঝিনাইদহ সদর উপজেলার ১০নং হরিশংকরপুর ইউনিয়নের পানামী গ্রামের বাসিন্দা। তিনি ওই গ্রামের মুক্তার হোসেনের একমাত্র ছেলে। পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, ঈদের নামাজ শেষে জোহাদ হোসেন নোয়াখালীতে শ্বশুরবাড়ির উদ্দেশ্যে রওনা হয়েছিলেন।

ভোর আনুমানিক ৩টা ১০ মিনিটে কুমিল্লার পদুয়া বাজার এলাকায় একটি যাত্রীবাহী বাসের সঙ্গে ট্রেনের মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়। সংঘর্ষটি এতটাই ভয়াবহ ছিল যে ঘটনাস্থলেই বহু যাত্রী নিহত হন, যাদের মধ্যে জোহাদ হোসেনও ছিলেন।

জোহাদের মৃত্যুর খবর গ্রামে পৌঁছালে পানামী এলাকায় শোকের ছায়া নেমে আসে। স্বজনদের আহাজারিতে ভারী হয়ে ওঠে পরিবেশ। একমাত্র সন্তানকে হারিয়ে তার বাবা মুক্তার হোসেন বাকরুদ্ধ হয়ে পড়েছেন। এ ঘটনায় স্থানীয় জনপ্রতিনিধি ও বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ গভীর শোক প্রকাশ করেছেন এবং নিহতের আত্মার মাগফেরাত কামনা করে শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানিয়েছেন।

এদিকে, দুর্ঘটনার কারণ অনুসন্ধানে রেলওয়ে কর্তৃপক্ষ একটি তদন্ত কমিটি গঠন করেছে। আইনি প্রক্রিয়া শেষে জোহাদ হোসেনের লাশ ঝিনাইদহে আনার প্রস্তুতি চলছে বলে পরিবার সূত্রে জানা গেছে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

ওমান সাগরে ইরানি জাহাজ জব্দের মার্কিন চেষ্টা নস্যাৎ করার দাবি

কুমিল্লায় ট্রেন-বাস সংঘর্ষে ঝিনাইদহের যুবক নিহত, স্বজনদের আহাজারি

আপডেট সময় : ০৭:৪৯:১৫ অপরাহ্ন, রবিবার, ২২ মার্চ ২০২৬

কুমিল্লার পদুয়া বাজার এলাকায় একটি ভয়াবহ ট্রেন ও বাসের মুখোমুখি সংঘর্ষে ঝিনাইদহের এক যুবক নিহত হয়েছেন। রবিবার ভোরে সংঘটিত এই মর্মান্তিক দুর্ঘটনায় অন্তত ১২ জন যাত্রী প্রাণ হারিয়েছেন।

নিহত জোহাদ হোসেন (২৪) ঝিনাইদহ সদর উপজেলার ১০নং হরিশংকরপুর ইউনিয়নের পানামী গ্রামের বাসিন্দা। তিনি ওই গ্রামের মুক্তার হোসেনের একমাত্র ছেলে। পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, ঈদের নামাজ শেষে জোহাদ হোসেন নোয়াখালীতে শ্বশুরবাড়ির উদ্দেশ্যে রওনা হয়েছিলেন।

ভোর আনুমানিক ৩টা ১০ মিনিটে কুমিল্লার পদুয়া বাজার এলাকায় একটি যাত্রীবাহী বাসের সঙ্গে ট্রেনের মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়। সংঘর্ষটি এতটাই ভয়াবহ ছিল যে ঘটনাস্থলেই বহু যাত্রী নিহত হন, যাদের মধ্যে জোহাদ হোসেনও ছিলেন।

জোহাদের মৃত্যুর খবর গ্রামে পৌঁছালে পানামী এলাকায় শোকের ছায়া নেমে আসে। স্বজনদের আহাজারিতে ভারী হয়ে ওঠে পরিবেশ। একমাত্র সন্তানকে হারিয়ে তার বাবা মুক্তার হোসেন বাকরুদ্ধ হয়ে পড়েছেন। এ ঘটনায় স্থানীয় জনপ্রতিনিধি ও বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ গভীর শোক প্রকাশ করেছেন এবং নিহতের আত্মার মাগফেরাত কামনা করে শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানিয়েছেন।

এদিকে, দুর্ঘটনার কারণ অনুসন্ধানে রেলওয়ে কর্তৃপক্ষ একটি তদন্ত কমিটি গঠন করেছে। আইনি প্রক্রিয়া শেষে জোহাদ হোসেনের লাশ ঝিনাইদহে আনার প্রস্তুতি চলছে বলে পরিবার সূত্রে জানা গেছে।