ঢাকা ০২:৩৮ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১১ জুন ২০২৬

তিস্তার পানি বিপৎসীমার কাছাকাছি, প্লাবিত হওয়ার শঙ্কায় লালমনিরহাটের চরাঞ্চল

ভারী বৃষ্টিপাত ও ভারতের উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢলে তিস্তা নদীর পানি আশঙ্কাজনক হারে বৃদ্ধি পাচ্ছে। এতে লালমনিরহাট জেলার নদীতীরবর্তী নিম্নাঞ্চলগুলো প্লাবিত হওয়ার তীব্র ঝুঁকি তৈরি হয়েছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে ডালিয়া পয়েন্টে তিস্তা ব্যারাজের ৪৪টি জলকপাট খুলে দিয়েছে পানি উন্নয়ন বোর্ড (পাউবো)। বর্তমানে নদীর পানি বিপৎসীমার মাত্র ৩৫ সেন্টিমিটার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে, যা চরাঞ্চলবাসীর মধ্যে বন্যার আতঙ্ক ছড়িয়ে দিয়েছে।

স্থানীয় বাসিন্দারা জানিয়েছেন, বৃষ্টির চেয়েও ভারতের গজলডোবা ব্যারাজ থেকে ছেড়ে দেওয়া পানিই তাদের মূল উদ্বেগের কারণ। ইতিমধ্যে হাতীবান্ধা, পাটগ্রাম ও আদিতমারী উপজেলার বেশ কিছু চরাঞ্চল এবং নিম্নাঞ্চলে পানি প্রবেশ করতে শুরু করেছে। পাউবোর কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, উজানের ঢল অব্যাহত থাকলে যেকোনো সময় বিপৎসীমা অতিক্রম করতে পারে পানি। দীর্ঘদিনের দাবি সত্ত্বেও তিস্তা মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়ন না হওয়ায় প্রতি বছর এমন দুর্যোগের মুখে পড়তে হচ্ছে বলে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন স্থানীয়রা।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

তিন দেশের যৌথ আয়োজনে ২০২৬ বিশ্বকাপ: ফুটবল ইতিহাসে নতুন অধ্যায়

তিস্তার পানি বিপৎসীমার কাছাকাছি, প্লাবিত হওয়ার শঙ্কায় লালমনিরহাটের চরাঞ্চল

আপডেট সময় : ০১:০১:৩০ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১১ জুন ২০২৬

ভারী বৃষ্টিপাত ও ভারতের উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢলে তিস্তা নদীর পানি আশঙ্কাজনক হারে বৃদ্ধি পাচ্ছে। এতে লালমনিরহাট জেলার নদীতীরবর্তী নিম্নাঞ্চলগুলো প্লাবিত হওয়ার তীব্র ঝুঁকি তৈরি হয়েছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে ডালিয়া পয়েন্টে তিস্তা ব্যারাজের ৪৪টি জলকপাট খুলে দিয়েছে পানি উন্নয়ন বোর্ড (পাউবো)। বর্তমানে নদীর পানি বিপৎসীমার মাত্র ৩৫ সেন্টিমিটার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে, যা চরাঞ্চলবাসীর মধ্যে বন্যার আতঙ্ক ছড়িয়ে দিয়েছে।

স্থানীয় বাসিন্দারা জানিয়েছেন, বৃষ্টির চেয়েও ভারতের গজলডোবা ব্যারাজ থেকে ছেড়ে দেওয়া পানিই তাদের মূল উদ্বেগের কারণ। ইতিমধ্যে হাতীবান্ধা, পাটগ্রাম ও আদিতমারী উপজেলার বেশ কিছু চরাঞ্চল এবং নিম্নাঞ্চলে পানি প্রবেশ করতে শুরু করেছে। পাউবোর কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, উজানের ঢল অব্যাহত থাকলে যেকোনো সময় বিপৎসীমা অতিক্রম করতে পারে পানি। দীর্ঘদিনের দাবি সত্ত্বেও তিস্তা মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়ন না হওয়ায় প্রতি বছর এমন দুর্যোগের মুখে পড়তে হচ্ছে বলে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন স্থানীয়রা।