কুমিল্লায় এক হৃদয়বিদারক ট্রেন-বাস সংঘর্ষে একই পরিবারের তিনজন নিহত হলেও অলৌকিকভাবে বেঁচে গেছেন পরিবারের প্রধান। ঝিনাইদহের মহেশপুর উপজেলার পাতিবিলা গ্রামের পিন্টু ইসলাম তার স্ত্রী লাইজু আক্তার (২৬) এবং দুই মেয়ে মরিয়ম (৩) ও খাদিজা (৬) কে নিয়ে ঢাকা যাচ্ছিলেন। কিন্তু ঢাকার সায়দাবাদ বাসস্ট্যান্ডে নেমে যাওয়ায় তিনি এই ভয়াবহ দুর্ঘটনা থেকে রক্ষা পান।
পিন্টু ইসলাম জানান, শনিবার সন্ধ্যা ছয়টায় তারা ঝিনাইদহ বাসস্ট্যান্ড থেকে ঢাকার উদ্দেশ্যে রওনা হন। ঢাকায় পৌঁছে রাত এগারোটায় তিনি তার প্রবাসফেরত শ্যালককে বিমানবন্দরে অভ্যর্থনা জানাতে সায়দাবাদে নেমে পড়েন। তার স্ত্রী ও দুই সন্তানের লক্ষ্মীপুর বাসস্ট্যান্ডে নামার কথা ছিল।
পরিবারের সদস্যদের মরদেহ নিতে এসে শোকে মুহ্যমান পিন্টু ইসলাম জানান, রাত ২টার দিকে তার স্ত্রীর সঙ্গে শেষ কথা হয়। এরপর রাত ৩টার পর আর ফোনে লাইজুকে পাচ্ছিলেন না। পরে তিনি জানতে পারেন কুমিল্লায় বাস দুর্ঘটনার খবর। দ্রুত কুমিল্লায় পৌঁছে তিনি দেখতে পান তার স্ত্রী ও দুই কন্যা সন্তান মর্মান্তিক দুর্ঘটনায় নিহত হয়েছেন। পিন্টু ইসলাম বলেন, “আমার সব শেষ হয়ে গেছে।”
রিপোর্টারের নাম 

























