মোবাইল অ্যাপ ডাউনলোড করুন
ঢাকা ০৭:০৮ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ০৩ অগাস্ট ২০২৬

সাবেক মার্কিন রাষ্ট্রদূত: ইরান নীতিতে ট্রাম্পের কোনো বাস্তব পরিকল্পনা ছিল না

বাহরাইনে নিযুক্ত সাবেক মার্কিন রাষ্ট্রদূত অ্যাডাম এরেলি মন্তব্য করেছেন যে, যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের ইরান ইস্যুতে কোনো ‘বাস্তব পরিকল্পনা’ ছিল না। তিনি বলেন, যদিও ট্রাম্প কূটনৈতিক আলোচনার পথ খোলা রাখতে তার পরিকল্পিত হামলা বাতিল করেছিলেন কিনা তা নিশ্চিত করে বলা কঠিন, তবে যুদ্ধ দীর্ঘায়িত হওয়ার সাথে সাথে এটি স্পষ্ট হয়ে ওঠে যে তার কোনো বাস্তবসম্মত কৌশল ছিল না।

এরেলি তার বিশ্লেষণে উল্লেখ করেন, ট্রাম্প প্রশাসন প্রায়শই নিজেদের তৈরি করা জটিল পরিস্থিতি থেকে দ্রুত এবং কম খরচে বেরিয়ে আসার উপায় খুঁজতো। তিনি আরও বলেন, ইরান প্রসঙ্গে ট্রাম্পের আচরণে একটি নির্দিষ্ট ধরনের পুনরাবৃত্তি বা ধাঁচ লক্ষ্য করা গেছে।

সাবেক এই রাষ্ট্রদূতের মতে, ট্রাম্প প্রথমে নিজেকে বোঝাতেন যে, যুক্তরাষ্ট্র যদি ইরানের ওপর ক্রমাগত ভারী হামলা চালায়, তবে এটি ইসলামিক প্রজাতন্ত্রটিকে একটি চুক্তিতে আসতে বাধ্য করবে। এরপর, কয়েকটি উপসাগরীয় দেশের নেতারা তাকে ফোন করে এই হামলা না চালানোর জন্য অনুরোধ করতেন, কারণ ইরানের পাল্টা জবাবের শিকার হতে হতো তাদেরই।

এরেলি ব্যাখ্যা করেন, এরপর ট্রাম্প একধাপ পিছিয়ে এসে বলতেন যে যুক্তরাষ্ট্র ‘কূটনীতিকে আরও একটি সুযোগ দেবে’, তবে ইরান চুক্তি প্রত্যাখ্যান করলে হামলা চালানোর জন্য প্রস্তুত থাকার হুঁশিয়ারিও বহাল রাখতেন। এর ফলে পরিস্থিতি একই জায়গায় থেকে যেতো—’ইরান হরমুজ প্রণালির নিয়ন্ত্রণ ধরে রাখতো, ট্রাম্প বলতেন চুক্তি হয়েছে, পরে সেই চুক্তি ভেঙে যেতো এবং পুরো প্রক্রিয়া আবার শুরু হতো।’

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

মাদকমুক্ত সমাজ গড়ার প্রত্যয়ে হবিগঞ্জে ব্যতিক্রমী উদ্যোগ: ৮৪ জনের আত্মসমর্পণ

সাবেক মার্কিন রাষ্ট্রদূত: ইরান নীতিতে ট্রাম্পের কোনো বাস্তব পরিকল্পনা ছিল না

আপডেট সময় : ০৫:১১:৩৩ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ৩ অগাস্ট ২০২৬

বাহরাইনে নিযুক্ত সাবেক মার্কিন রাষ্ট্রদূত অ্যাডাম এরেলি মন্তব্য করেছেন যে, যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের ইরান ইস্যুতে কোনো ‘বাস্তব পরিকল্পনা’ ছিল না। তিনি বলেন, যদিও ট্রাম্প কূটনৈতিক আলোচনার পথ খোলা রাখতে তার পরিকল্পিত হামলা বাতিল করেছিলেন কিনা তা নিশ্চিত করে বলা কঠিন, তবে যুদ্ধ দীর্ঘায়িত হওয়ার সাথে সাথে এটি স্পষ্ট হয়ে ওঠে যে তার কোনো বাস্তবসম্মত কৌশল ছিল না।

এরেলি তার বিশ্লেষণে উল্লেখ করেন, ট্রাম্প প্রশাসন প্রায়শই নিজেদের তৈরি করা জটিল পরিস্থিতি থেকে দ্রুত এবং কম খরচে বেরিয়ে আসার উপায় খুঁজতো। তিনি আরও বলেন, ইরান প্রসঙ্গে ট্রাম্পের আচরণে একটি নির্দিষ্ট ধরনের পুনরাবৃত্তি বা ধাঁচ লক্ষ্য করা গেছে।

সাবেক এই রাষ্ট্রদূতের মতে, ট্রাম্প প্রথমে নিজেকে বোঝাতেন যে, যুক্তরাষ্ট্র যদি ইরানের ওপর ক্রমাগত ভারী হামলা চালায়, তবে এটি ইসলামিক প্রজাতন্ত্রটিকে একটি চুক্তিতে আসতে বাধ্য করবে। এরপর, কয়েকটি উপসাগরীয় দেশের নেতারা তাকে ফোন করে এই হামলা না চালানোর জন্য অনুরোধ করতেন, কারণ ইরানের পাল্টা জবাবের শিকার হতে হতো তাদেরই।

এরেলি ব্যাখ্যা করেন, এরপর ট্রাম্প একধাপ পিছিয়ে এসে বলতেন যে যুক্তরাষ্ট্র ‘কূটনীতিকে আরও একটি সুযোগ দেবে’, তবে ইরান চুক্তি প্রত্যাখ্যান করলে হামলা চালানোর জন্য প্রস্তুত থাকার হুঁশিয়ারিও বহাল রাখতেন। এর ফলে পরিস্থিতি একই জায়গায় থেকে যেতো—’ইরান হরমুজ প্রণালির নিয়ন্ত্রণ ধরে রাখতো, ট্রাম্প বলতেন চুক্তি হয়েছে, পরে সেই চুক্তি ভেঙে যেতো এবং পুরো প্রক্রিয়া আবার শুরু হতো।’