মোবাইল অ্যাপ ডাউনলোড করুন
ঢাকা ০১:৪৭ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ০৩ অগাস্ট ২০২৬

গঙ্গাচড়ায় বন্যা-ক্ষতিগ্রস্ত সড়ক সংস্কার ও তিস্তা ভাঙন রোধে ডিসির কাছে স্মারকলিপি

রংপুরের গঙ্গাচড়া উপজেলার নোহালী ইউনিয়নে সাম্প্রতিক বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত প্রায় ১২ কিলোমিটার অভ্যন্তরীণ সড়ক দ্রুত সংস্কার এবং তিস্তা নদীর ভাঙন থেকে ঝুঁকিপূর্ণ প্রতিরক্ষা বাঁধ রক্ষায় জরুরি ব্যবস্থা গ্রহণের দাবিতে স্থানীয় বাসিন্দারা জেলা প্রশাসকের (ডিসি) কাছে স্মারকলিপি জমা দিয়েছেন।

রোববার দুপুরে রংপুর জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে নোহালী ইউনিয়নের ২, ৭ ও ৮ নম্বর ওয়ার্ডের সর্বস্তরের জনগণের পক্ষে গণস্বাক্ষরযুক্ত এই স্মারকলিপি পেশ করা হয়। স্মারকলিপিতে উল্লেখ করা হয়েছে যে, আকস্মিক বন্যা ও তিস্তা নদীর প্রবল স্রোতে চর বাগডহরা পশ্চিম জামে মসজিদ থেকে আশ্রয়ণ বাজার, আশ্রয়ণ বাজার থেকে লালমিয়ার মিল, আনন্দ বাজার থেকে স্কুল মোড়, জমিদারের বাড়ি থেকে মিনা বাজার, মিনা বাজার থেকে আবু বক্কর সিদ্দিকের বাড়ি, উত্তরপাড়া জামে মসজিদ থেকে ব্রিফ বাজার এবং বড়াইবাড়ী খেয়াঘাট থেকে কালীগঞ্জ খেয়াঘাট পর্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ সড়কসহ প্রায় ১২ কিলোমিটার যোগাযোগ ব্যবস্থা মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।

রাস্তা ধসে বড় বড় গর্ত সৃষ্টির কারণে যান চলাচল প্রায় অচল হয়ে পড়েছে, যা হাজার হাজার মানুষ, শিক্ষার্থী, কৃষক ও রোগীদের চরম দুর্ভোগে ফেলেছে। জরুরি চিকিৎসাসেবা, কৃষিপণ্য পরিবহন এবং শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে যাতায়াত ব্যাহত হওয়ায় জনজীবনে ব্যাপক ভোগান্তি নেমে এসেছে।

স্মারকলিপিতে আরও বলা হয়, বসতভিটা রক্ষায় স্থানীয় বাসিন্দারা নিজেদের উদ্যোগে ও স্বেচ্ছাশ্রমে বড়াইবাড়ী খেয়াঘাট থেকে কালীগঞ্জ খেয়াঘাট পর্যন্ত একটি প্রতিরক্ষা বাঁধ নির্মাণ করেছিলেন। কিন্তু বর্তমানে তিস্তা নদীর তীব্র স্রোতে এই বাঁধটি মারাত্মক ভাঙনঝুঁকিতে রয়েছে। বাঁধটি ভেঙে গেলে নোহালী ইউনিয়নের ২, ৭ ও ৮ নম্বর ওয়ার্ডের শত শত পরিবার নতুন করে নদীগর্ভে বিলীন হওয়ার আশঙ্কায় রয়েছে। এ অবস্থায় মধ্য চর বড়াইবাড়ী খেয়াঘাট সংলগ্ন প্রায় দুই কিলোমিটার এলাকায় জরুরি ভিত্তিতে জিও ব্যাগ ফেলে নদীভাঙন প্রতিরোধের দাবি জানানো হয়। পাশাপাশি দীর্ঘমেয়াদে একটি স্থায়ী প্রতিরক্ষা বাঁধ নির্মাণেরও দাবি তোলা হয়।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

