ঝিনাইদহ সদর উপজেলার মাধবপুর গ্রামে রাজনৈতিক বিরোধের জেরে কৃষকদল নেতা তরু মুন্সীর মৃত্যুকে কেন্দ্র করে ব্যাপক উত্তেজনা বিরাজ করছে। শনিবার দুপুরে ময়নাতদন্ত শেষে নিহতের মরদেহ নিয়ে শহরে বিক্ষোভ মিছিল বের করে বিএনপি। মিছিলটি শহরের প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে হামদহ মোড়ে গিয়ে শেষ হয়। এতে জেলা বিএনপির শীর্ষ নেতৃবৃন্দসহ বিপুল সংখ্যক কর্মী-সমর্থক অংশ নেন।
বিক্ষোভ সমাবেশে বিএনপি নেতারা অভিযোগ করেন, জামায়াত-শিবিরের নেতাকর্মীরা তরু মুন্সীকে বাঁশ দিয়ে পিটিয়ে গুরুতর জখম করে, যার ফলে তার মৃত্যু হয়েছে। তারা এই ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও বিচার দাবি করেন। অন্যদিকে, জামায়াতের পক্ষ থেকে সংবাদ সম্মেলন করে এই অভিযোগ অস্বীকার করা হয়েছে। তাদের দাবি, তরু মুন্সী আগে থেকেই অসুস্থ ছিলেন এবং উত্তেজনার মুখে হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে মারা গেছেন। এই মৃত্যুকে কেন্দ্র করে তাদের কর্মীদের ওপর হামলা চালানো হচ্ছে বলেও তারা অভিযোগ করেন।
উল্লেখ্য, শুক্রবার মাধবপুর গ্রামে একটি ইফতার মাহফিলের আয়োজনকে কেন্দ্র করে বিএনপি ও জামায়াত কর্মীদের মধ্যে দফায় দফায় সংঘর্ষ হয়। এতে উভয় পক্ষের বেশ কয়েকজন আহত হন। গুরুতর আহত অবস্থায় তরু মুন্সীকে ঢাকায় নেওয়ার পথে তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। নিহত তরু মুন্সী স্থানীয় ইউনিয়ন কৃষকদলের সাংগঠনিক সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছিলেন।
রিপোর্টারের নাম 
























