রাজধানীর বাজারগুলোতে নিত্যপণ্যের দাম, বিশেষ করে সবজির দামে অস্থিরতা বেড়েছে। প্রতিদিন কোনো না কোনো সবজির দাম বাড়ছে, যা সীমিত আয়ের মানুষের জন্য সংসার চালানো কঠিন করে তুলেছে। পুরান ঢাকার রায়সাহেব বাজারে বাজার করতে আসা নাসিমা আক্তার নামে এক নারী জানান, ‘আগে পরিবারের জন্য কয়েক ধরনের সবজি কিনতে পারতাম, এখন খরচের কারণে অনেক কিছুই কমিয়ে দিয়েছি। বাজারে এসে এখন সবচেয়ে বেশি চিন্তা করতে হয়, কোন জিনিসটা কম কিনলে চলবে।’
বিভিন্ন বাজার ঘুরে দেখা গেছে, অধিকাংশ সবজির দাম কেজিতে ৮০ থেকে ১২০ টাকার মধ্যে। ব্যবসায়ীরা জানিয়েছেন, টানা বৃষ্টিতে কৃষকের ক্ষতি হওয়ায় বাজারে সবজির সরবরাহ কমে গেছে। পাশাপাশি পরিবহন ব্যয় বেড়ে যাওয়ায় পাইকারি বাজার থেকেও বেশি দামে সবজি কিনতে হচ্ছে। কিছু মৌসুমি সবজির সময় শেষ হওয়ায় সংকট আরও বেড়েছে। দাম বাড়ায় ক্রেতাদের কেনার পরিমাণও কমে গেছে; যেখানে আগে একজন ক্রেতা এক কেজি সবজি কিনতেন, এখন অনেকেই আধা কেজি করে কিনছেন।
বর্তমানে বাজারে কাঁকরোল, শসা ও বেগুন সবচেয়ে বেশি দামে বিক্রি হচ্ছে। প্রতি কেজি কাঁকরোল ১২০ টাকা, গোল বেগুন ১২০ টাকা, লম্বা বেগুন ১০০ টাকা, দেশি শসা ১২০ টাকা এবং হাইব্রিড শসা ১০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। এছাড়া পটোল ৮০ টাকা, করলা ৮০ টাকা, ঝিঙা ১০০ টাকা, চিচিঙ্গা ১০০ টাকা, ধুন্দল ১০০ টাকা, ঢ্যাঁড়স ৬০ টাকা, পেঁপে ৮০ থেকে ১০০ টাকা এবং টমেটো ৫০ থেকে ৬০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে।
একইভাবে, প্রতিটি লাউ ৭০ থেকে ৮০ টাকা, জালি ৬০ টাকা, কাঁচা মরিচ প্রতি কেজি ১৬০ টাকা এবং কাঁচা কলা প্রতি হালি ৪০ থেকে ৫০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। মুরগির বাজারও চড়া; প্রতি কেজি ব্রয়লার মুরগি ১৭০-১৮০ টাকা, পাকিস্তানি সোনালি মুরগি ৩৩০-৩৫০ টাকা, দেশি মুরগি ৬০০-৬৫০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। মাছের বাজারও আকারভেদে রুইমাছ ৩০০-৩৮০ টাকা, টেংরা ৪০০-৫৬০, পাবদা ৩৫০-৪০০ টাকা, মৃগেল ২২০-২৫০ টাকা, পাঙাশ ১৫০-২৫০ টাকা, তেলাপিয়া ২০০-২৫০, কাতল ৩০০-৫০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।
রিপোর্টারের নাম 























