ঢাকা ০৮:৪০ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৪ মার্চ ২০২৬

উপকূলীয় মানুষের সুরক্ষায় স্থায়ী বাঁধ নির্মাণে বদ্ধপরিকর সরকার: পানিসম্পদ মন্ত্রী

লক্ষ্মীপুরের রামগতি ও কমলনগর উপজেলার নদী ভাঙন রোধে ৬২ কিলোমিটার দীর্ঘ স্থায়ী বাঁধ নির্মাণের কাজ দ্রুত সম্পন্ন করার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন পানিসম্পদ মন্ত্রী ও বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব শহীদ উদ্দীন চৌধুরী এ্যানি। শনিবার দুপুরে রামগতির আলেকজান্ডার ইউনিয়নে মেঘনা নদীর তীর রক্ষা বাঁধ প্রকল্প পরিদর্শনকালে তিনি এ কথা বলেন। মন্ত্রী জানান, বর্তমান সরকার জনস্বার্থকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিয়ে প্রান্তিক মানুষের দোরগোড়ায় সেবা পৌঁছে দিতে কাজ করছে।

পরিদর্শনকালে মন্ত্রী বলেন, উপকূলীয় অঞ্চলের মানুষ প্রতিনিয়ত প্রকৃতির সঙ্গে লড়াই করে বেঁচে থাকে। বর্ষা মৌসুমে প্লাবন ও তীব্র স্রোতের কারণে নদী তীরবর্তী এলাকার মানুষের ঘরবাড়ি, জমি এবং ফসল বিলীন হয়ে যাচ্ছে। মজুচৌধুরীর হাট থেকে শুরু করে বয়ারচর পর্যন্ত বিস্তৃত এই উপকূলীয় অঞ্চলের নিরাপত্তা নিশ্চিতে বাঁধ নির্মাণ প্রকল্পটির গুরুত্ব অপরিসীম। ক্ষতিগ্রস্ত ও নিঃস্ব হওয়া মানুষের দুঃখ লাঘবে সরকার আন্তরিকভাবে কাজ করছে।

এ সময় মন্ত্রীর সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন জাতীয় সংসদের হুইপ এবিএম আশরাফ উদ্দিন নিজান এমপি এবং লক্ষ্মীপুর-১ আসনের সংসদ সদস্য শাহাদাত হোসেন সেলিমসহ স্থানীয় প্রশাসনের উর্ধ্বতন কর্মকর্তারা। নদী ভাঙন কবলিত মানুষের দীর্ঘদিনের দুর্ভোগ নিরসনে সরকারের এই পদক্ষেপ বাস্তবায়নে সবার সহযোগিতা কামনা করেন মন্ত্রী।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

হাদি হত্যার আসামীদের পালাতে সহায়তাকারী ফিলিপ সাংমা ভারতের নদীয়ায় গ্রেফতার

উপকূলীয় মানুষের সুরক্ষায় স্থায়ী বাঁধ নির্মাণে বদ্ধপরিকর সরকার: পানিসম্পদ মন্ত্রী

আপডেট সময় : ০৬:০৭:৫৫ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৪ মার্চ ২০২৬

লক্ষ্মীপুরের রামগতি ও কমলনগর উপজেলার নদী ভাঙন রোধে ৬২ কিলোমিটার দীর্ঘ স্থায়ী বাঁধ নির্মাণের কাজ দ্রুত সম্পন্ন করার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন পানিসম্পদ মন্ত্রী ও বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব শহীদ উদ্দীন চৌধুরী এ্যানি। শনিবার দুপুরে রামগতির আলেকজান্ডার ইউনিয়নে মেঘনা নদীর তীর রক্ষা বাঁধ প্রকল্প পরিদর্শনকালে তিনি এ কথা বলেন। মন্ত্রী জানান, বর্তমান সরকার জনস্বার্থকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিয়ে প্রান্তিক মানুষের দোরগোড়ায় সেবা পৌঁছে দিতে কাজ করছে।

পরিদর্শনকালে মন্ত্রী বলেন, উপকূলীয় অঞ্চলের মানুষ প্রতিনিয়ত প্রকৃতির সঙ্গে লড়াই করে বেঁচে থাকে। বর্ষা মৌসুমে প্লাবন ও তীব্র স্রোতের কারণে নদী তীরবর্তী এলাকার মানুষের ঘরবাড়ি, জমি এবং ফসল বিলীন হয়ে যাচ্ছে। মজুচৌধুরীর হাট থেকে শুরু করে বয়ারচর পর্যন্ত বিস্তৃত এই উপকূলীয় অঞ্চলের নিরাপত্তা নিশ্চিতে বাঁধ নির্মাণ প্রকল্পটির গুরুত্ব অপরিসীম। ক্ষতিগ্রস্ত ও নিঃস্ব হওয়া মানুষের দুঃখ লাঘবে সরকার আন্তরিকভাবে কাজ করছে।

এ সময় মন্ত্রীর সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন জাতীয় সংসদের হুইপ এবিএম আশরাফ উদ্দিন নিজান এমপি এবং লক্ষ্মীপুর-১ আসনের সংসদ সদস্য শাহাদাত হোসেন সেলিমসহ স্থানীয় প্রশাসনের উর্ধ্বতন কর্মকর্তারা। নদী ভাঙন কবলিত মানুষের দীর্ঘদিনের দুর্ভোগ নিরসনে সরকারের এই পদক্ষেপ বাস্তবায়নে সবার সহযোগিতা কামনা করেন মন্ত্রী।