ঢাকা ০৫:৪২ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ এপ্রিল ২০২৬

দুবাইয়ে প্রবাসীর মৃত্যু: ১০ দিনেও দেশে ফেরেনি মরদেহ, অপেক্ষায় শোকাতুর পরিবার

জীবিকার তাগিদে সুদূর প্রবাসে পাড়ি জমিয়েছিলেন টাঙ্গাইলের সাজেদুল (৫০)। কিন্তু বিদেশের মাটিতেই হৃদযন্ত্রের ক্রিয়া বন্ধ হয়ে না ফেরার দেশে চলে গেছেন তিনি। গত ৭ মার্চ দুবাইয়ের শেখ খলিফা হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তাঁর মৃত্যু হয়। মৃত্যুর ১০ দিন পেরিয়ে গেলেও আইনি জটিলতা আর দাপ্তরিক ধীরগতির কারণে তাঁর মরদেহ এখনো দেশে আনা সম্ভব হয়নি। স্বজনদের শেষ ইচ্ছা ছিল ঈদের আগে অন্তত প্রিয়জনের মরদেহটি দাফন করার, কিন্তু সেই আশাও এখন ফিকে হয়ে আসছে।

নিহত সাজেদুল টাঙ্গাইলের মির্জাপুর উপজেলার ভাদগ্রাম ইউনিয়নের গোড়াইল গ্রামের বাসিন্দা। পরিবার সূত্রে জানা গেছে, ভিসার মেয়াদ সংক্রান্ত জটিলতার কারণে তিনি দীর্ঘদিন দেশে ফিরতে পারছিলেন না। অসুস্থ বোধ করায় দেশে ফেরার প্রস্তুতি নিচ্ছিলেন, কিন্তু তার আগেই মৃত্যু তাঁকে ছিনিয়ে নেয়। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে তাঁর মৃত্যুর খবর পেয়ে কান্নায় ভেঙে পড়েন পরিবারের সদস্যরা।

নিহতের ভাই মাসুদ পারভেজ অভিযোগ করেছেন, মরদেহ দ্রুত দেশে ফিরিয়ে আনতে প্রবাসী কল্যাণ সংশ্লিষ্ট দপ্তরগুলোতে যোগাযোগ করা হলেও আশানুরূপ সহযোগিতা পাওয়া যাচ্ছে না। এদিকে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, ঈদের ছুটির কারণে বর্তমানে দাপ্তরিক প্রক্রিয়াগুলো কিছুটা স্থবির হয়ে পড়েছে। তবে ছুটির পর দ্রুততম সময়ের মধ্যে মরদেহ দেশে পাঠানোর প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে বলে আশ্বাস দিয়েছেন তাঁরা।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

রাজধানীর ছয় থানা এলাকায় পুলিশের বিশেষ অভিযানে ৬০ জন গ্রেপ্তার

দুবাইয়ে প্রবাসীর মৃত্যু: ১০ দিনেও দেশে ফেরেনি মরদেহ, অপেক্ষায় শোকাতুর পরিবার

আপডেট সময় : ১০:৫৬:৩৯ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৭ মার্চ ২০২৬

জীবিকার তাগিদে সুদূর প্রবাসে পাড়ি জমিয়েছিলেন টাঙ্গাইলের সাজেদুল (৫০)। কিন্তু বিদেশের মাটিতেই হৃদযন্ত্রের ক্রিয়া বন্ধ হয়ে না ফেরার দেশে চলে গেছেন তিনি। গত ৭ মার্চ দুবাইয়ের শেখ খলিফা হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তাঁর মৃত্যু হয়। মৃত্যুর ১০ দিন পেরিয়ে গেলেও আইনি জটিলতা আর দাপ্তরিক ধীরগতির কারণে তাঁর মরদেহ এখনো দেশে আনা সম্ভব হয়নি। স্বজনদের শেষ ইচ্ছা ছিল ঈদের আগে অন্তত প্রিয়জনের মরদেহটি দাফন করার, কিন্তু সেই আশাও এখন ফিকে হয়ে আসছে।

নিহত সাজেদুল টাঙ্গাইলের মির্জাপুর উপজেলার ভাদগ্রাম ইউনিয়নের গোড়াইল গ্রামের বাসিন্দা। পরিবার সূত্রে জানা গেছে, ভিসার মেয়াদ সংক্রান্ত জটিলতার কারণে তিনি দীর্ঘদিন দেশে ফিরতে পারছিলেন না। অসুস্থ বোধ করায় দেশে ফেরার প্রস্তুতি নিচ্ছিলেন, কিন্তু তার আগেই মৃত্যু তাঁকে ছিনিয়ে নেয়। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে তাঁর মৃত্যুর খবর পেয়ে কান্নায় ভেঙে পড়েন পরিবারের সদস্যরা।

নিহতের ভাই মাসুদ পারভেজ অভিযোগ করেছেন, মরদেহ দ্রুত দেশে ফিরিয়ে আনতে প্রবাসী কল্যাণ সংশ্লিষ্ট দপ্তরগুলোতে যোগাযোগ করা হলেও আশানুরূপ সহযোগিতা পাওয়া যাচ্ছে না। এদিকে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, ঈদের ছুটির কারণে বর্তমানে দাপ্তরিক প্রক্রিয়াগুলো কিছুটা স্থবির হয়ে পড়েছে। তবে ছুটির পর দ্রুততম সময়ের মধ্যে মরদেহ দেশে পাঠানোর প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে বলে আশ্বাস দিয়েছেন তাঁরা।