আগামী মঙ্গলবার দিবাগত রাতে পালিত হবে পবিত্র শবে কদর বা লাইলাতুল কদর। মুসলিম উম্মাহর কাছে অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ এই রাতটি ‘ভাগ্য রজনী’ হিসেবে পরিচিত। সৃষ্টির শুরু থেকেই মানুষের জীবন ও পরিবেশের ওপর নিয়ন্ত্রণের সীমাবদ্ধতা থেকে ভাগ্যের ধারণাটি বিকশিত হয়েছে। এই বিশেষ রাতে মানুষ তাদের আগামীর কল্যাণ ও সমৃদ্ধির জন্য মহান স্রষ্টার দরবারে প্রার্থনা করেন।
ঐতিহাসিকভাবেই মানুষের অজানাকে জানার কৌতূহল এবং ভবিষ্যতের গতিপ্রকৃতি অনুধাবনের চেষ্টা থেকে ভাগ্য গণনার বিভিন্ন রীতির উদ্ভব হয়েছে। তবে আধ্যাত্মিক দর্শনে ভাগ্যের বিষয়টি কেবল জাগতিক বিচার-বিশ্লেষণ নয়, বরং ঐশ্বরিক প্রজ্ঞার সাথে সম্পর্কিত। সমাজ ব্যবস্থায় বিজ্ঞানী ও চিন্তাবিদরা যখন প্রকৃতির নিয়ম দিয়ে ভবিষ্যৎ অনুধাবন করেন, তখন নবী-রাসূলগণ ঐশ্বরিক জ্ঞানের মাধ্যমে মানুষকে সঠিক পথের দিশা প্রদান করেছেন।
পবিত্র এই রজনীতে ধর্মপ্রাণ মুসলমানরা নফল ইবাদত, কোরআন তিলাওয়াত ও জিকির-আসকারের মাধ্যমে অতিবাহিত করেন। নিজেদের ভাগ্য পরিবর্তন এবং দেশ ও জাতির মঙ্গলের জন্য এই রাতে বিশেষ মোনাজাত করা হয়। আধ্যাত্মিক ও ঐশ্বরিক এই জ্ঞানের আলোকে জীবনকে নতুনভাবে সাজানোর এক পরম সুযোগ হিসেবে দেখা হয় এই মহিমান্বিত রাতকে।
রিপোর্টারের নাম 
























