ঢাকা ০৯:০৩ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৬ মার্চ ২০২৬

মানসিক চাপের নেতিবাচক প্রভাব: বাড়ছে হৃদরোগ ও হার্ট অ্যাটাকের ঝুঁকি

অতিরিক্ত মানসিক চাপ ও দীর্ঘস্থায়ী দুশ্চিন্তা বর্তমান সময়ে হৃদরোগের অন্যতম প্রধান কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। চিকিৎসকদের মতে, সাময়িক উত্তেজনা শরীর সহ্য করতে পারলেও দীর্ঘমেয়াদি মানসিক চাপ হার্ট অ্যাটাকের ঝুঁকি বহুগুণ বাড়িয়ে দেয়। বিশেষ করে তরুণ প্রজন্মের মধ্যে এই প্রবণতা এখন উদ্বেগজনক পর্যায়ে পৌঁছেছে।

গবেষণায় দেখা গেছে, মন ও শরীর নিবিড়ভাবে সম্পর্কযুক্ত। অতিরিক্ত মানসিক চাপের ফলে শরীরের স্নায়ুতন্ত্রে বিরূপ প্রভাব পড়ে, যা হৃদযন্ত্রের স্বাভাবিক কার্যকারিতা কমিয়ে দেয়। বিশ্বের ৫২টি দেশে পরিচালিত একটি গবেষণার তথ্য অনুযায়ী, যারা দীর্ঘ সময় ধরে তীব্র মানসিক চাপে ভোগেন, তাদের হৃদরোগে আক্রান্ত হওয়ার সম্ভাবনা সাধারণ মানুষের তুলনায় প্রায় দ্বিগুণ।

মানসিক চাপের কারণে শরীরে বিভিন্ন লক্ষণ প্রকাশ পায়। অস্থিরতা, অনিদ্রা, বুক ধড়ফড় করা এবং দ্রুত হৃদস্পন্দনের মতো সমস্যাগুলো অবহেলা করা উচিত নয়। চিকিৎসকদের পরামর্শ অনুযায়ী, নিয়মিত ব্যায়াম, ইতিবাচক চিন্তা এবং শখের কাজে নিজেকে ব্যস্ত রাখার মাধ্যমে এই ঝুঁকি কমানো সম্ভব। কাজের পাশাপাশি পরিবারকে সময় দেওয়া এবং মানসিক প্রশান্তির জন্য প্রয়োজনে বিরতি নেওয়া অত্যন্ত জরুরি।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

হানিফ সংকেতের নতুন চমক: আসছে ঈদ নাটক ‘ভালোবেসে অবশেষে’

মানসিক চাপের নেতিবাচক প্রভাব: বাড়ছে হৃদরোগ ও হার্ট অ্যাটাকের ঝুঁকি

আপডেট সময় : ০৭:০৪:৩৬ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৬ মার্চ ২০২৬

অতিরিক্ত মানসিক চাপ ও দীর্ঘস্থায়ী দুশ্চিন্তা বর্তমান সময়ে হৃদরোগের অন্যতম প্রধান কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। চিকিৎসকদের মতে, সাময়িক উত্তেজনা শরীর সহ্য করতে পারলেও দীর্ঘমেয়াদি মানসিক চাপ হার্ট অ্যাটাকের ঝুঁকি বহুগুণ বাড়িয়ে দেয়। বিশেষ করে তরুণ প্রজন্মের মধ্যে এই প্রবণতা এখন উদ্বেগজনক পর্যায়ে পৌঁছেছে।

গবেষণায় দেখা গেছে, মন ও শরীর নিবিড়ভাবে সম্পর্কযুক্ত। অতিরিক্ত মানসিক চাপের ফলে শরীরের স্নায়ুতন্ত্রে বিরূপ প্রভাব পড়ে, যা হৃদযন্ত্রের স্বাভাবিক কার্যকারিতা কমিয়ে দেয়। বিশ্বের ৫২টি দেশে পরিচালিত একটি গবেষণার তথ্য অনুযায়ী, যারা দীর্ঘ সময় ধরে তীব্র মানসিক চাপে ভোগেন, তাদের হৃদরোগে আক্রান্ত হওয়ার সম্ভাবনা সাধারণ মানুষের তুলনায় প্রায় দ্বিগুণ।

মানসিক চাপের কারণে শরীরে বিভিন্ন লক্ষণ প্রকাশ পায়। অস্থিরতা, অনিদ্রা, বুক ধড়ফড় করা এবং দ্রুত হৃদস্পন্দনের মতো সমস্যাগুলো অবহেলা করা উচিত নয়। চিকিৎসকদের পরামর্শ অনুযায়ী, নিয়মিত ব্যায়াম, ইতিবাচক চিন্তা এবং শখের কাজে নিজেকে ব্যস্ত রাখার মাধ্যমে এই ঝুঁকি কমানো সম্ভব। কাজের পাশাপাশি পরিবারকে সময় দেওয়া এবং মানসিক প্রশান্তির জন্য প্রয়োজনে বিরতি নেওয়া অত্যন্ত জরুরি।