ঢাকা ১১:৫৯ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১৫ মার্চ ২০২৬

ডেঙ্গু প্রতিরোধে ডিএনসিসির ‘শনিবারের অঙ্গীকার’ ও বিশেষ পরিচ্ছন্নতা অভিযান

এডিস মশার প্রজননস্থল ধ্বংস এবং ডেঙ্গু প্রতিরোধে ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশন (ডিএনসিসি) আজ থেকে ‘শনিবারের অঙ্গীকার—বাসাবাড়ি করি পরিষ্কার’ শীর্ষক একটি বিশেষ ক্যাম্পেইন শুরু করেছে। ডিএনসিসির স্বাস্থ্য বিভাগ ও বর্জ্য ব্যবস্থাপনা বিভাগের সমন্বয়ে এই কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে, যেখানে সংশ্লিষ্ট কীটতত্ত্ববিদ ও মশক নিয়ন্ত্রণ কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

ডিএনসিসির প্রধান বর্জ্য ব্যবস্থাপনা কর্মকর্তা কমডোর মোহাম্মদ হুমায়ুন কবীর এবং উপপ্রধান স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডাঃ মোঃ ইমদাদুল হক মাঠপর্যায়ে উপস্থিত থেকে এই কার্যক্রম তদারকি করেন। ডিএনসিসির আওতাধীন ১, ৫, ১৩, ১৯, ৩০ ও ৩৮ নম্বর ওয়ার্ডে একযোগে এই অভিযান পরিচালিত হয়, যেখানে প্রায় ১১০ জন মশক কর্মী ফগার মেশিন, হ্যান্ড স্প্রে মেশিনসহ প্রয়োজনীয় সরঞ্জাম ব্যবহার করেন।

ক্যাম্পেইনের অংশ হিসেবে এডিস মশার সম্ভাব্য প্রজননস্থল হিসেবে চিহ্নিত পরিত্যক্ত ও অব্যবহৃত পাত্র অপসারণ, আশপাশের ময়লা-আবর্জনা পরিষ্কার, লার্ভা ধ্বংস কার্যক্রম পরিচালনা, লিফলেট বিতরণ এবং সচেতনতামূলক প্রচারণা চালানো হয়। পাশাপাশি নগরবাসীকে বাসাবাড়ি, অফিস ও আশপাশের পরিবেশে কোথাও তিন দিনের বেশি পানি জমে থাকতে না দেওয়ার জন্য উদ্বুদ্ধ করা হয়।

এছাড়াও, বর্জ্য ব্যবস্থাপনা বিভাগের উদ্যোগে একইসাথে বিশেষ পরিচ্ছন্নতা অভিযান পরিচালনা করা হয়। এই অভিযানের অংশ হিসেবে ড্রেন, খাল এবং নগরে জমে থাকা আবর্জনা পরিষ্কার করা হয়। শহরজুড়ে পরিচালিত এই কার্যক্রমে বর্জ্য ব্যবস্থাপনা বিভাগের কমপক্ষে ২০০ জন পরিচ্ছন্নতাকর্মী অংশ নেন।

ডিএনসিসি প্রশাসক মোঃ শফিকুল ইসলাম খান বলেছেন, প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনা অনুযায়ী প্রতি শনিবার বিশেষ মশক নিধন অভিযান পরিচালনা করা হচ্ছে। এরই অংশ হিসেবে ডেঙ্গু প্রতিরোধে নগরবাসীর সক্রিয় অংশগ্রহণ নিশ্চিত করতে “শনিবারের অঙ্গীকার—বাসাবাড়ি করি পরিষ্কার” ক্যাম্পেইন শুরু হয়েছে। এই কর্মসূচি আগামী ৩০ মে ২০২৬ সাল পর্যন্ত প্রতি শনিবার সকাল ৮টা থেকে দুপুর পর্যন্ত চলমান থাকবে।

ইনস্টিটিউট অব এপিডেমিওলজি, ডিজিজ কন্ট্রোল অ্যান্ড রিসার্চ (আইইডিসিআর) এবং স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের জরিপ অনুযায়ী, ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনের ২৫টি ওয়ার্ড এডিস মশার সূচকে ঝুঁকিপূর্ণ হিসেবে চিহ্নিত হয়েছে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

মধ্যপ্রাচ্যের সমুদ্রপথে চরম উত্তেজনা: দুই সপ্তাহে ১৭ জাহাজে হামলা, নিহত ২ ভারতীয়

