সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল মাওলানা আব্দুল হালিম বলেছেন, মাহে রমজান তাকওয়া অর্জনের এক সুবর্ণ সুযোগ। সিয়াম সাধনার মাধ্যমে একজন মুমিন পূর্ণাঙ্গ মুত্তাকি হতে পারেন এবং ব্যক্তি, পরিবার, সমাজ ও রাষ্ট্রীয় জীবনের সকল ক্ষেত্রে তাকওয়ার সঠিক চর্চা সমাজের অপরাধ, অন্যায় ও জুলুম দূর করতে সক্ষম।
শনিবার রাজধানীর একটি পাবলিক লাইব্রেরিতে বাংলাদেশ মাজলিসুল মুফাসসিরীনের উদ্যোগে আয়োজিত ‘সিয়াম ও রমাদান’ শীর্ষক আলোচনা সভা ও ইফতার মাহফিলে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এই মন্তব্য করেন। সংগঠনের সভাপতি অধ্যক্ষ মাওলানা আব্দুল হামিদের সভাপতিত্বে এবং জেনারেল সেক্রেটারি অধ্যাপক মাওলানা নুরুল আমিন এমপির সঞ্চালনায় এই অনুষ্ঠান সম্পন্ন হয়।
বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ সদস্য ও ওলামা বিভাগের সেক্রেটারি জেনারেল ড. মুফতি খলিলুর রহমান মাদানী। তিনি সুন্দর সমাজ গঠনে মুফাসসিরদের অসামান্য অবদান তুলে ধরেন এবং যেকোনো সামাজিক সংকট মোকাবিলায় তাদের অগ্রণী ভূমিকা পালনের আহ্বান জানান।
এছাড়াও তা‘মীরুল মিল্লাত কামিল মাদরাসার সাবেক অধ্যক্ষ শাইখুল হাদিস মাওলানা যাইনুল আবেদীন, নীলফামারী জেলা আমির অধ্যক্ষ মাওলানা আব্দুস সাত্তার, হাফেজ মাওলানা মুনতাকিম, মুফতি আমির হামজা, অধ্যক্ষ মাওলানা মোশাররফ হোসাইন, ড. মাওলানা হাবিবুর রহমান, হেফাজতে ইসলামের নায়েবে আমির মাওলানা আহমদ আলী কাসেমী, যুগ্ম মহাসচিব মুফতি ফখরুল ইসলাম, ড. আ ন ম রশিদ আহমাদ মাদানী এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সহকারী প্রক্টর ড. রফিকুল ইসলামসহ আরও অনেকে অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন।
ইফতার মাহফিলে মাজলিসের কেন্দ্রীয় সহ-সভাপতি মাওলানা আব্দুল মোমেন নাসেরী, সহকারী জেনারেল সেক্রেটারি মাওলানা ফখরুদ্দিন আহমাদ, মুহাদ্দিস মাহমুদুল হাসান, অর্থ সম্পাদক হাফেজ মাওলানা জাহিদুল ইসলাম, দপ্তর সম্পাদক মাও এ এইচ এম আবুল কালাম আযাদ, ড. মুফতি জাকারিয়া নুর, মাওলানা আব্দুল কাহহার নেসারী, মুফতি মাসুম বিল্লাহ মাদানী প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।
রিপোর্টারের নাম 
