গাজায় ইসরাইলি হামলায় ১২ ফিলিস্তিনি নিহত, যুদ্ধবিরতি চুক্তি লঙ্ঘিত

গঙ্গাচড়ায় বন্যা-ক্ষতিগ্রস্ত সড়ক সংস্কার ও তিস্তা ভাঙন রোধে ডিসির কাছে স্মারকলিপি

আপডেট সময় : ১২:০০:৪৪ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ৩ অগাস্ট ২০২৬

রংপুরের গঙ্গাচড়া উপজেলার নোহালী ইউনিয়নে সাম্প্রতিক বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত প্রায় ১২ কিলোমিটার অভ্যন্তরীণ সড়ক দ্রুত সংস্কার এবং তিস্তা নদীর ভাঙন থেকে ঝুঁকিপূর্ণ প্রতিরক্ষা বাঁধ রক্ষায় জরুরি ব্যবস্থা গ্রহণের দাবিতে স্থানীয় বাসিন্দারা জেলা প্রশাসকের (ডিসি) কাছে স্মারকলিপি জমা দিয়েছেন।

রোববার দুপুরে রংপুর জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে নোহালী ইউনিয়নের ২, ৭ ও ৮ নম্বর ওয়ার্ডের সর্বস্তরের জনগণের পক্ষে গণস্বাক্ষরযুক্ত এই স্মারকলিপি পেশ করা হয়। স্মারকলিপিতে উল্লেখ করা হয়েছে যে, আকস্মিক বন্যা ও তিস্তা নদীর প্রবল স্রোতে চর বাগডহরা পশ্চিম জামে মসজিদ থেকে আশ্রয়ণ বাজার, আশ্রয়ণ বাজার থেকে লালমিয়ার মিল, আনন্দ বাজার থেকে স্কুল মোড়, জমিদারের বাড়ি থেকে মিনা বাজার, মিনা বাজার থেকে আবু বক্কর সিদ্দিকের বাড়ি, উত্তরপাড়া জামে মসজিদ থেকে ব্রিফ বাজার এবং বড়াইবাড়ী খেয়াঘাট থেকে কালীগঞ্জ খেয়াঘাট পর্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ সড়কসহ প্রায় ১২ কিলোমিটার যোগাযোগ ব্যবস্থা মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।

রাস্তা ধসে বড় বড় গর্ত সৃষ্টির কারণে যান চলাচল প্রায় অচল হয়ে পড়েছে, যা হাজার হাজার মানুষ, শিক্ষার্থী, কৃষক ও রোগীদের চরম দুর্ভোগে ফেলেছে। জরুরি চিকিৎসাসেবা, কৃষিপণ্য পরিবহন এবং শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে যাতায়াত ব্যাহত হওয়ায় জনজীবনে ব্যাপক ভোগান্তি নেমে এসেছে।

স্মারকলিপিতে আরও বলা হয়, বসতভিটা রক্ষায় স্থানীয় বাসিন্দারা নিজেদের উদ্যোগে ও স্বেচ্ছাশ্রমে বড়াইবাড়ী খেয়াঘাট থেকে কালীগঞ্জ খেয়াঘাট পর্যন্ত একটি প্রতিরক্ষা বাঁধ নির্মাণ করেছিলেন। কিন্তু বর্তমানে তিস্তা নদীর তীব্র স্রোতে এই বাঁধটি মারাত্মক ভাঙনঝুঁকিতে রয়েছে। বাঁধটি ভেঙে গেলে নোহালী ইউনিয়নের ২, ৭ ও ৮ নম্বর ওয়ার্ডের শত শত পরিবার নতুন করে নদীগর্ভে বিলীন হওয়ার আশঙ্কায় রয়েছে। এ অবস্থায় মধ্য চর বড়াইবাড়ী খেয়াঘাট সংলগ্ন প্রায় দুই কিলোমিটার এলাকায় জরুরি ভিত্তিতে জিও ব্যাগ ফেলে নদীভাঙন প্রতিরোধের দাবি জানানো হয়। পাশাপাশি দীর্ঘমেয়াদে একটি স্থায়ী প্রতিরক্ষা বাঁধ নির্মাণেরও দাবি তোলা হয়।