ঢাকা ০৬:৩১ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ০৮ মে ২০২৬

ইয়ামামার রক্তক্ষয়ী যুদ্ধ: বীর সাহাবীদের আত্মত্যাগ ও নাহারুর রিজালের পতন

ইয়ামামার যুদ্ধে মুসলিম বাহিনী যখন প্রাথমিক বিপর্যয়ের সম্মুখীন, তখন সাহাবীদের অদম্য সাহসিকতা যুদ্ধের মোড় ঘুরিয়ে দিয়েছিল। যুদ্ধের এক সংকটময় মুহূর্তে হযরত জায়েদ ইবনে খাত্তাব (রা.) মুসলিম বাহিনীকে পুনর্গঠিত করতে অসামান্য ভূমিকা রাখেন। তিনি আমৃত্যু লড়াইয়ের শপথ নিয়ে বীরদর্পে শত্রুবাহিনীর ওপর ঝাঁপিয়ে পড়েন।

যুদ্ধের ময়দানে জায়েদ (রা.) বিশ্বাসঘাতক নাহারুর রিজালের মুখোমুখি হন। এই নাহার একসময় ইসলাম গ্রহণ করলেও পরবর্তীতে ধর্মত্যাগ করে মুরতাদ বাহিনীর অন্যতম সেনাপতিতে পরিণত হয়েছিল। জায়েদ (রা.)-এর আঘাতে তার মৃত্যু হলে বনু হানিফার বিশাল বাহিনীর মনোবল ভেঙে পড়ে। কারণ এই নাহারই হাজার হাজার মানুষকে বিভ্রান্ত করে ধর্মত্যাগী করেছিল। তবে নাহারকে হত্যার কিছু সময় পর আবু মারিয়াম হানাফির আঘাতে জায়েদ (রা.) শাহাদাত বরণ করেন।

জায়েদ (রা.)-এর শাহাদাতের পর মুসলিম বাহিনীর ডান দিকে বিশৃঙ্খলা দেখা দিলেও আনসারদের পতাকাবাহী সাবিত ইবনে কায়স (রা.) প্রতিরোধের ডাক দেন। যুদ্ধ চলাকালে তার একটি পা বিচ্ছিন্ন হয়ে গেলেও তিনি দমে যাননি। এক পায়ে ভর দিয়ে হামাগুড়ি দিয়েও তিনি শত্রুর দিকে অগ্রসর হতে থাকেন। ইসলামের জন্য তাঁর এই অবিশ্বাস্য আত্মত্যাগ আজও ইতিহাসের পাতায় স্বর্ণাক্ষরে লেখা রয়েছে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

চীনের সঙ্গে সম্পর্ক সুদৃঢ় করতে বিএনপির বিশেষ নৈশভোজ, রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েনের অংশগ্রহণ

ইয়ামামার রক্তক্ষয়ী যুদ্ধ: বীর সাহাবীদের আত্মত্যাগ ও নাহারুর রিজালের পতন

আপডেট সময় : ০৬:০১:৩২ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৬ মার্চ ২০২৬

ইয়ামামার যুদ্ধে মুসলিম বাহিনী যখন প্রাথমিক বিপর্যয়ের সম্মুখীন, তখন সাহাবীদের অদম্য সাহসিকতা যুদ্ধের মোড় ঘুরিয়ে দিয়েছিল। যুদ্ধের এক সংকটময় মুহূর্তে হযরত জায়েদ ইবনে খাত্তাব (রা.) মুসলিম বাহিনীকে পুনর্গঠিত করতে অসামান্য ভূমিকা রাখেন। তিনি আমৃত্যু লড়াইয়ের শপথ নিয়ে বীরদর্পে শত্রুবাহিনীর ওপর ঝাঁপিয়ে পড়েন।

যুদ্ধের ময়দানে জায়েদ (রা.) বিশ্বাসঘাতক নাহারুর রিজালের মুখোমুখি হন। এই নাহার একসময় ইসলাম গ্রহণ করলেও পরবর্তীতে ধর্মত্যাগ করে মুরতাদ বাহিনীর অন্যতম সেনাপতিতে পরিণত হয়েছিল। জায়েদ (রা.)-এর আঘাতে তার মৃত্যু হলে বনু হানিফার বিশাল বাহিনীর মনোবল ভেঙে পড়ে। কারণ এই নাহারই হাজার হাজার মানুষকে বিভ্রান্ত করে ধর্মত্যাগী করেছিল। তবে নাহারকে হত্যার কিছু সময় পর আবু মারিয়াম হানাফির আঘাতে জায়েদ (রা.) শাহাদাত বরণ করেন।

জায়েদ (রা.)-এর শাহাদাতের পর মুসলিম বাহিনীর ডান দিকে বিশৃঙ্খলা দেখা দিলেও আনসারদের পতাকাবাহী সাবিত ইবনে কায়স (রা.) প্রতিরোধের ডাক দেন। যুদ্ধ চলাকালে তার একটি পা বিচ্ছিন্ন হয়ে গেলেও তিনি দমে যাননি। এক পায়ে ভর দিয়ে হামাগুড়ি দিয়েও তিনি শত্রুর দিকে অগ্রসর হতে থাকেন। ইসলামের জন্য তাঁর এই অবিশ্বাস্য আত্মত্যাগ আজও ইতিহাসের পাতায় স্বর্ণাক্ষরে লেখা রয়েছে।