ঢাকা ০৮:৩৯ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৪ মার্চ ২০২৬

খুলনায় নিখোঁজের তিনদিন পর ভৈরব নদ থেকে রিকশাচালকের মরদেহ উদ্ধার

খুলনা মহানগরীর ভৈরব নদ থেকে নিখোঁজ হওয়ার তিনদিন পর হানিফ শেখ (৪০) নামে এক রিকশাচালকের মরদেহ উদ্ধার করেছে নৌপুলিশ। শনিবার ভোরে নগরীর জেলখানা খেয়াঘাট এলাকা থেকে ভাসমান অবস্থায় লাশটি উদ্ধার করা হয়। নিহত হানিফ শেখ নগরীর ৪ নম্বর ঘাট এলাকার আজিজ শেখের ছেলে বলে পুলিশ নিশ্চিত করেছে।

পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, হানিফ শেখ প্রতিদিন রাতে রিকশা চালিয়ে ভোরের দিকে ভৈরব নদে গোসল করতে নামতেন। গত বৃহস্পতিবার ভোরে গোসলে নেমে তিনি আর ফিরে আসেননি। পরিবারের পক্ষ থেকে ফায়ার সার্ভিস ও নৌপুলিশকে জানানো হলে কয়েক দফা উদ্ধার অভিযান চালানো হলেও তার সন্ধান মেলেনি। অবশেষে শনিবার ভোরে স্থানীয়রা নদীতে লাশ ভাসতে দেখে পুলিশে খবর দেয়।

নৌপুলিশ খুলনা সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) বাবুল আক্তার জানান, খবর পেয়ে পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহটি উদ্ধার করে। সুরতহাল প্রতিবেদনে নিহতের শরীরে কোনো আঘাতের চিহ্ন পাওয়া যায়নি। ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহটি খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। আইনি প্রক্রিয়া শেষে মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হবে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

হাদি হত্যার আসামীদের পালাতে সহায়তাকারী ফিলিপ সাংমা ভারতের নদীয়ায় গ্রেফতার

খুলনায় নিখোঁজের তিনদিন পর ভৈরব নদ থেকে রিকশাচালকের মরদেহ উদ্ধার

আপডেট সময় : ০৬:০৮:০৪ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৪ মার্চ ২০২৬

খুলনা মহানগরীর ভৈরব নদ থেকে নিখোঁজ হওয়ার তিনদিন পর হানিফ শেখ (৪০) নামে এক রিকশাচালকের মরদেহ উদ্ধার করেছে নৌপুলিশ। শনিবার ভোরে নগরীর জেলখানা খেয়াঘাট এলাকা থেকে ভাসমান অবস্থায় লাশটি উদ্ধার করা হয়। নিহত হানিফ শেখ নগরীর ৪ নম্বর ঘাট এলাকার আজিজ শেখের ছেলে বলে পুলিশ নিশ্চিত করেছে।

পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, হানিফ শেখ প্রতিদিন রাতে রিকশা চালিয়ে ভোরের দিকে ভৈরব নদে গোসল করতে নামতেন। গত বৃহস্পতিবার ভোরে গোসলে নেমে তিনি আর ফিরে আসেননি। পরিবারের পক্ষ থেকে ফায়ার সার্ভিস ও নৌপুলিশকে জানানো হলে কয়েক দফা উদ্ধার অভিযান চালানো হলেও তার সন্ধান মেলেনি। অবশেষে শনিবার ভোরে স্থানীয়রা নদীতে লাশ ভাসতে দেখে পুলিশে খবর দেয়।

নৌপুলিশ খুলনা সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) বাবুল আক্তার জানান, খবর পেয়ে পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহটি উদ্ধার করে। সুরতহাল প্রতিবেদনে নিহতের শরীরে কোনো আঘাতের চিহ্ন পাওয়া যায়নি। ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহটি খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। আইনি প্রক্রিয়া শেষে মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হবে।