ডেঙ্গু প্রতিরোধে ডিএনসিসির ‘শনিবারের অঙ্গীকার’ ও বিশেষ পরিচ্ছন্নতা অভিযান

আপডেট সময় : ০৯:৫৫:৩৯ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৪ মার্চ ২০২৬

এডিস মশার প্রজননস্থল ধ্বংস এবং ডেঙ্গু প্রতিরোধে ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশন (ডিএনসিসি) আজ থেকে ‘শনিবারের অঙ্গীকার—বাসাবাড়ি করি পরিষ্কার’ শীর্ষক একটি বিশেষ ক্যাম্পেইন শুরু করেছে। ডিএনসিসির স্বাস্থ্য বিভাগ ও বর্জ্য ব্যবস্থাপনা বিভাগের সমন্বয়ে এই কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে, যেখানে সংশ্লিষ্ট কীটতত্ত্ববিদ ও মশক নিয়ন্ত্রণ কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

ডিএনসিসির প্রধান বর্জ্য ব্যবস্থাপনা কর্মকর্তা কমডোর মোহাম্মদ হুমায়ুন কবীর এবং উপপ্রধান স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডাঃ মোঃ ইমদাদুল হক মাঠপর্যায়ে উপস্থিত থেকে এই কার্যক্রম তদারকি করেন। ডিএনসিসির আওতাধীন ১, ৫, ১৩, ১৯, ৩০ ও ৩৮ নম্বর ওয়ার্ডে একযোগে এই অভিযান পরিচালিত হয়, যেখানে প্রায় ১১০ জন মশক কর্মী ফগার মেশিন, হ্যান্ড স্প্রে মেশিনসহ প্রয়োজনীয় সরঞ্জাম ব্যবহার করেন।

ক্যাম্পেইনের অংশ হিসেবে এডিস মশার সম্ভাব্য প্রজননস্থল হিসেবে চিহ্নিত পরিত্যক্ত ও অব্যবহৃত পাত্র অপসারণ, আশপাশের ময়লা-আবর্জনা পরিষ্কার, লার্ভা ধ্বংস কার্যক্রম পরিচালনা, লিফলেট বিতরণ এবং সচেতনতামূলক প্রচারণা চালানো হয়। পাশাপাশি নগরবাসীকে বাসাবাড়ি, অফিস ও আশপাশের পরিবেশে কোথাও তিন দিনের বেশি পানি জমে থাকতে না দেওয়ার জন্য উদ্বুদ্ধ করা হয়।

এছাড়াও, বর্জ্য ব্যবস্থাপনা বিভাগের উদ্যোগে একইসাথে বিশেষ পরিচ্ছন্নতা অভিযান পরিচালনা করা হয়। এই অভিযানের অংশ হিসেবে ড্রেন, খাল এবং নগরে জমে থাকা আবর্জনা পরিষ্কার করা হয়। শহরজুড়ে পরিচালিত এই কার্যক্রমে বর্জ্য ব্যবস্থাপনা বিভাগের কমপক্ষে ২০০ জন পরিচ্ছন্নতাকর্মী অংশ নেন।

ডিএনসিসি প্রশাসক মোঃ শফিকুল ইসলাম খান বলেছেন, প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনা অনুযায়ী প্রতি শনিবার বিশেষ মশক নিধন অভিযান পরিচালনা করা হচ্ছে। এরই অংশ হিসেবে ডেঙ্গু প্রতিরোধে নগরবাসীর সক্রিয় অংশগ্রহণ নিশ্চিত করতে “শনিবারের অঙ্গীকার—বাসাবাড়ি করি পরিষ্কার” ক্যাম্পেইন শুরু হয়েছে। এই কর্মসূচি আগামী ৩০ মে ২০২৬ সাল পর্যন্ত প্রতি শনিবার সকাল ৮টা থেকে দুপুর পর্যন্ত চলমান থাকবে।

ইনস্টিটিউট অব এপিডেমিওলজি, ডিজিজ কন্ট্রোল অ্যান্ড রিসার্চ (আইইডিসিআর) এবং স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের জরিপ অনুযায়ী, ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনের ২৫টি ওয়ার্ড এডিস মশার সূচকে ঝুঁকিপূর্ণ হিসেবে চিহ্নিত হয়েছে।