ঢাকা ০৮:৪৭ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৪ মার্চ ২০২৬

সংযুক্ত আরব আমিরাত ও বাহরাইনের মার্কিন ঘাঁটিতে ইরানের ড্রোন ও মিসাইল হামলার দাবি

মধ্যপ্রাচ্যে চলমান তীব্র উত্তেজনার মধ্যে সংযুক্ত আরব আমিরাত ও বাহরাইনে অবস্থিত মার্কিন সামরিক ঘাঁটিগুলোতে হামলা চালানোর দাবি করেছে ইরান। দেশটির ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পস (আইআরজিসি) নৌবাহিনীর প্রধান অ্যাডমিরাল আলিরেজা তানসিরি এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, ইরানি নৌবাহিনী ওই অঞ্চলের তিনটি মার্কিন ঘাঁটিতে কয়েক দফা সফল অভিযান পরিচালনা করেছে।

ইরানের রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যমের বরাতে জানা গেছে, লক্ষ্যবস্তুগুলোর মধ্যে ছিল আবুধাবির আল-ধাফরা বিমানঘাঁটি এবং বাহরাইনের শেখ ঈসা ঘাঁটি। অ্যাডমিরাল তানসিরির দাবি অনুযায়ী, এই হামলায় মার্কিন বাহিনীর প্যাট্রিয়ট রাডার সিস্টেম, যুদ্ধবিমান এবং জ্বালানি সংরক্ষণাগার লক্ষ্য করে নিখুঁতভাবে আঘাত হানা হয়েছে।

ইরান বলছে, গত দুই সপ্তাহ ধরে তাদের ওপর চালানো বিভিন্ন হামলার পাল্টা জবাব হিসেবেই এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। তবে ইরানের এই দাবির বিষয়ে এখন পর্যন্ত মার্কিন প্রতিরক্ষা দপ্তর বা সংশ্লিষ্ট দেশগুলোর পক্ষ থেকে কোনো আনুষ্ঠানিক বিবৃতি পাওয়া যায়নি। হামলায় কী পরিমাণ ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে, সে সম্পর্কেও বিস্তারিত তথ্য এখনো অজানা।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

সিলেটের উন্নয়নে নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি পর্যায়ক্রমে বাস্তবায়ন হবে: বাণিজ্যমন্ত্রী

সংযুক্ত আরব আমিরাত ও বাহরাইনের মার্কিন ঘাঁটিতে ইরানের ড্রোন ও মিসাইল হামলার দাবি

আপডেট সময় : ০৬:০৪:১৬ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৪ মার্চ ২০২৬

মধ্যপ্রাচ্যে চলমান তীব্র উত্তেজনার মধ্যে সংযুক্ত আরব আমিরাত ও বাহরাইনে অবস্থিত মার্কিন সামরিক ঘাঁটিগুলোতে হামলা চালানোর দাবি করেছে ইরান। দেশটির ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পস (আইআরজিসি) নৌবাহিনীর প্রধান অ্যাডমিরাল আলিরেজা তানসিরি এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, ইরানি নৌবাহিনী ওই অঞ্চলের তিনটি মার্কিন ঘাঁটিতে কয়েক দফা সফল অভিযান পরিচালনা করেছে।

ইরানের রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যমের বরাতে জানা গেছে, লক্ষ্যবস্তুগুলোর মধ্যে ছিল আবুধাবির আল-ধাফরা বিমানঘাঁটি এবং বাহরাইনের শেখ ঈসা ঘাঁটি। অ্যাডমিরাল তানসিরির দাবি অনুযায়ী, এই হামলায় মার্কিন বাহিনীর প্যাট্রিয়ট রাডার সিস্টেম, যুদ্ধবিমান এবং জ্বালানি সংরক্ষণাগার লক্ষ্য করে নিখুঁতভাবে আঘাত হানা হয়েছে।

ইরান বলছে, গত দুই সপ্তাহ ধরে তাদের ওপর চালানো বিভিন্ন হামলার পাল্টা জবাব হিসেবেই এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। তবে ইরানের এই দাবির বিষয়ে এখন পর্যন্ত মার্কিন প্রতিরক্ষা দপ্তর বা সংশ্লিষ্ট দেশগুলোর পক্ষ থেকে কোনো আনুষ্ঠানিক বিবৃতি পাওয়া যায়নি। হামলায় কী পরিমাণ ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে, সে সম্পর্কেও বিস্তারিত তথ্য এখনো অজানা।