পবিত্র ঈদুল ফিতর উপলক্ষে দেশের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ পাটুরিয়া-দৌলতদিয়া নৌরুটে এবার ঈদে ঘরমুখো মানুষের তেমন ভিড় লক্ষ্য করা যায়নি। প্রতি বছর এই সময়ে যেখানে যাত্রী ও যানবাহনের তীব্র চাপ থাকে, সেখানে এবার ঘাট এলাকা অনেকটাই ফাঁকা।
শুক্রবার সকালের দিকে কিছুটা ব্যস্ততা দেখা গেলেও দুপুরের পর থেকে পরিস্থিতি অনেকটাই স্বাভাবিক হয়ে আসে। ঘাটগুলোতে অলস সময় পার করছে অনেক ফেরি, কারণ যাত্রী ও যানবাহনের অভাবে নির্ধারিত সময়েও তাদের চলতে সমস্যা হচ্ছে। দীর্ঘ যানজট বা গাড়ির সারি এখানে অনুপস্থিত, বরং ফেরিগুলোই যাত্রী ও গাড়ির জন্য অপেক্ষা করছে।
সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো জানাচ্ছে, সড়ক যোগাযোগ ব্যবস্থার অভূতপূর্ব উন্নয়ন, বিশেষ করে পদ্মা সেতুর উদ্বোধনের পর থেকে এই নৌরুটে যানবাহনের চাপ উল্লেখযোগ্যভাবে কমে গেছে। এর ফলে ঈদের মতো busiest সময়েও যাত্রীদের তেমন কোনো ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে না।
ঘাট এলাকার দায়িত্বরত কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, পরিস্থিতি সম্পূর্ণ স্বাভাবিক ও স্বস্তিদায়ক। যাত্রীরা কোনো রকম ঝঞ্ঝাট ছাড়াই দ্রুত নদী পার হতে পারছেন। বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহন কর্পোরেশনের (বিআইডব্লিউটিসি) উপ-মহাব্যবস্থাপক আব্দুস সালাম জানিয়েছেন, ঈদ যাত্রা নির্বিঘ্ন করতে পাটুরিয়া-দৌলতদিয়া নৌপথে ১৭টি ফেরি এবং আরিচা-কাজিরহাট নৌপথে ৫টি ফেরি চলাচল করছে। এছাড়া ৩৩টি লঞ্চের মাধ্যমেও যাত্রী পারাপার নিশ্চিত করা হচ্ছে।
যাত্রীরাও জানিয়েছেন, গতবারের তুলনায় এবার নদী পারাপার অনেক সহজ হয়েছে। কোনো চাপ বা দীর্ঘ অপেক্ষা না থাকায় তারা স্বস্তিতে রয়েছেন। সব মিলিয়ে, এই ঈদে পাটুরিয়া-দৌলতদিয়া নৌরুটে নেই পুরনো দিনের সেই ভিড় ও ভোগান্তি; বরং ফাঁকা ঘাট আর অপেক্ষমাণ ফেরির চিত্রই বেশি চোখে পড়ছে।
রিপোর্টারের নাম 























