ঢাকা ০৬:৪০ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৫ মার্চ ২০২৬

চট্টগ্রাম বন্দরে কন্টেইনার জট কমাতে ৩৭৮ কন্টেইনার পণ্য ই-নিলামে

চট্টগ্রাম কাস্টমস হাউস বন্দরের কন্টেইনার জট নিরসন ও কার্যক্ষমতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে মোট ৩৭৮টি কন্টেইনার পণ্য নিলামে তোলার ঘোষণা দিয়েছে। জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) বিশেষ ও স্থায়ী আদেশ অনুযায়ী এই পণ্যগুলো সম্পূর্ণ ই-অকশন পদ্ধতিতে বিক্রি করা হবে।

এনবিআরের এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, ৪৯টি লটে ১৮০টি কন্টেইনার পণ্য বিশেষ আদেশে এবং ৭৪টি লটে ১৯৯টি কন্টেইনার পণ্য স্থায়ী আদেশে নিলামে তোলা হচ্ছে। নিলাম প্রক্রিয়াকে স্বচ্ছ ও প্রতিযোগিতামূলক করতে আগ্রহী বিডারদের পুরো মার্চ মাস জুড়ে সরেজমিনে পণ্য পরিদর্শনের সুযোগ দেওয়া হয়েছে এবং অনলাইনে বিড করার ব্যবস্থা রাখা হয়েছে।

বিশেষ আদেশের অধীনে নিলামে ওঠা ১৮০ কন্টেইনার পণ্যের মধ্যে রয়েছে বিভিন্ন ধরনের কেমিক্যাল, মেশিনারিজ, প্লাস্টিক স্ক্র্যাপ, আর্ট পেপার, বিটুমিন, ফেব্রিক্স, হাউজহোল্ড আইটেম এবং গাড়ির যন্ত্রাংশ। উল্লেখযোগ্য যে, এই পণ্যচালানগুলোর জন্য কোনো সংরক্ষিত মূল্য (রিজার্ভ ভ্যালু) নির্ধারিত নেই।

অন্যদিকে, স্থায়ী আদেশের আওতায় নিলামে বিক্রি করা ১৯৯টি কন্টেইনার পণ্যের মধ্যে আছে বিভিন্ন ক্যাপিটাল মেশিনারিজ, প্যাসেঞ্জার এলিভেটর, মেটাল স্ক্র্যাপ এবং ক্রাফট লাইনার পেপারসহ অন্যান্য পণ্য।

আগ্রহী ক্রেতাগণ বাংলাদেশ কাস্টমসের অফিসিয়াল ই-অকশন পোর্টালে নিবন্ধন করে ঘরে বসেই অনলাইনে দরপত্র জমা দিতে পারবেন। তবে, অনলাইনে বিড করার পাশাপাশি জামানতের পে-অর্ডার এবং প্রয়োজনীয় কাগজপত্র নির্ধারিত দরপত্র বাক্সে জমা দিতে হবে। সর্বোচ্চ দরদাতাদের আমদানি নীতি আদেশ ২০২১-২০২৪ এর প্রযোজ্য শর্তাবলি অনুসরণ করে পণ্য খালাস করতে হবে।

এনবিআর আরও জানিয়েছে, চট্টগ্রাম বন্দরের বিদ্যমান কন্টেইনার জট, এর ফলে উদ্ভূত নিরাপত্তাজনিত ঝুঁকি, ভৌত ও আর্থিক নিরাপত্তাসহ জানমালের নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ এবং রাষ্ট্রীয় সম্পদের অপচয় রোধ করাই এই নিলাম কার্যক্রম পরিচালনার মূল উদ্দেশ্য। ই-অকশন-২/২০২৬ এর দরপত্র বাক্স আগামী ৩১ মার্চ দুপুর ২টায় এবং ই-অকশন-৩/২০২৬ এর দরপত্র বাক্স ৮ এপ্রিল দুপুর ২টায় খোলা হবে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

