ঢাকা ১১:৫৫ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১১ জুন ২০২৬

রমজানের বিদায়লগ্নে যে তিনটি আমল অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ

পবিত্র মাহে রমজান আমাদের মাঝ থেকে বিদায় নিচ্ছে। ইবাদত-বন্দেগির এই মাসটিকে সার্থকভাবে শেষ করার সর্বোত্তম উপায় হলো মহান আল্লাহর কাছে বেশি বেশি ক্ষমা প্রার্থনা করা। যেকোনো নেক আমলের সমাপ্তি তওবা ও ইস্তিগফারের মাধ্যমে হওয়া অত্যন্ত কল্যাণকর। রমজানের এই শেষ দিনগুলোতে মুমিনদের জন্য তিনটি বিশেষ কাজ করা জরুরি।

প্রথমত, বেশি বেশি তওবা-ইস্তিগফার করা। মানুষ হিসেবে রোজা পালনে আমাদের নানা ধরনের ত্রুটি-বিচ্যুতি হতে পারে। এই ভুলগুলো সংশোধনের জন্য আল্লাহর দরবারে কান্নাকাটি করা প্রয়োজন। দ্বিতীয়ত, দ্রুত সদকাতুল ফিতর আদায় নিশ্চিত করা। এটি রোজার ভুলত্রুটির ক্ষতিপূরণ হিসেবে কাজ করে এবং অসহায় মানুষের ঈদের আনন্দ নিশ্চিত করে।

তৃতীয়ত, সময়ের সঠিক মূল্যায়ন করা। রমজানের এই ক্ষণস্থায়ী রূপ আমাদের জীবনের নশ্বরতাকেই স্মরণ করিয়ে দেয়। তাই এই পবিত্র মাসের শিক্ষাকে ধারণ করে আগামী দিনগুলোতেও আল্লাহর সঙ্গে মজবুত সম্পর্ক বজায় রাখার সংকল্প করতে হবে। শুধু ইবাদত করাই যথেষ্ট নয়, বরং তা আল্লাহর দরবারে কবুল হওয়ার জন্য কায়মনোবাক্যে দোয়া করা প্রত্যেক মুসলিমের কর্তব্য।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

কৃষিপণ্যের অপচয় রোধে এক হাজার হিমাগার তৈরির মহাপরিকল্পনা সরকারের

রমজানের বিদায়লগ্নে যে তিনটি আমল অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ

আপডেট সময় : ১০:৫৮:১৪ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৭ মার্চ ২০২৬

পবিত্র মাহে রমজান আমাদের মাঝ থেকে বিদায় নিচ্ছে। ইবাদত-বন্দেগির এই মাসটিকে সার্থকভাবে শেষ করার সর্বোত্তম উপায় হলো মহান আল্লাহর কাছে বেশি বেশি ক্ষমা প্রার্থনা করা। যেকোনো নেক আমলের সমাপ্তি তওবা ও ইস্তিগফারের মাধ্যমে হওয়া অত্যন্ত কল্যাণকর। রমজানের এই শেষ দিনগুলোতে মুমিনদের জন্য তিনটি বিশেষ কাজ করা জরুরি।

প্রথমত, বেশি বেশি তওবা-ইস্তিগফার করা। মানুষ হিসেবে রোজা পালনে আমাদের নানা ধরনের ত্রুটি-বিচ্যুতি হতে পারে। এই ভুলগুলো সংশোধনের জন্য আল্লাহর দরবারে কান্নাকাটি করা প্রয়োজন। দ্বিতীয়ত, দ্রুত সদকাতুল ফিতর আদায় নিশ্চিত করা। এটি রোজার ভুলত্রুটির ক্ষতিপূরণ হিসেবে কাজ করে এবং অসহায় মানুষের ঈদের আনন্দ নিশ্চিত করে।

তৃতীয়ত, সময়ের সঠিক মূল্যায়ন করা। রমজানের এই ক্ষণস্থায়ী রূপ আমাদের জীবনের নশ্বরতাকেই স্মরণ করিয়ে দেয়। তাই এই পবিত্র মাসের শিক্ষাকে ধারণ করে আগামী দিনগুলোতেও আল্লাহর সঙ্গে মজবুত সম্পর্ক বজায় রাখার সংকল্প করতে হবে। শুধু ইবাদত করাই যথেষ্ট নয়, বরং তা আল্লাহর দরবারে কবুল হওয়ার জন্য কায়মনোবাক্যে দোয়া করা প্রত্যেক মুসলিমের কর্তব্য।