ঢাকা ০৭:৩৩ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ এপ্রিল ২০২৬

হবিগঞ্জে নিজ বসতঘর থেকে বৃদ্ধার হাত-পা বাঁধা মরদেহ উদ্ধার

হবিগঞ্জের নবীগঞ্জ উপজেলায় ফেরদৌসী ইসলাম চৌধুরী (৬৩) নামে এক বৃদ্ধার রহস্যজনক মৃত্যু হয়েছে। সোমবার সকালে উপজেলার ইনাতগঞ্জ ইউনিয়নের লামনীপাড়া গ্রামে নিজ বসতঘর থেকে তার হাত-পা বাঁধা মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। নিহত ফেরদৌসী ওই গ্রামের বাসিন্দা ছিলেন। সকালে স্বজনরা তাকে ঘরের মেঝেতে নিথর অবস্থায় পড়ে থাকতে দেখে চিৎকার শুরু করলে স্থানীয়রা ঘটনাস্থলে জড়ো হন।

পুলিশ জানায়, মরদেহটি যখন উদ্ধার করা হয়, তখন বৃদ্ধার হাত ও পা রশি দিয়ে শক্ত করে বাঁধা ছিল এবং মুখ কস্টেপ দিয়ে পেঁচানো ছিল। খবর পেয়ে নবীগঞ্জ থানা পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরি করে এবং ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহটি হবিগঞ্জ সদর আধুনিক হাসপাতাল মর্গে প্রেরণ করে। মরদেহের ধরন দেখে এটি একটি পরিকল্পিত হত্যাকাণ্ড বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করছে পুলিশ ও স্থানীয়রা।

নবীগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোনায়েম মিয়া জানিয়েছেন, হত্যাকাণ্ডের প্রকৃত কারণ এখনো স্পষ্ট নয়। এটি কোনো চুরি বা ডাকাতির ঘটনা নাকি পূর্ব শত্রুতার জেরে ঘটানো হয়েছে, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। অপরাধীদের শনাক্ত করতে এবং ঘটনার রহস্য উদঘাটনে পুলিশের একাধিক টিম কাজ শুরু করেছে। খুব দ্রুতই জড়িতদের আইনের আওতায় আনা হবে বলে আশ্বাস দিয়েছে পুলিশ।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

রাজধানীর ছয় থানা এলাকায় পুলিশের বিশেষ অভিযানে ৬০ জন গ্রেপ্তার

হবিগঞ্জে নিজ বসতঘর থেকে বৃদ্ধার হাত-পা বাঁধা মরদেহ উদ্ধার

আপডেট সময় : ০৭:১৪:২৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৭ মার্চ ২০২৬

হবিগঞ্জের নবীগঞ্জ উপজেলায় ফেরদৌসী ইসলাম চৌধুরী (৬৩) নামে এক বৃদ্ধার রহস্যজনক মৃত্যু হয়েছে। সোমবার সকালে উপজেলার ইনাতগঞ্জ ইউনিয়নের লামনীপাড়া গ্রামে নিজ বসতঘর থেকে তার হাত-পা বাঁধা মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। নিহত ফেরদৌসী ওই গ্রামের বাসিন্দা ছিলেন। সকালে স্বজনরা তাকে ঘরের মেঝেতে নিথর অবস্থায় পড়ে থাকতে দেখে চিৎকার শুরু করলে স্থানীয়রা ঘটনাস্থলে জড়ো হন।

পুলিশ জানায়, মরদেহটি যখন উদ্ধার করা হয়, তখন বৃদ্ধার হাত ও পা রশি দিয়ে শক্ত করে বাঁধা ছিল এবং মুখ কস্টেপ দিয়ে পেঁচানো ছিল। খবর পেয়ে নবীগঞ্জ থানা পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরি করে এবং ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহটি হবিগঞ্জ সদর আধুনিক হাসপাতাল মর্গে প্রেরণ করে। মরদেহের ধরন দেখে এটি একটি পরিকল্পিত হত্যাকাণ্ড বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করছে পুলিশ ও স্থানীয়রা।

নবীগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোনায়েম মিয়া জানিয়েছেন, হত্যাকাণ্ডের প্রকৃত কারণ এখনো স্পষ্ট নয়। এটি কোনো চুরি বা ডাকাতির ঘটনা নাকি পূর্ব শত্রুতার জেরে ঘটানো হয়েছে, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। অপরাধীদের শনাক্ত করতে এবং ঘটনার রহস্য উদঘাটনে পুলিশের একাধিক টিম কাজ শুরু করেছে। খুব দ্রুতই জড়িতদের আইনের আওতায় আনা হবে বলে আশ্বাস দিয়েছে পুলিশ।