ইসরায়েলের পুলিশ সদর দপ্তর ও স্যাটেলাইট যোগাযোগ কেন্দ্রে হামলার দাবি ইরানের

চট্টগ্রাম বন্দরে কন্টেইনার জট কমাতে ৩৭৮ কন্টেইনার পণ্য ই-নিলামে

আপডেট সময় : ০৩:১১:৫৯ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৫ মার্চ ২০২৬

চট্টগ্রাম কাস্টমস হাউস বন্দরের কন্টেইনার জট নিরসন ও কার্যক্ষমতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে মোট ৩৭৮টি কন্টেইনার পণ্য নিলামে তোলার ঘোষণা দিয়েছে। জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) বিশেষ ও স্থায়ী আদেশ অনুযায়ী এই পণ্যগুলো সম্পূর্ণ ই-অকশন পদ্ধতিতে বিক্রি করা হবে।

এনবিআরের এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, ৪৯টি লটে ১৮০টি কন্টেইনার পণ্য বিশেষ আদেশে এবং ৭৪টি লটে ১৯৯টি কন্টেইনার পণ্য স্থায়ী আদেশে নিলামে তোলা হচ্ছে। নিলাম প্রক্রিয়াকে স্বচ্ছ ও প্রতিযোগিতামূলক করতে আগ্রহী বিডারদের পুরো মার্চ মাস জুড়ে সরেজমিনে পণ্য পরিদর্শনের সুযোগ দেওয়া হয়েছে এবং অনলাইনে বিড করার ব্যবস্থা রাখা হয়েছে।

বিশেষ আদেশের অধীনে নিলামে ওঠা ১৮০ কন্টেইনার পণ্যের মধ্যে রয়েছে বিভিন্ন ধরনের কেমিক্যাল, মেশিনারিজ, প্লাস্টিক স্ক্র্যাপ, আর্ট পেপার, বিটুমিন, ফেব্রিক্স, হাউজহোল্ড আইটেম এবং গাড়ির যন্ত্রাংশ। উল্লেখযোগ্য যে, এই পণ্যচালানগুলোর জন্য কোনো সংরক্ষিত মূল্য (রিজার্ভ ভ্যালু) নির্ধারিত নেই।

অন্যদিকে, স্থায়ী আদেশের আওতায় নিলামে বিক্রি করা ১৯৯টি কন্টেইনার পণ্যের মধ্যে আছে বিভিন্ন ক্যাপিটাল মেশিনারিজ, প্যাসেঞ্জার এলিভেটর, মেটাল স্ক্র্যাপ এবং ক্রাফট লাইনার পেপারসহ অন্যান্য পণ্য।

আগ্রহী ক্রেতাগণ বাংলাদেশ কাস্টমসের অফিসিয়াল ই-অকশন পোর্টালে নিবন্ধন করে ঘরে বসেই অনলাইনে দরপত্র জমা দিতে পারবেন। তবে, অনলাইনে বিড করার পাশাপাশি জামানতের পে-অর্ডার এবং প্রয়োজনীয় কাগজপত্র নির্ধারিত দরপত্র বাক্সে জমা দিতে হবে। সর্বোচ্চ দরদাতাদের আমদানি নীতি আদেশ ২০২১-২০২৪ এর প্রযোজ্য শর্তাবলি অনুসরণ করে পণ্য খালাস করতে হবে।

এনবিআর আরও জানিয়েছে, চট্টগ্রাম বন্দরের বিদ্যমান কন্টেইনার জট, এর ফলে উদ্ভূত নিরাপত্তাজনিত ঝুঁকি, ভৌত ও আর্থিক নিরাপত্তাসহ জানমালের নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ এবং রাষ্ট্রীয় সম্পদের অপচয় রোধ করাই এই নিলাম কার্যক্রম পরিচালনার মূল উদ্দেশ্য। ই-অকশন-২/২০২৬ এর দরপত্র বাক্স আগামী ৩১ মার্চ দুপুর ২টায় এবং ই-অকশন-৩/২০২৬ এর দরপত্র বাক্স ৮ এপ্রিল দুপুর ২টায় খোলা হবে।